মটরর কজর জনয মনহরদস তডগ হব সময়ক জলশনয https://ift.tt/6p4julH - MAS News bengali

মটরর কজর জনয মনহরদস তডগ হব সময়ক জলশনয https://ift.tt/6p4julH

এই সময়: প্রায় দেড়শো বছর পর ফের জলশূন্য হতে চলেছে টলটলে জলে ভরা বিশাল পুকুরটা। গবাদি পশুর জল খাওয়ার জন্য তৈরি জলাশয়টি ১৮৭৬ সালের ভয়াবহ কলেরা সংক্রমণের পর পুরোপুরি খালি করে তার সংস্কার করার সরকারি নির্দেশ জারি হয়েছিল কলকাতায়। তার দেড়শো বছর পর ফের মনোহরদাস তড়াগ জলশূন্য করা হবে। তবে এ বার কলকাতা মেট্রোর জোকা-বিবাদী বাগ অংশের কাজের জন্য। কলকাতা মেট্রোর পার্পল লাইন বা জোকা-বিবাদী বাগ শাখার একদিকের অন্তিম বা টার্মিনাল স্টেশন এসপ্ল্যানেডে ঢোকার মুখেই তৈরি করা হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসওভার। পার্পল লাইনের নির্মাতা সংস্থা, রেলওয়ে বিকাশ নিগম লিমিটেডের (আরভিএনএল) প্রযুক্তিবিদরা জানাচ্ছেন, ওই ক্রসওভারের মাধ্যমে একটি লাইন থেকে অন্য লাইনে মেট্রোর রেককে সরানো যাবে। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে রেকের লাইন পরিবর্তনে ওই ক্রসওভার কাজে আসবে। তা ছাড়া, এসপ্ল্যানেডের দিক থেকে জোকার দিকে যাওয়ার দিনের প্রথম ট্রেন ওই ক্রসওভারে রেখে দেওয়াও সম্ভব। আরভিএনএল-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই ক্রসওভার অংশটি তৈরি হবে মনোহরদাস তড়াগের ঠিক নীচে। সেই জন্যই ওই অংশে কাজ শুরুর আগে মনোহরদাস তড়াগে জল থাকা চলবে না। কলকাতার মানচিত্রে মনোহরদাস তড়াগ রয়েছে ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। শোনা যায়, অষ্টাদশ শতাব্দীর একেবারে গোড়ায় শহরে জলাশয়ের সংখ্যা খুব কম থাকার জন্য শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পুকুর খোঁড়ায় উৎসাহ দেওয়া হয়। ১৭৮০ সালে বেনারস থেকে কলকাতায় আসেন ব্যবসায়ী মনোহরদাস সাহু। গবাদি পশুদের জল খাওয়ার জন্য তাঁরই উদ্যোগে ওই জলাশয় খোঁড়া হয়। স্থানীদের ধর্মাচরণের জন্য জলাশয়ের চার কোণে তিনি চারটি মন্দিরও তৈরি করেন। শিব, দুর্গা, বিষ্ণু ও সূর্যের বিগ্রহ এখন আর না-থাকলেও মন্দিরগুলো আজও দাঁড়িয়ে আছে জলাশয়ের চার কোণে। তবে মেট্রো রেলের ক্রসওভারের কাজের জন্য মনোহর দাস তড়াগ খালি করা হলেও সেটা একেবারেই সাময়িক বলে আরভিএনএল-এর প্রযুক্তিবিদদের আশ্বাস। আসলে তড়াগের নীচে, ভূগর্ভে সুড়ঙ্গ এবং ক্রসওভার তৈরির সময়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না প্রযুক্তিবিদরা। তাই, এমন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। ঝুঁকি এড়ানোর জন্য অন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে আরভিএনএল। বউবাজারের ঘটনার প্রেক্ষিতে সতর্ক হওয়া সংস্থার পরিকল্পনা হলো- পার্ক স্ট্রিট থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত ৫০ মিটার অংশে টানেল বোরিং মেশিনের (টিবিএম) পরিবর্তে পুরোনো 'কাট অ্যান্ড কভার' পদ্ধতিতে সুড়ঙ্গ কাটার। গত শতাব্দীর সাতের দশকে কলকাতায় মেট্রো রেলের কাজ শুরু হয়েছিল এই কাট অ্যান্ড কভার পদ্ধতিতেই।


from Bengali News, আজকের বাংলা খবর, News in Bangla, Bengali News Live Today, বাংলা সংবাদ https://ift.tt/YVexiMw
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads