মহমরর পর দরভকষ দশ মতযমছল! মসইল তরত বযসত কম জ উন https://ift.tt/HD9YRjz - MAS News bengali

মহমরর পর দরভকষ দশ মতযমছল! মসইল তরত বযসত কম জ উন https://ift.tt/HD9YRjz

১৯৯০ সালের পর ফের ভয়াবহ পরিস্থিতি উত্তর কোরিয়ায়। কোভিড অতিমারির পর এবার দেশে ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ। চলছে চরম খাদ্য সংকট। চলছে মৃত্যুমিছিল। অথচ রাষ্ট্রনেতা ব্যস্ত মিসাইল ছুঁড়তে। খাবারের অভাবে আশপাশের লোক মারা যাচ্ছেন। প্রতিদিনই দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন। শিউরে ওঠার মতো এমন ভয়ংকর দৃশ্যের বর্ণনা করেছেন উত্তর কোরিয়ার বাসিন্দারা। চুপি চুপি নিজেদের চরম সংকটের কথা সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন কিমের দেশের মানুষজন। উল্লেখ্য, করোনা অতিমারি পর্বে ২০২০ সালে দেশের সীমান্ত সিল করে দিয়েছিলেন কিম জং উন। তারপর থেকেই খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে দেশে। যা চলতি বছরে চরমে উঠেছে। চিন থেকে গম আমদানি থামিয়ে দিয়েছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়ায় ঢুকছে না কোনও সার, মেশিনে উৎপন্ন খাদ্যও। দেশের ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষের দু'বেলা দু'মুঠো অন্নের সংস্থান করতে ব্যর্থ রাষ্ট্রনায়ক কিম। অথচ নিজের মানবাধিকার কমিশনের আধিকারিক লিনা ইউন বলেন, "উত্তর কোরিয়াকে অবিলম্বে দেশের সীমান্ত খুলে দিতে হবে। দেশে কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর আমদারি ফের শুরু করতে হবে। এখনও টকন নড়েনি কিম জং উন প্রশাসনের। অতিমারি পর্ব পিছনে ফেলে এসেছি আমরা। অথচ তারা এখনও নিজেদের আইসোলেট করে রেখেছে।" শাসকের চোখরাঙানি উপেক্ষা করেই একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার এক বাসিন্দা বলেন, "স্বামী-সন্তান নিয়ে তিনজনের সংসার। আমি কিছু খেতে দিতে পারছি না ওদের। কী করে বেঁচে থাকব জানি না।" এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই পিয়ংইয়ংয়ের কিছু মানুষ তাঁদের জল দিতে পৌঁছয়। কিন্তু, ঘরের দরজা ঠেলতেই তিনজনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। চিনা সীমান্ত লাগোয়া একটি গ্রামের বাসিন্দা, পেশায় নির্মাণকর্মী বলেন, "সীমান্ত থেকে কোনও খাবার এসে পৌঁছচ্ছে না। চোখের সামনে পাঁচজনকে খাদ্যের অভাবে মর যেতে দেখলাম। প্রথমে আমরা করোনাভাইরাসে মরার ভয় পেতাম। এখন না খেতে পেয়ে মরব।"চোরাই বাজারে বিক্রির জন্য সীমান্ত থেকে জিনিস নিয়ে আসাও কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে কোভিড অতিমারি পর্বের পর থেকেই। কড়া নজরদারি চলে কিম সরকারের। উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতিবিদ পিটার ওয়ার্ড বলেন, "সাধারণ, মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা চমর খাদ্য সংকটে চোখের সামনে মারা যাচ্ছে। এ দৃশ্য মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। হয়ত এখনও দুর্ভিক্ষের চেহারা নেয়নি, তবে যা পরিস্থিতি তাতে ধীরে ধীরে মৃত্যুর পরিসংখ্যান বাড়বে। আমি উদ্বিগ্ন।"উল্লেখ্য, ঠিক এমনই খাদ্য সংকট দেখা গিয়েছিল ১৯৯০ সালে। ৩০ লাখ উত্তর কোরিয়া নিবাসীর মৃত্যু হয়েছিল দুর্ভিক্ষের জেরে। ফলে কিম জং উনের সরকার দেশের মানুষের প্রাণ বাঁচাতে এখনই কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতে আর দেরি নেই।


from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News https://ift.tt/giML6lA
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads