অন্ধকারের খোঁজে কিউইদের দেশ, 'ডার্ক স্কাই নেশন' হতে চায় নিউজিল্যান্ড https://ift.tt/a29zoXR - MAS News bengali

অন্ধকারের খোঁজে কিউইদের দেশ, 'ডার্ক স্কাই নেশন' হতে চায় নিউজিল্যান্ড https://ift.tt/a29zoXR

অভূতপূর্ব লক্ষ্যমাত্রা নিউজিল্যান্ডের (New Zealand)। একটি অন্ধকার আকাশের দেশ () হিসেবে লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তারা। আলোর দূষণের হাত থেকে বাঁচতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান গেছে। আন্তর্র্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধান অংশগুলিতে তৈরি হয়েছে আলোক দূষণ। ওই দেশের সরকার এই দূষণ কমানোর জন্য বিশেষভাবে সক্রিয়। তাই, আলোর দূষণ কমাতে রাতের দৃশ্য সংরক্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা। আলোর ঝলকানিতে হারিয়ে গিয়েছে চাঁদ-তারারা। চোখ ঝলসে দেওয়া সেই আলোর দূষণ রোধে নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানীদের এই ধরনের প্রচেষ্টা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। দেশটি প্রায় ৮০ শতাংশ অঞ্চল আলোর দূষণে প্রভাবিত। ফলে দূষণ কমাতে হলে, দেশের বেশিরভাগ অংশে রাতের দৃশ্য সংরক্ষণ করতে হবে। বর্তমানে বিশ্বে একমাত্র অন্ধকার আকাশের দেশ (Dark Sky Nation) হচ্ছে Niue । ২০২০ সালে ইন্টারন্যাশনাল ডার্ক স্কাই অ্যাসোসিয়েশন(IDSA) দ্বারা অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল দেশটিকে। IDSA-এর তথ্য অনুসারে, বর্তমানে বিশ্বে ১১৫টি অন্ধকার আকাশ (Dark Sky)-এর পার্ক রয়েছে। রয়েছে ২০টি সংরক্ষণাগার। এছাড়া বিশ্বে ১৬টি Dark Sky অভয়ারণ্য রয়েছে বলেও ইন্টারন্যাশনাল ডার্ক স্কাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আকাশ ভরা তারার খোঁজে এই অন্ধকার আকাশ (Dark Sky)-এর নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছেন মাওরি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষরা। অন্ধকার আকাশ সংরক্ষণে পরিবেশগত এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন ওই সম্প্রদায়ের মানুষজন। রিপোর্ট বলছে দ্বীপরাষ্ট্রের ভাষা, সংস্কৃতি এবং বিশ্বাস অন্ধকার আকাশের ভাবনা জন্ম দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ম্যাসি ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং অধ্যাপক রঙ্গি মাতামুয়া। তিনি আরও জানিয়েছেন যে বর্তমানে মাওরি সম্প্রদায়ের মানুষ ফসল কাটা থেকে শুরু করে মাছ শিকারের সেরা সময় এবং ঋতু সনাক্ত করতে চন্দ্র ক্যালেন্ডার ব্যবহার করছে। অন্ধকার আকাশের দেশ কী? এখন প্রশ্ন হচ্ছে অন্ধকার আকাশের দেশ (Dark Sky Nation) কি? ইন্টারন্যাশনাল ডার্ক স্কাই অ্যাসোসিয়েশন(IDSA)-এর উদ্যোগে এই সংরক্ষণের কাজটি প্রথম শুরু হয় ২০২১ সালে। সংস্থার মতে, এটা হচ্ছে একটি স্থান, যেখানে রাতের তারার একটি ব্যতিক্রমী বা বিশিষ্ট গুণমান রয়েছে। এমন একটি নিশাচর পরিবেশ তৈরি করে যা বৈজ্ঞানিক, প্রাকৃতিক, শিক্ষাগত এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিশেষভাবে সুরক্ষিত। IDSA আরও জানিয়েছে যে নিশাচর পাখিদের জন্য অন্ধকার আকাশ অত্যন্ত গুরুত্বরপূর্ণ। তাদের বাসা তৈরিতে বিশেষ সাহায্য করে। পরিযায়ী পাখিদের কাছে অন্ধকার আকাশ বিশেষ উপযোগী বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এখন দেখার, দ্বিতীয় অন্ধকার আকাশের দেশ (Dark Sky Nation) হিসেবে স্বীকৃতি আদায় করতে পারে কিনা।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/WzuwrtM
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads