টুইট নয়, ডু ইট! পদ্ম শিবিরও ক্ষুব্ধ ধনখড়ে https://ift.tt/bVCEJ0m - MAS News bengali

টুইট নয়, ডু ইট! পদ্ম শিবিরও ক্ষুব্ধ ধনখড়ে https://ift.tt/bVCEJ0m

এই সময়: রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের (West Bengal Governor ) 'টুইট-প্রীতি' আর কি হজম হচ্ছে না বিজেপিরও (BJP) ? তাই এ বার রাজ্যপালকে টুইটের বদলে 'কিছু করে দেখানোর' পরামর্শ দিলেন বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা () এবং শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। আর একান্তই কিছু করতে না পারলে তাঁকে চুপ থাকার বার্তাই দিচ্ছেন তাঁরা। রাজ্যপাল অবশ্য এদিন সন্ধ্যায় ফের টুইট করে হাঁসখালির ঘটনায় (Hanskhali Incident) রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপিকে তলব করেছেন। ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগে বাংলার রাজ্যপালের চেয়ারে বসা থেকেই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সরব ধনখড়। এমনকী, বহু ক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলির থেকেও বেশি সোচ্চার তিনি। গোড়ায় বিষয়টি দিব্যি উপভোগ করছিল বিজেপি। কোথাও কিছু ঘটলেই গেরুয়া শিবিরের নেতারা দল বেঁধে ছুটে যান রাজভবনে। কিন্তু ইদানিং নেতারাও বুঝেছেন, টুইট করা ছাড়া তৃণমূলকে বেকায়দায় ফেলার ক্ষেত্রে রাজ্যপালের আর নতুন কোনও ভূমিকা নেই। নানা বিষয়ে তাঁর কাছে অভিযোগ জানিয়ে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই মঙ্গলবার জগদীপ ধনখড়ের উদ্দেশে বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র শমীক বলেন, ''পশ্চিমবঙ্গের মানুষ রাজ্যপালের কাছ থেকে আর কোনও বিবৃতি শুনতে চাইছেন না। রাজ্যপালের টুইট দেখতে চাইছেন না। মানুষ চাইছে, তিনি কিছু করুন।'' শমীকের সংযোজন, ''রাজ্যপাল বারবার বলছেন রাজ্যে আইনের শাসন নেই। মানুষ এখানে ভীত-সন্ত্রস্ত। রাজ্য সরকার নিয়ম মেনে সরকার পরিচালনা করছে না। এ সব শুনতে শুনতে মানুষ ক্লান্ত। তিনি কিছু করতেও তো পারেন। কিন্তু করছেন না।'' সুর চড়িয়ে তাঁর বার্তা, ''রাজ্যপাল সংবিধানের রক্ষাকর্তা। মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করার কর্তব্য তাঁর। হয় তিনি রক্ষা করুন, নয় তিনিও নীরব হয়ে যান।'' তবে এটা যে ব্যক্তি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য নয়, তা এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সাংবাদিক বৈঠকে তিনিও বলেন, ''রাজ্যপাল টুইট করে বাংলার মানুষের দুঃখ, যন্ত্রণার ভাগীদার হচ্ছেন। কিন্তু তাঁর হাতে তো সাংবিধানিক অধিকার আছে। তিনি সেটা প্রয়োগ করতে পারেন।'' তৃণমূল অবশ্য এই প্রসঙ্গে রাজ্যপাল এবং বিজেপিকে এক সূত্রে গেঁথেই আক্রমণ করেছে। দলের বর্ষীয়ান সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, ''রাজ্যপাল তো এত দিন তাঁর সাংবিধানিক পদমর্যাদা ভুলুণ্ঠিত করেইছেন। রাজ্যপালের টুইটের সঙ্গে টুইট মিলিয়ে বিজেপি নেতারা বলতেন, আও টুইট করে। এখন এক আনা, দু'আনার বিজেপি নেতারা রাজ্যপালকেই সংবিধান শেখাচ্ছেন!'' কিন্তু হঠাৎ রাজ্যপাল সম্পর্কে বিজেপির এই ভোলবদল কেন? গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, কথায় কথায় রাজ্যপালের টুইট করা নিয়ে সাধারণ মানুষ যে বিরক্ত, সে খবর এসে পৌঁছেছে বঙ্গের বিজেপি নেতাদের কাছে। ফলে রাজ্যপালের 'টুইট-প্রীতি' নিয়ে কটাক্ষ করে আদপে রাজভবনের সঙ্গে দলের দূরত্ব বাড়ানোর কৌশল নিয়েছেন বিজেপি নেতারা। দলের এক শীর্ষ নেতার কথায়, ''রাজ্যপাল মাত্রাতিরিক্ত তৃণমূল বিরোধী। কখনও কখনও রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের থেকেই তিনি বেশি বিরোধী। এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তাই জগদীপ ধনখড়কে সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করতে বলে আদপে তাঁর সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথাই আমরা মনে করিয়ে দিতে চেয়েছি।''


from এই সময়: Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা খবর - Ei Samay https://ift.tt/uYKFniC
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads