শিশুদের রক্ষায় তৎপর নবান্ন https://ift.tt/3iVyioi - MAS News bengali

শিশুদের রক্ষায় তৎপর নবান্ন https://ift.tt/3iVyioi

এই সময়: তামিলনাড়ু সরকারের একটি রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের () কারণেই প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে দ্বিতীয় ঢেউয়ে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। আশঙ্কা, এই ভ্যারিয়েন্ট রূপ বদলে আরও সংক্রামক হয়ে উঠতে পারে ছোটদের জন্য। সে কারণে শিশু করোনা রোগীদের চিকিৎসায় কোমর বাঁধছে বাংলা। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে সাংবাদিকদের জানান, কী ভাবে রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রস্তুত হচ্ছে তৃতীয় ঢেউ (Corona ), বিশেষ করে শিশু করোনা রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য। বাংলায় করোনার প্রকোপ কমেছে বলে এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী ()। তবে এতে যে আত্মতুষ্টির অবকাশ নেই, সে ইঙ্গিতও দেন। রাজ্য প্রশাসন থেকে চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও বারবার বলছেন, এই সময়ে অত্যন্ত সতর্ক হয়ে চলতে হবে। বিন্দুমাত্র ভুলচুক হলে তার বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় সব রকমের প্রস্তুতি তাঁর প্রশাসন পুরোদমে নিচ্ছে। জোর দেওয়া হচ্ছে শিশুদের জন্য কোভিড বেড বাড়ানোয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কোভিডের তৃতীয় ঢেউ আসার কথা শোনা যাচ্ছে। এই পর্যায়ে বাচ্চাদের যত্ন নিতে হবে। আমরা বাচ্চাদের বেড বাড়াচ্ছি। বাচ্চাদের লালন-পালন করেন তাদের অভিভাবকেরা। বিশেষত মায়েরা। তাই মায়েদেরও শরীরের যত্ন নিতে হবে। মায়েরা ভালো থাকলে বাচ্চারাও ভালো থাকবে।' রবিবার শিশুদের জন্য পরিকাঠামো গড়ে তোলা নিয়ে সব জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসনের সঙ্গে স্বাস্থ্যভবনের একটি ভার্চুয়াল বৈঠক হয়। সোমবার ঠিক হয়, আগামিকাল, বুধবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হবে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ। অগস্টের মধ্যে রাজ্যে শিশু করোনা রোগীদের জন্য ১৩০০ আইসিইউ এবং ৩৫০ সিক নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট (এসএনসিইউ) তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, এই পরিকাঠামোর জন্য পর্যাপ্ত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নেই। তাই জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসারদের গুরুতর অসুস্থ শিশু করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে প্রশিক্ষণের সাহায্যে। প্রশিক্ষণের জন্য ১৩ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল গড়া হয়েছে। এই দলে দু'জন সর্বভারতীয় স্তরের বিশেষজ্ঞ - চণ্ডীগড় পিজিআই-এর অ্যাডভান্সড পেডিয়াট্রিক সেন্টারের প্রধান জয়শ্রী মুরলীধরণ এবং ইমার্জেন্সি অ্যান্ড ইন্টেনসিভ কেয়ার বিভাগের শিক্ষক-চিকিৎসক অরুণ বনশল। বাকি ১১ জন রাজ্যস্তরের প্রশিক্ষকের মধ্যে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সদ্যোজাত রোগ বিশেষজ্ঞ, কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞদেরও রাখা হয়েছে। তাঁরা সব জেলার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেবেন। ওই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরাই জেলাস্তরের মেডিক্যাল অফিসারদের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ দেবেন নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের। সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের পেডিয়াট্রিক আইসিইউ-এর প্রধান চিকিৎসক মিহির সরকার ও শিশুরোগ বিভাগের শিক্ষক-চিকিৎসক দিব্যেন্দু রায়চৌধুরী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাংলায় অতিমারীর প্রকোপ কমেছে। তিনি বলেন, 'রাজ্যে সংক্রমণের হার (কেস পজিটিভিটি রেট) চার শতাংশে নেমে এসেছে। আট দফা নির্বাচনের সময় এটা ৩২ শতাংশ হয়ে গিয়েছিল। কোনও কোনও জেলায় অবশ্য পজিটিভিটি রেট ৭-৮ শতাংশ আছে। হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনায় বেশি। কলকাতায় অবশ্য অনেকটাই কমেছে করোনা।' তিনি জানান, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত দু'কোটির বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3wZTjm5
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads