Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News
Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla
Vieos
from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/tlP38pr
মন্ত্রী কন্যার বরখাস্ত হওয়া পদে নিযুক্ত ববিতারও মার্কশিটে নম্বরের গরমিল https://ift.tt/JBv3pCI
ববিতা সরকার () নামটা বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা। কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার ভিড়ে তাঁর মামলা খতিয়ে দেখতে দেখতেই সামনে আসে নিয়োগ কেলেঙ্কারির 'প্যান্ডোরা বক্স'। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) নির্দেশে মন্ত্রীকন্যার চাকরি বাতিলের পর সেই পদেই শিক্ষিকা হিসেবে নিযুক্ত হন ববিতা সরকার। এবার তাঁর চাকরিও সঙ্কটে। সূত্রের খবর, সামনে এসেছে ববিতার মার্কশিটেও রয়েছে গন্ডগোল। প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর (Paresh Chandra Adhikary) মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারী (Ankita Adhikary) চাকরি বরখাস্তের পর মেখলিগঞ্জ ইন্দিরা গার্লস স্কুলে (Mekhliganj Indira Girls High School) চাকরি পেয়েছিল শিলিগুড়ির ববিতা সরকার। আদালতের রায়ে তৎক্ষণাৎ নিয়োগ করা হয় তাঁকে। একইসঙ্গে অঙ্কিতা যতদিন ওই স্কুল শিক্ষিকা পদে চাকরি করেছেন সেই ৪৩ মাসের বেতনও তিনি পান। এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। তাঁর মার্কশিটেও রয়েছে নম্বরের গরমিল। প্রাপ্ত নম্বরের থেকে বেশি অ্যাকাডেমিক স্কোর রয়েছে ববিতার বলে অভিযোগ। নিয়ম অনুযায়ী মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক সহ সমস্ত এডুকেশনাল কোয়ালিফিকেশনের উপর কিছু নম্বর ধার্য করা আছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী ববিতার এডুকেশনাল স্কোর দাঁড়ায় ৩১। কিন্তু, কমিশনের তরফে ববিতাকে সেই খাতে ৩৩ নম্বর দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিষয়টি সত্যি হলে ববিতার মোট স্কোর থেকে কমে যাবে দুই নম্বর। ফলে প্যানেলের র্যাঙ্ক বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা। সেক্ষেত্রে মেখলিগঞ্জ ইন্দিরা গার্লস স্কুলে (Mekhliganj Indira Girls High School) ববিতার প্রার্থীপদ ও মেখলিগঞ্জের ওই স্কুলে চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়। এই প্রসঙ্গে এসএসসি-এর দাবি, আবেদনের সময় ববিতা উল্লেখ করেছিলেন ‘৬০ শতাংশ বা তার বেশি’ নম্বর পেয়েছেন স্নাতকে। কিন্তু ববিতা সরকারের নামে জমা হওয়া মার্কশিটে দেখা যাচ্ছে ৮০০-এর মধ্যে তিনি ৪৪০ পেয়েছেন অর্থাৎ ৫৫%। এতেই তাঁর অ্যাকাডেমিক স্কোর গণনায় ভুল হয়েছে। তবে এতে কমিশনের দায় কমছে বলে মনে করছেন না প্রার্থীরা। কারণ, স্কোর দেওয়ার আগে কমিশনের তরফে সমস্ত নথি যাচাই করে নেওয়া হয়। এই তথ্য সামনে আসতেই ফের র্যাঙ্কিং নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। এ প্রসঙ্গে ববিতা সরকারের স্কুল অর্থাৎ মেখলিগঞ্জ ইন্দিরা গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জনা রায় বসুনিয়া বলেন,''বিষয়টি শুনেছি। এর বেশি কিছু জানি না। পর্ষদের তরফে আমার কাছে কোনও নির্দেশ এখনও আসেনি।'' ববিতার নম্বর প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলা শিক্ষা দপ্তরের DI সমর চন্দ্র মন্ডল বলেন, ''বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব। পর্ষদ বা কমিশন যেভাবে নির্দেশ দেবে সেভাবে কাজ হবে।'' পশ্চিমবঙ্গের আরও খবরের জন্য । প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন ।
from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/tlP38pr
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment