শীঘ্রই আরও সস্তা হবে চিনি! রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা বাড়ল আরও এক বছর https://ift.tt/qtiHAg4 - MAS News bengali

শীঘ্রই আরও সস্তা হবে চিনি! রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা বাড়ল আরও এক বছর https://ift.tt/qtiHAg4

extended till October 31, 2023: রফতানির উপর নিয়ন্ত্রণ আরও এক বছরের জন্য বহাল রাখল কেন্দ্র। গত মে মাসে চালু হওয়া এই নিয়ন্ত্রণ অক্টোবর মাসের শেষ পর্যন্ত জারি থাকার ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। কিন্তু শুক্রবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সেই নিয়ন্ত্রণের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে 2023 সালের অক্টোবর পর্যন্ত চালু রাখল কেন্দ্রীয় সরকার। গত মে মাসে চিনিকলগুলি রেকর্ড পরিমাণ পণ্য করে। দেশের বাজারে সেই কারণে চিনির দামও হুহু করে বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে খাদ্যমন্ত্রক রফতানির পরিমাণকে 1 কোটি টনে বেঁধে দেয়। শুধু তাই নয়, সরকারি অনুমোদন ছাড়া এক দানা চিনিও রফতানি করা যাবে না বলে সেই নিষেধাজ্ঞায় জানিয়ে দেয় কেন্দ্র। এই নির্দেশ গত 1 জুন থেকে কার্যকর হয়। তার মেয়াদ প্রাথমিকভাবে ধরা হয়েছিল 2022 সালের 31 অক্টোবর। কিন্তু চলতি মাসে পরিস্থিতি পর্যালোচনার পরে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে আরও 1 বছর করা হয়েছে। খাদ্যমন্ত্রকের অধীনে ‘ডাইরেক্টরেট অব সুগার’ এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে কার্যকর করছে। রফতানির জন্য এই ডাইরেক্টরেটেরই অনুমোদন প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চলতি মরসুমে রেকর্ড চিনি উৎপাদনের সম্ভাবনা। কিন্তু তা সত্ত্বেও দেশের বাজারে চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই নিষেধাজ্ঞা আগামী বছরের পরেও কেন্দ্র চালু রাখতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এনএসও-র তথ্য অনুযায়ী 2011 থেকে 2020 সাল পর্যন্ত উত্তর ভারতে আখের উৎপাদন দামের হিসাবে 42 শতাংশ বাড়লেও, দক্ষিণ ভারতে তা 32.4 শতাংশ পড়েছে। চিনি যে হেতু আখ থেকেই তৈরি হয়, তাই আখের উৎপাদন বাড়লে চিনির উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়। চিনিকলগুলির ধারণা আগামী মরসুমে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানির জন্য 80 লক্ষ টনের মতো চিনি উদ্বৃত্ত হবে। পরিসংখ্যান বলছে, 2021-22 অর্থবর্ষে ভারতের চিনি 57 শতাংশ বেড়ে 109.8 লক্ষ টনে পৌঁছেছিল। বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি রফতানিকারক দেশ হয়ে উঠেছিল ভারত। তাতে চিনিকলগুলি তাতে লাভবান হলেও চিনির দাম বাড়ায় সমস্যায় পড়ে আম জনতা। সে কারণে কেন্দ্রীয় সরকার তাতে হস্তক্ষেপ করে। সেই উদ্দেশ্যেই গত মে মাসে ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। অনুমান, চলতি অর্থবর্ষে দেশে 27.5 মিলিয়ন টন চিনির প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে ইথানল উৎপাদনে 4.5 মিলিয়ন টন চিনি ব্যবহার হতে পারে। প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের শুরুতে গম রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্র। তারপর চাল রফতানির উপরও জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। দেশে ও চালের সরবরাহে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, সে কারণেই ওই পদক্ষেপ করেছিল কেন্দ্র।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/BDrPtoV
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads