রজয কনদরয বহন পছতই শর তৎপরত জলশসকদর বশষ নরদশ দল নরবচন কমশন https://ift.tt/gQoBFZV - MAS News bengali

রজয কনদরয বহন পছতই শর তৎপরত জলশসকদর বশষ নরদশ দল নরবচন কমশন https://ift.tt/gQoBFZV

Central Force in West Bengal : কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলায় মোতায়েন হতেই জেলাশাসকদের রাতেই বিশেষ নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, জেলাশাসকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুক্রবার রাতেই। কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনী টালবাহানার মাঝেই আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মধ্যে পড়তে হয়েছে কমিশনকে। এবার মেপে পা ফেলার সিদ্ধান্তে চলছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। নতুন করে যাতে কোনও বিতর্ক তৈরি না হয়, সে ব্যাপারে দৃষ্টি রয়েছে কমিশনের।কমিশন সূত্রে খবর, জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । ব্যবহার করতে হবে সঠিক সময়। যাতে চোখে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে আপনাদের। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে জেলায় জেলায় বিশেষ নির্দেশ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের। শনিবার থেকেই জেলাশাসকদের কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে ব্যবহারের বিষয়টি এটা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানানো হয়। রাতেই বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের বিশেষ নির্দেশ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে বাহিনী চেয়ে পাঠায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে প্রাথমিকভাবে, প্রতিটি জেলার জন্য এক কোম্পানি করে বাহিনী চেয়ে পাঠানোয় নতুন করে শুরু হয় বিতর্ক। এরপর বৃহস্পতিবার বিকেলে ফের ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠায় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সকাল থেকেই একাধিক জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছতে শুরু করে। জেলায় জেলায় শুরু হয় রুট মার্চও। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আর মাত্র সপ্তাহ দুই বাকি। তার মধ্যে রাজ্য পুলিশের সহায়তায় এলাকা চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে প্রতিটি জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের কেন্দ্রীয় বাহিনী সঠিকভাবে মোতায়েন করার বিষয়ে নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, শুক্রবার বিকেলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বি পি গোপালিকা ও এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম পৌঁছন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে। এরপরেই কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলায় জেলায় মোতায়েন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। তারপরেই সমস্ত জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের বিশেষ বার্তা পাঠায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন।যদিও, রাজভবন থেকে নতুন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার জয়েনিং রিপোর্ট ফেরত পাঠানো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে পদ থেকে সরানো হতে পারে কিনা সে নিয়ে বিস্তর জল্পনা শুরু হয়। শুক্রবার দিনভর বিষয়টি নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন বা রাজ্য সরকারের তরফে সরকারি ভাবে কোনও বিষয় জানানো হয়নি।


from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News https://ift.tt/AqLUQvM
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads