যদ বনধ হও তব বডয দও তমর হত https://ift.tt/beNLEFp - MAS News bengali

যদ বনধ হও তব বডয দও তমর হত https://ift.tt/beNLEFp

বিশ্বদেব ভট্টাচার্য, আসানসোলবৃদ্ধ বয়সে পাশে থাকা মানুষের সংখ্যা কমছে। একাকিত্ব আর নির্বান্ধব জীবন মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন বহু প্রবীণই। অনেক সময় তাঁদের মৃত্যুসংবাদও জানা যায় না। গত এক সপ্তাহে শহর আসানসোলে এভাবেই অগোচরে মৃত্যু হয়েছে দু’জন বৃদ্ধ ও এক বৃদ্ধার। মৃত্যুর বহু পরে দুর্গন্ধ পেয়ে প্রতিবেশীরা টের পেয়েছিলেন তাঁদের মৃত্যুর ঘটনা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে এমনই অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পাশে থাকার বার্তা দিল সালামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। ব্লকের নেতারা জানিয়েছেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১৯, পঞ্চায়েত সমিতির ২৮ ও জেলা পরিষদের ২টি আসনে নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূল প্রার্থীরা পরিবারে একা থাকা প্রবীণদের খোঁজ নেবেন। ওই বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের নিজেদের ফোন নম্বর দিচ্ছেন প্রার্থীরা। জানাচ্ছেন, যে কোনও প্রয়োজনে প্রার্থীকে ফোন করলে মিলবে সাহায্য।ব্লক তৃণমূলের সহ সভাপতি বিজয় সিং জানান, সালানপুর ব্লকে অন্তত ৫০টি আবাসন ও বাড়ির কথা তাঁরা জানতে পারেন যেখানে চিত্তরঞ্জন রেল কারখানা, হিন্দুস্তান কেবল্‌স অথবা ইসিএলের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা রয়েছেন। বিজয় বলেন, "এঁদের অনেকেরই সন্তান বাইরে চাকরি করেন। যেহেতু এঁরা একা থাকেন, তাই প্রচারে আমাদের প্রার্থীরা সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরার সঙ্গে তাঁদের ফোন নম্বরও দেবেন। আমরাও তাঁদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে রাখব। সবরকম সাহায্য করব আমরা।" কিন্তু ভোট মিটে গেলে কি প্রতিশ্রুতির কথা মনে থাকবে? বিজয় বলেন, "করোনার সময় আমরা প্রতিদিন আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। তাঁদের জন্য খাবার, ওষুধ, বিনামূল্যে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থাও করে দিয়েছিলাম। তখন তো ভোট ছিল না। ভোট মিটে গেলেও ওঁরা আমাদের পাশে পাবেন।" ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ও জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ আরমান এবারও প্রার্থী। তিনি বলেন, "আমার এলাকায় এমন বহু বৃদ্ধ-বৃদ্ধার নিয়মিত খোঁজখবর আমি রাখি। তাঁদের পাশে থাকি। সেই কাজটাই এবার আমরা নির্বাচনী প্রচারে জুড়েছি।" সালানপুর ব্লক মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী অপর্ণা রায় গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি বলেন, "আমার এলাকা অরবিন্দনগরে ৮৩ বছরের এক বৃদ্ধার খোঁজ আমি নিয়মিত নিই। বিয়ের পর তাঁর ৩ মেয়ে বাইরে থাকেন। এবার প্রার্থী হিসেবেও তাঁকে বলে এসেছি, যে কোনও অসুবিধায় ফোন করতে।"রূপনারায়ণপুরের রূপনগরের বাসিন্দা তপন মাহাতোর ছেলে ও পুত্রবধূ চেন্নাইয়ে চাকরির করেন। ওই এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "আমি ওঁকে বলেছি, ভোটে জেতা, হারা পরের কথা। কিন্তু যে কোনও সহযোগিতায় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান হিসেবে আগে যেমন ছিলাম, এখনও তেমন পাশে থাকব।" রূপনারায়ণপুরের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান বর্তমান পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী রানু রায় বলেন, "আমার এলাকায় একাধিক আবাসনে নিঃসঙ্গ বৃদ্ধ, বৃদ্ধারা রয়েছেন। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তাঁদের খোঁজ নিচ্ছি। আমাদের ফোন নম্বর দিয়ে তাঁদের নম্বরও নিচ্ছি। প্রচারে এটাই আমাদের বড় কাজ।"


from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News https://ift.tt/GS46qkv
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads