শঙ্খ-প্রয়াণে 'শোকাহত' অনুব্রত https://ift.tt/3sIv9JA - MAS News bengali

শঙ্খ-প্রয়াণে 'শোকাহত' অনুব্রত https://ift.tt/3sIv9JA

এই সময়: স্বভাবনম্র, মিতভাষী হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবাদে কখনও দ্বিধান্বিত হননি শঙ্খ ঘোষ। তাই ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটের সময় কলম ধরেছিলেন তিনি। আর তা করে কোপে পড়েছিলেন বীরভূমের ডাকসাইটে জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের। বুধবার কবির প্রয়াণের পর অবশ্য শোক জ্ঞাপন করেছেন সেই অনুব্রত, বলেছেন 'ওঁকে শত কোটি প্রণাম জানাই।' ২০১৮ সালের মে মাসে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারের সময় অনুব্রত বলেছিলেন, বিরোধী প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে বেরোলে দেখবেন, রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়িয়ে রয়েছে। ঘটনা হলো, এর পর বীরভূমের ৪২টি জেলা পরিষদ আসনের মধ্যে ৪১টিতেই মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বিরোধীরা। যে একজন মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছিলেন, তিনিও তা শেষমেশ প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হন। সেই সময়েই কলম ধরেছিলেন শঙ্খ। 'মুক্ত গণতন্ত্র' নামের কবিতায় লিখেছিলেন, 'যথার্থ এই বীরভূমি, উত্তাল ঢেউ পেরিয়ে এসে পেয়েছি শেষ তীরভূমি। দেখ খুলে তোর তিন নয়ন, রাস্তা জুড়ে খড়্গ হাতে দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন'। সেই কবিতা প্রকাশিত হওয়ার পরেই অনুব্রত বলেন, 'বড় বড় কথা বলছেন কবি? এ কোন কবি? আমরা তো কবি বলতে জানতাম রবীন্দ্রনাথ-নজরুল। এ কোন নতুন কবি উঠে এসেছেন যে, আমার উন্নয়ন নিয়ে কথা বলছেন!' এটুকুতেই থামেননি বীরভূমের 'কেষ্ট'। কবির নাম নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন, 'কবির নাম শঙ্খ রাখা ঠিক হয়নি। শঙ্খ নামের অপমান করেছেন উনি। এখনও বলছি, রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড়িয়ে আছে।' অনুব্রতের ওই মন্তব্য নিয়ে বাংলা জুড়ে শুরু হয়েছিল বিতর্ক এবং নিন্দার ঝড়। কিন্তু তাতেও দমেননি অনুব্রত। সেই সময়ে এমনও বলেছিলেন, 'যখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে, তখন শঙ্খ ঘোষ কবিতা লেখেন।' অনুব্রতের বক্তব্যের পাল্টা অবশ্য কোনও কথাই বলেননি বর্ষীয়ান কবি। বরাবরের স্বভাব বজায় রেখে নীরবতাই ছিল তাঁর উত্তর। ঘটনা হলো, তখন কিন্তু তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব অনুব্রতর এই মন্তব্যের কোনও প্রকাশ্য সমালোচনা করেননি, কেষ্টকে সেন্সরও করেনি তাঁর দল। বুধবার কবির মৃত্যুর পর অবশ্য অনুব্রত 'এই সময়'কে বলেছেন, 'এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার। বাংলার খুব বড় ক্ষতি হয়ে গেল। উনি বাংলার একটা বড় কবি ছিলেন। খুব খারাপ লাগছে। ওঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।' চার বছর আগের ঘটনা মনে করানোর পরে তা নিয়ে নীরবই থেকেছেন কেষ্ট। বলেছেন, 'দেখুন আজকের দিনে আর পুরোনো কথা তুলতে চাই না। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে।' কোথাও কি আপনার মনে হচ্ছে, ওই রকম মন্তব্য না-করলেই ভালো হত? অনুব্রতর বক্তব্য, 'ছাড়ুন, আজকের দিনে আর সে সব কথা তুলে লাভ কী! যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। আর উনি এত বড় কবি। বাংলার ক্ষতি তো হলোই।' টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3at5AWA
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads