নথি ছাড়াই দাহ বহু শ্মশানে https://ift.tt/b5pw6Zx - MAS News bengali

নথি ছাড়াই দাহ বহু শ্মশানে https://ift.tt/b5pw6Zx

এই সময়, : শুধু হাঁসখালি নয়, মুর্শিদাবাদ জেলার আনাচে-কানাচে রয়েছে একাধিক অনুমতিহীন শ্মশান। হাঁসখালিতে নির্যাতিতা নাবালিকার দেহ কোনও বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই তড়িঘড়ি দাহ করা নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। মুর্শিদাবাদেও এমন একাধিক রয়েছে, যেখানে দাহ করতে কোনও নথির প্রয়োজন হয় না। জেলার হরিহরপাড়ার চোয়া, সুতি ২ নং ব্লকের মুক্তিধাম শ্মশান, বেলডাঙার সাটুই ও মহুলার শ্মশানে নথি ছাড়াই দাহ করা হয় বলে অভিযোগ। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই সাধারণত অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে এই শ্মশানগুলি ব্যবহার করেন মৃতের পরিবারেরা। যদিও হরিহরপাড়ার বিডিও রাজা ভৌমিক বলেন, ''বৈধ কাগজপত্র নিয়েই মৃতদেহ দাহ করার নির্দেশ দেওয়া রয়েছে শ্মশানগুলিতে। তবে কোনও অনিয়মের অভিযোগ পেলে সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখব।'' মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে চোয়ার শ্মশান। সাধারণত, বহরমপুরের খাগড়ায় মৃতদেহ দাহ করতে নিয়ে আসা হয় হরিহরপাড়া থেকে। কিন্তু কারও অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে চোয়া শ্মশানেই দাহ করে থাকে মৃতের পরিবার। ডেথ সার্টিফিকেট লাগে না। কিছু টাকা দিলে সেই দেহ দাহ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই কথা স্বীকার করেছেন সেখানকার কর্মীরাও। শ্মশানকর্মী অরুণ বিশ্বাস বলেন, ''এই চোয়া শ্মশানে দীর্ঘ দিন ধরে মৃতদেহ দাহ করা হচ্ছে। তবে মৃতদেহ দাহ করার জন্য আমাদের কোনও কাগজপত্রের দরকার পড়ে না।'' শ্মশান কমিটির সদস্য তরুণ বিশ্বাস বলেন, ''সাধারণত যে গরিব মানুষরা দেহ সৎকারে বহরমপুর যেতে পারেন না, তাঁরা এখানে দাহ করেন। দেহ দাহ করার জন্য কোনও কাগজ লাগে না।'' অন্য দিকে, একই চিত্র সুতি ২ নং ব্লকের ভাগীরথীর তীরের মুক্তিধাম শ্মশানের। শ্মশান কমিটির সদস্যরাই শ্মশানের সমস্ত কাজ পরিচালনা করেন। শ্মশানকর্মী আকাশ হালদার বলেন, ''মৃতদেহ দাহ করার জন্য কোনও কাগজ লাগে না। শুধুমাত্র কিছু টাকার বিনিময়ে দেহ দাহ করা হয়। আর সেই টাকা শ্মশান সংস্কারের কাজে ব্যবহৃত হয়।'' শ্মশান কমিটির সেক্রেটারি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ''কোনও সরকারি সাহায্য ছাড়াই এলাকাবাসীদের মিলিত প্রচেষ্টায় এই মুক্তিধাম শ্মশান তৈরি হয়েছে। যেহেতু শ্মশানের রসিদের উপর ভিত্তি করে পঞ্চায়েত থেকে ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়, সেই কারণে মৃতদেহ দাহ করার জন্য আমরা মৃতের একটা পরিচয়পত্র নিয়ে থাকি। তবে কোনও ডাক্তারি সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয় না।'' গঙ্গার তীরে বেলডাঙার সাটুই শ্মশানের দায়িত্বে সে ভাবে কেউ নেই। সুদেব ঘোষ নামে এক ব্যক্তি এই শ্মশানের দেখভাল করেন। তিনি বলেন, ''দেহ এলে দাহ করি টাকার বিনিময়ে।'' বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য, ''শ্মশানগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানো দরকার প্রশাসনের। কোনও অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে পরিবারের লোকেরা এই শ্মশানগুলিতে মৃতদেহ নিয়ে এসে দাহ করে দেন।''


from এই সময়: Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা খবর - Ei Samay https://ift.tt/AjDrmJM
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads