রাজ্যে অবৈধ টেলিফোন চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ২ https://ift.tt/3nCxu9X - MAS News bengali

রাজ্যে অবৈধ টেলিফোন চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ২ https://ift.tt/3nCxu9X

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার থেকে অবৈধ টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চক্রের এক পাণ্ডাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় সরকারের যেমন কোটি-কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হত, তেমনই প্রশ্নের মুখে পড়েছে দেশের টেলি কমিউনিকেশন নিরাপত্তা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত যুবকের নাম জিসাদ S.K। সে কেরলের বাসিন্দা। আসানসোল উত্তর থানার অন্তর্গত সুগম পার্ক, ADDA কলোনি ও ওয়েবেল IT পার্কে ঘর ভাড়া নিয়ে চলছিল অবৈধ টেলিফোন এক্সচেঞ্জের অফিস। বৃহস্পতিবার ধৃতকে আসানসোল মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই আসানসোল উত্তর থানার অন্তর্গত সুগম পার্ক, ADDA কলোনি ও ওয়েবেল IT পার্কে ঘর ভাড়া নিয়ে চলছিল অবৈধ টেলিফোন এক্সচেঞ্জ খুলে গ্রাহকদের টোপ দিয়ে ISD কল করাত একটি চক্র। বিশেষ প্রযুক্তিতে ISD তথা আন্তর্জাতিক ফোন কল করার ক্ষেত্রে লাগত লোকাল খরচের টাকা। আর এর ফলে সরকারের প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি টাকা খরচ হত। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাজ্য পুলিশের STF ওই অবৈধ টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসে হানা দিয়ে একেবারে হাতেনাতে গ্রেফতার করে কেরলের ওই যুবককে। এছাড়া টেলিফোন এক্সচেঞ্জের অত্যাধুনিক বেশ কয়েকটি মেশিনও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ভারতীয় টেলিফোন এক্সচেঞ্জের তরঙ্গকে বিশেষ পদ্ধতিতে হ্যাক করে এই ISD কল করা হত। ঠিক কী পদ্ধতিতে এই কল করা হত, সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিচ্ছে পুলিশ। ভারতীয় টেলিফোন এক্সচেঞ্জের তরঙ্গকে হ্যাক করলে দেশের অভ্যন্তরীণ টেলি কমিউনিকেশন নিরাপত্তাও বিঘ্নিত ঘটতে পারত। সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্যদিকে, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, সে বিষয়ে ধৃত যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এ প্রসঙ্গে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের DC (সেন্ট্রাল) এস এস কুলদীপ বলেন, ‘গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে নিশ্চয়।' এদিকে আন্তর্জাতিক টেলিফোন কলকে লোকাল কলে পরিণত করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানার পুলিশ। ধৃতের নাম মহম্মদ রিয়াস। ওই এলাকারই এক সাইবার ক্যাফে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। বৃহস্পতিবার তাঁকে জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক রিয়াসকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ রিয়াস বড়জোড়ারই এক সাইবার ক্যাফেতে বসে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক টেলিফোন কলকে লোকাল কলে পরিণত করত বলে অভিযোগ। এর ফলে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হত। বাঁকুড়া আদালতের সরকারি আইনজীবী বিমল কুমার মণ্ডল বলেন, ‘মহম্মদ রিয়াস তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে টেলি কমিউনিকেশন সেটআপ করে আন্তর্জাতিক টেলিফোন কলগুলি লোকাল কলে রূপান্তরিত করতেন। এর ফলে সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতি হত। এছাড়া আরও অনেক বেআইনি কাজে অভিযুক্ত রয়েছেন।' এদিন মহম্মদ রিয়াসকে বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে পুলিশ তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। যদিও অভিযুক্তের জামিনের আবেদন জানান তাঁর আইনজীবী। বিচারক জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন এবং পুলিশের আবেদন মেনে অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। অর্থাৎ আগামী ২৩ নভেম্বর পুনরায় মহম্মদ রিয়াসকে আদালতে পেশ করা হবে। ধৃতের বিরুদ্ধে IPC, ইন্ডিয়ান টেলিগ্রাফ, ইন্ডিয়ান ওয়্যারলেস টেলিগ্রাফ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3FwPd8u
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads