জাগো বাংলায় অজন্তার মমতা-স্তুতির দিনই গণশক্তিতে নওশাদের বিমান-বন্দনা https://ift.tt/3rXLMm5 - MAS News bengali

জাগো বাংলায় অজন্তার মমতা-স্তুতির দিনই গণশক্তিতে নওশাদের বিমান-বন্দনা https://ift.tt/3rXLMm5

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূলের মুখপত্রে অনিল কন্যা অজন্তা বিশ্বাসের () উত্তর সম্পাদকীয় নিয়ে যখন সমালোচনার ঝড় বইছে, ঠিক তখনই CPIM মুখপত্রে কলম ধরলেন ()। গণশক্তির পাতায় ISF বিধায়কের বিমান-বন্দনা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে বাম কর্মী সমর্থকদের মনে। জাগো বাংলায় অজন্তার মমতা-স্তুতির উপর যেন প্রলেপ লাগিয়েছেন সংযুক্ত মোর্চার এই একমাত্র প্রতিনিধি। কী লিখেছেন নওশাদ? CPIM মুখপত্র গণশক্তির () উত্তর সম্পাদকীয়তে যেন কার্যত নিজের তথা নিজের দলের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নওশাদ। ভাঙড়ের বিধায়ক লিখেছেন,পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার BJP এবং তৃণমূল বিধায়কদের এখনও প্রতিপক্ষ হিসেবেই মনে করেন তিনি। তাঁর ‘মানুষ বিধ্বস্ত, চুপ থাকব না’ শীর্ষক লেখায় নওশাদের বক্তব্য, ‘২৯৩ জনের বিরুদ্ধে বিধানসভার ভিতরে লড়াই চালিয়ে যেতে হচ্ছে।' পাশাপাশি ভাঙড়ে তৃণমূলের সন্ত্রাস নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ভোটের সময় বিমান বসু ভাঙড়বাসীকে উন্নত মানের মাল্টি স্টোরেজের নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা যাতে কোনও ভাবে ব্যর্থ না হয়, বিধানসভায় সংযুক্ত মোর্চার প্রতিনিধি হিসেবে তিনি তা নিশ্চিত করবেন। সম্প্রতি সংযুক্ত মোর্চায় বামেদের সঙ্গে ISF-এর বোঝাপড়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। দুই দলের আলাদা আলাদ কর্মসূচি যে কার্যত ইঙ্গিত মিলেছিল মোর্চা ভেঙে যাওয়ার। বিমান বসুর তৃণমূলের সঙ্গে জোটের ইঙ্গিত ISF যে খুব একটা ভালো চোখে নেয়নি, তাও ঠারেঠরে বুঝিয়েছিলেন তরুণ বিধায়ক নওশাদ। কিন্তু, গণশক্তির পাতায় তাঁর বিমান-বন্দনা কার্যত সমস্ত জল্পনায় জল ঢালল। আব্বাস সিদ্দিকির দল যে এই মুহূর্তে বামেদের সঙ্গেই হাঁটছে তা স্পষ্ট করলেন নওশাদ তাঁর উত্তর সম্পাদকীয়তে। আর তাঁর এই লেখনী অজন্তা বিশ্বাসের আনা ঘায়ে যেন কিছু প্রলেপ লাগালো। অজন্তা বিশ্বাসের জবাব তলব করল দল এদিকে, শনিবারই প্রকাশিত হয়েছে অজন্তা বিশ্বাসের উত্তর সম্পাদকীয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভাগ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়ে আজ কলম ধরেছেন তিনি। আর জাগো বাংলার (Jago Bangla) উত্তর সম্পাদকীয়র ছত্রে ছত্রে পাওয়া গিয়েছে মমতা-স্তুতি। অনিল কন্যার এহেন আচরণে মোটেই খুশি নয় তাঁর দল। তাঁর এই লেখাকে ‘খারাপ কাজ’ বলেই উল্লেখ করছে আলিমুদ্দিন। শেষ কিস্তি প্রকাশিত হওয়ার পরেই দলের অধ্যাপক সংগঠনের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হল অজন্তাকে। কেন তিনি তৃণমূলের মুখপত্রে এই লেখা লিখেছেন, তা নিয়ে জবাব তলব করা হয়েছে। যা একপ্রকার শোকজ বলেই মনে করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে CPIM-এর কলকাতা জেলা কমিটির সম্পাদক তথা রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কল্লোল মজুমদার বলেন, 'আমাদের তরফে অজন্তাকে জানানো হয়েছে, তাঁর অবস্থান লিখিতভাবে পার্টিকে জানাতে। অধ্যাপক ও গবেষক সংগঠন, যেখানে অজন্তা সক্রিয় সদস্য, তার তরফে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। কলকাতা জেলা কমিটি এই চিঠির বিষয়ে অবগত।' তিনি আরও বলেন, 'অজন্তা বিশ্বাসের এই ঘটনা বহু মানুষের, বামপন্থী কর্মীদের অনুভবে আঘাত করেছে। বিরোধীদের এই পত্রিকায় তিনি কেন লিখবেন? এটা সকলেরই প্রশ্ন। এর যথাযোগ্য কারণ সকলেই জানতে চেয়েছে। তাই তাঁর জবাব তলব করা হয়েছে। উত্তর পেলে তবেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।' অজন্তার সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কল্লোল বলেন, ‘আমি জানতে চেয়েছিলাম, একজন পার্টি কমরেড, পার্টির অনুমতি বা পরামর্শ না নিয়ে কীভাবে জাগো বাংলার মতো পত্রিকায় এই লেখা লিখলেন? তাঁকে বলেছি যা উত্তর দেওয়ার চিঠির জবাবে জানাতে।' সব মিলিয়ে শনিবার গোটা দিন বনাম গণশক্তির এই উত্তর সম্পাদকীয় লেখা নিয়ে চর্চায় ছিল আলিমুদ্দিন। ফেসবুক জুড়েও দু'টি লেখাকে তুলনা করে একাধিক পোস্ট চলে গোটা দিন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/37difLy
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads