এশয়র 'মজর পলয়র' হসব ভরতর উতথন ক চখ দখছ আমরক? https://ift.tt/kOdFZYL - MAS News bengali

এশয়র 'মজর পলয়র' হসব ভরতর উতথন ক চখ দখছ আমরক? https://ift.tt/kOdFZYL

এই সময়: পশ্চিম এশিয়ায় ‘’ হিসেবে ভারতের উত্থান নিয়ে খবর এবার আমেরিকান ম্যাগাজিনেও। ‘ফরেন পলিসি’ নামে গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক প্রথম সারির ওই ম্যাগাজিনটির দাবি, গত এক দশকে একটু একটু করে নিজের এই জায়গাটা করেছে ভারত। আর সবটাই ঘটেছে আমেরিকার অজান্তে! কী ভাবে তা সম্ভব? ‘ফরেন পলিসি’র দাবি, চিনকে নিয়ে মাথা ঘামাতে গিয়েই ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতের এই উত্থান নজর এড়িয়ে গিয়েছে আমেরিকার।পত্রিকাটির দাবি, গত দশ বছরে ইজ়রায়েল, সৌদি আরব এবং ইউএই-র মতো পশ্চিম এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলির সঙ্গে সার্বিক ভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পোক্ত করেছে ভারত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সব দেশ যে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পোক্ত করছে, তাতেই বোঝা যায় যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক হারে বদলাচ্ছে আন্তর্জাতিক সমীকরণ। এখন প্রশ্ন, আমেরিকা কী করবে? প্রতিবেদক স্টিভেন এ কুকের বক্তব্য, ‘সেই অর্থে কিছুই করার নেই আমেরিকার। বরং বদলে যাওয়া এই সমীকরণ থেকে কী ভাবে ফায়দা তোলা যায়, সে ব্যাপারেই মাথা ঘামানো উচিত ইউএসএ-র।’বিশেষজ্ঞদের একাংশের অবশ্য দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় সমীকরণ যদি সত্যিই বদলে গিয়ে থাকে, তা হলে তা আচমকাই ঘটেছে। কারণ, চিনও লাগাতার এই অঞ্চলের ‘মেজর প্লেয়ার’ হয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি তাঁদের। বস্তুত চিনের মধ্যস্থতাতেই সৌদি আরব এবং ইরানের মধ্যে সম্প্রতি বরফ অনেকখানি গলেছে বলে মনে করা হয়। । বরং ভারত যদি এখানকার ‘মেজর প্লেয়ার’ হয়ে ওঠে তাতে আমেরিকার এখনই তেমন গাত্রদাহ হওয়ার কথা নয় বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের একাংশের।ফরেন পলিসি অবশ্য অন্য একটা অঙ্কের কথা বলছে। পত্রিকাটির দাবি, পশ্চিম এশিয়া নিজেদের প্রয়োজনেই খেলা ঘোরাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘পশ্চিম এশিয়ার যে দেশগুলি তথাকথিত ভাবে ইউএসএ-র পার্টনার, তারা বিকল্প হিসেবে দিল্লির উপরই আস্থা রাখতে চাইছে।’ প্রতিবেদনে এ-ও লেখা হয়েছে— ভারত যে হেতু পশ্চিম এশিয়ায় নিজের ঘাঁটি শক্ত করছে, তাই আমেরিকার মতো চিন ও রাশিয়ার পক্ষেও এখানে দাঁত ফোটানো কঠিন। ইজ়রায়েলের সঙ্গে সুসম্পর্কই এ ক্ষেত্রে ভারতের ‘ট্রাম্প কার্ড’ বলে দাবি করা হয়েছে। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৭-য় নরেন্দ্র মোদীর ইজ়রায়েল সফরের কথাও বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বরাবর পাকিস্তান-ঘেঁষা হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবও যে ভারতের সঙ্গে সখ্য বাড়াচ্ছে, তারও উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। রয়েছে, মোদীর সাম্প্রতিক ইজিপ্ট-সফরের কথাও। এখন দেখার, সব দিক বজায় রেখে ভারত কী ভাবে পোক্ত রাখে এই ‘প্রোজেকশন অফ পাওয়ার’-কে, সেই একটা প্রশ্ন রেখেই রিপোর্ট শেষ করেছে ‘ফরেন পলিসি’।


from Bengali News, আজকের বাংলা খবর, News in Bangla, Bengali News Live Today, বাংলা সংবাদ https://ift.tt/4bkgmXx
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads