দদক বচত গয় গলত মতয বনর https://ift.tt/QHGfgVs - MAS News bengali

দদক বচত গয় গলত মতয বনর https://ift.tt/QHGfgVs

নয়াদিল্লি: দাদাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই বোনের। রবিবার কাকভোরে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম দিল্লির আর কে পুরমের আম্বেদকর বস্তিতে। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্ট অফ পুলিশ মনোজ সি বলেন, 'ভোর ৪.৪০ এ পিসিআরে এক ব্যক্তি জানান, তাঁর দুই বোনকে একদল লোক গুলি করেছে। তাঁরা দু'জনেই আশঙ্কাজনক। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল আম্বেদকর বস্তিতে পৌঁছে যায়। গুলিবিদ্ধ দুই মহিলা পিঙ্কি (২৯) ও জ্যোতি (৩০)-কে খুব দ্রুত সফদরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই দু'জনের মৃত্যু হয়।' তিনি জানান, অর্জুন, মাইকেল ও দেব নামে তিন জনকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন এই আক্রোশ?পিঙ্কি ও জ্যোতির এক ভাই লালা জানান, তাঁদের দাদা ললিত ১০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন কোনও একজনকে। সেই টাকা ফেরত আনতে শনিবার ললিত তাঁর কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু টাকা ফেরত পাননি। চলে আসেন। এর পর রাত দু'টোর সময় জনা চার-পাঁচ লোক, যার মধ্যে দেব-অর্জুন-মাইকেল ছিল, তারা এসে দরজা খুলতে বলে। প্রথমে দরজা না খোলায় তারা বাড়ি লক্ষ করে ইটপাটকেল ছোড়ে। অশ্রাব্য গালিগালাজ করে। কিন্তু ওই হট্টগোলে বস্তি অঞ্চলের প্রায় সকলেই বেরিয়ে এলে ওরা পালিয়ে যায়। তবে বিপদ কাটেনি। লালা বলছেন, 'ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ওরা আরও কিছু লোক নিয়ে ফেরত আসে। এসে দাদাকে ডাকাডাকি করতে থাকে। প্রথমে দরজা খোলেনি ও। কিন্তু শেষে দরজা খুলতে বাধ্য হয়। সেই সময়েই আমার দুই দিদিও দাদার সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসে। ওদের দেখে ওই লোকগুলো নোংরা কথা বলতে থাকে ও হঠাৎ গুলি চালিয়ে দেয়। দাদাকেও গুলি করেছিল, তবে ওরটা গায়ে লাগেনি।' তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে দুই বোন গুলিবিদ্ধ দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েন ললিত। সঙ্গে সঙ্গেই পিসিআরে ফোন করে জানান। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ এসে আহত দুই মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু কিছু ক্ষণের মধ্যেই তাঁরা সেখানে মারা যান। তবে সেই সময়ে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিলেও, বেশি ক্ষণ পারেনি। পুলিশ দুপুরের মধ্যেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। তারা কেন ললিতকে মারতে গিয়েছিল, মহিলাদের গুলি করল কেন, বিবাদ কত দিনের - এ সব কিছুই জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আপ ও বিজেপির মধ্যে তুমুল তরজা শুরু হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে একটি টুইটে লেখেন, 'দিল্লির মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা যাঁদের দেখার কথা, তাঁরা ব্যস্ত কী ভাবে দিল্লি সরকারের ক্ষমতা দখল করা যাবে, তা নিয়ে। এলজি-র বদলে আজ যদি দিল্লি সরকারের হাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ন্যস্ত থাকত, তা হলে মানুষকে এ রকম ভয় নিয়ে বেঁচে থাকতে হতো না।' দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ বলেন, 'গত এক বছরে আইন ও শৃঙ্খলা ধসে গেছে এখানে। সে দিকে কোনও নজর নেই কেন্দ্র ও এলজি-র। খালি কী ভাবে কেজরিওয়াল-সহ অন্য আপ নেতাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো যায়, সে দিকে মন। এ দিকে শ্লীলতাহানি, খুন, চুরি - সব কিছুই বেড়ে চলেছে।' বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন, 'আমি বেশি কিছু বলব না। এই ঘটনা নিয়ে যাঁরা রাজনীতি করতে পারেন, তাঁরা তো কোনও প্রতিশ্রুতিই রাখতে পারেননি। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই এই পথ।' কেজরিকে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, 'কেজরির দেখা উচিত পুরোনো রাগ থেকে অপরাধের ঘটনা কেন বাড়ছে।' সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, দিল্লির আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারের গাতেই থাকা উচিত, কেন্দ্রের হাতে নয়। কিন্তু তা মোদী সরকারের মনঃপুতক হয়নি, ফলে রাতারাতি তারা অর্ডিন্যান্স এনে আগের অবস্থাই বহাল রাখে।


from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News https://ift.tt/0qfo67g
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads