'গান্ধীজি কখনই নেতাজিকে সমর্থন করেননি', এবার কঙ্গনার নিশানায় বাপুজি! https://ift.tt/3kIUGkF - MAS News bengali

'গান্ধীজি কখনই নেতাজিকে সমর্থন করেননি', এবার কঙ্গনার নিশানায় বাপুজি! https://ift.tt/3kIUGkF

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ফের সরব কঙ্গনা। কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী দাবি করেছিলেন, ‘ ১৯৪৭-এ ভারত স্বাধীনতা নয়, ভিক্ষা পেয়েছিল।’ এই মন্তব্য নিয়ে তুমুল হইচই হয়। তীব্র কটাক্ষের মুখোমুখি হতে হয় 'ক্যুইন'-কে। কিন্তু, তাতেও অভিনেত্রী থামতে নারাজ। এবার মহাত্মা গান্ধী নিয়ে কঙ্গনার মন্তব্যে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে ঠিক কী লিখেছেন কঙ্গনা? অভিনেত্রী লিখেছেন, 'এক সময় আমাদের শেখানো হয়েছিল একগালে চড় মারলে আরেকটি গাল পেতে দিতে এবং এইভাবেই ভারত স্বাধীনতা পাবে। এইভাবে কেউ স্বাধীনতা পায় না। ভিক্ষা পায়। নিজের হিরো নির্বাচিত করার আগে দুবার ভাবুন।' এখানেই শেষ নয়, কঙ্গনা আরও লিখেছেন, 'আপনি কাকে সমর্থন করছেন তা আপনাকে নির্বাচিত করতে হবে। কারণ প্রত্যেক বছর তাঁদের জন্ম বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানানোই সবকিছু নয়। এক ব্যক্তির দেশের ইতিহাস , তাঁদের হিরোকে চেনা উচিত।' কঙ্গনা আরও বলেন, 'গান্ধী কখনও ভগত সিং এবং নেতাজিকে সমর্থন করেননি।’ ভগত সিংয়ের ফাঁসি নিয়েও মুখ খুলেছেন কঙ্গনা। এদিন পুরনো একটি খবরের কাগজের প্রতিবেদন পোস্ট করেছেন কঙ্গনা। যেখানে তিনি লিখেছেন, 'আপনি হয় গান্ধীর সমর্থক অথবা নেতাজির। আপনি দুপক্ষকেই সমর্থন করতে পারেন না। সিদ্ধান্ত নিন।' প্রতিবেদনটির শিরোনাম 'Gandhi, others agreed to hand over Netaji (নেতাজি ভারতে এলে তাঁকে ব্রিটিশদের হাতে তুলে দিতে সম্মত গান্ধী এবং অন্যান্যরা)'। অর্থাৎ ফের একবার সরব হয়েছেন অভিনেত্রী। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই কঙ্গনা কানাউত বলেছিলেন, ‘১৯৪৭-এ ভারত স্বাধীনতা নয়, ভিক্ষা দেওয়া হয়েছিল। আসল স্বাধীনতা এসেছে ২০১৪ সালে।’ এরপরেই কার্যত বিতর্কের ঢেউ ওঠে। এই মন্তব্যের পালটা বরুণ গান্ধী টুইট করে বলেন, ‘কখনও মহাত্মা গান্ধীর ত্যাগ ও তপস্যার অপমান, কখনও তাঁর হত্যাকারীর সম্মান করা হয়েছে। আর এখন শহিদ মঙ্গল পাণ্ডে থেকে রানি লক্ষ্মীবাঈ, ভগত সিং, চন্দ্রশেখর আজাদ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতা সেনানীদের আত্মত্যাগের অপমান করা হয়েছে। এই ধরনের মনোভাবকে পাগলামি বলব নাকি আবার দেশদ্রোহ?’ তাঁর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শঙ্কর কাপুর একটি টুইটে বলেন, ‘এক স্বাধীনতা সংগ্রামীর ছেলে হিসাবে এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীর পরিবারের তরফে আমি যে মন্তব্য করেছেন, ভারতকে স্বাধীনতা ভিক্ষা দেওয়া হয়েছিল, এটাকে স্বাধীনতার (বাক-স্বাধীনতার) সবচেয়ে বড় অপব্যবহার এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের অপমান বলে মনে করি।’ এরপরে অভিনেত্রী অবশ্য থামেননি। তাঁর এই পোস্টগুলি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3cgu59Z
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads