কাশ্মীর সমস্যা মিটলেই প্রয়োজন ফুরোবে পরমাণু অস্ত্রের: ইমরান https://ift.tt/35HiVrJ - MAS News bengali

কাশ্মীর সমস্যা মিটলেই প্রয়োজন ফুরোবে পরমাণু অস্ত্রের: ইমরান https://ift.tt/35HiVrJ

ইসলামাবাদ: একবার সমস্যা সমাধান হয়ে গেলে পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারের আর কোনও প্রয়োজনীয়তাই থাকবে না, এমন কথাই শোনা গেল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুখে। ২২ জুন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। কাশ্মীরের ম্যাপ নিয়ে বিরোধের জেরে গত বছর দোভাল বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে আসার পর এই প্রথম মুখোমুখি হবেন ভারত ও পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা। ঠিক তার আগেই সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে ফের একবার কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে আনলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। যেখান কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের জন্য আমেরিকার সাহায্যও চাইলেন তিনি! ভারতের তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর মিলেছে, পাকিস্তান তার পরমাণু অস্ত্রের ভাণ্ডার দ্রুতগতিতে বাড়াচ্ছে। এর কারণ জানতে চাওয়া হলে কিছুটা পাশ কাটিয়েই গেলেন ইমরান। তাঁর বক্তব্য, 'বিশেষজ্ঞরা এই তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন জানি না। পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র শুধু অন্য দেশের থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য। যত দূর আমি জানি, এতে আপত্তির কিছু নেই। প্রতিবেশী দেশটি যদি আমাদের থেকে সাত গুণ বড় হয়, তা হলে এই সাবধানতা তো স্বাভাবিক!' ইমরানের দাবি, তিনি শুরু থেকেই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের বিপক্ষে। আর সেই কারণেই ভারত ও পাকিস্তান দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ হওয়া সত্ত্বেও তাদের সীমান্ত সমস্যা যুদ্ধ অবধি গড়ায়নি। ইমরানের স্পষ্ট বক্তব্য, 'কাশ্মীর নিয়ে যে মুহূর্তে বোঝাপড়া হয়ে যাবে, দুই প্রতিবেশী দেশ ভদ্রসভ্য মানুষের মতো বাঁচবে। পরমাণু অস্ত্রের আর প্রয়োজনই হবে না।' আর এই কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে আমেরিকার হস্তক্ষেপ চান তিনি। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও এ ব্যাপারে দু'বার কথা বলেছিলেন ইমরান। ট্রাম্প মধ্যস্থতার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন, কিন্তু ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কাশ্মীর সমস্যা ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয়, এ ব্যাপারে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ভারত বরদাস্ত করবে না। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অবশ্য একবারও কথা হয়নি ইমরানের, এ কথা নিজেই জানিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, 'বাইডেনের সঙ্গে কথা হলে আমি কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করব। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী, এটি একটি বিতর্কিত ভূখণ্ড। কাশ্মীরের মানুষের নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গণভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে, কিন্তু সেই গণভোটের আয়োজনই করা হয়নি। ফলে, সমস্যা রয়েই গিয়েছে। আমেরিকানদের যদি সমাধানের ইচ্ছে থাকে, তাহলে কাশ্মীর সমস্যা মিটতে পারে।' কিন্তু যে ইমরান কাশ্মীর ইস্যুকে বিশ্বের দরবারে আনতে চান, তিনি চিনে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের গণহত্যা নিয়ে নীরব কেন? চিন বন্ধুরাষ্ট্র বলেই কি পাকিস্তানের এমন পক্ষপাতমূলক আচরণ? পাক প্রধানমন্ত্রী জবাব, 'এক লাখেরও বেশি কাশ্মীরিকে খুন করা হয়েছে। কাশ্মীরের সমস্যা উইঘুর সমস্যার থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কঠিন সময়ে চিন ভালো বন্ধুর মতো পাশে থেকেছে। আমাদের বিপদে উদ্ধার করেছে। তাই চিনকে আমরা সম্মান করি। ওদের সঙ্গে সমস্যা যা-ই থাক, তা নিয়ে বন্ধ দরজার পিছনে আমরা আলোচনা করে নিই।' ইমরানের যুক্তি, কাশ্মীরের অর্ধাংশ পাকিস্তানে বলেই সেখানের সমস্যা নিয়ে তাঁর উদ্বেগ স্বাভাবিক!


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3qeEJV0
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads