বিধ্বস্ত বেস কিচেন, গার্ড ছাড়াই মালগাড়ি পূর্বরেলে https://ift.tt/3xft37K - MAS News bengali

বিধ্বস্ত বেস কিচেন, গার্ড ছাড়াই মালগাড়ি পূর্বরেলে https://ift.tt/3xft37K

এই সময়, কলকাতা ও হাওড়া: করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে দিশাহারা ভারতীয় রেলের পর্যটন ও খাদ্যপরিষেবা প্রধানকারী সংস্থা ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কেটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশনও (আইআরসিটিসি) বুধবার সকালে সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক দেবাশিস চন্দ্র জানিয়েছেন, সংস্থার হাওড়া বেস কিচেনের ২৪ জন কর্মীর মধ্যে ন'জন এবং শিয়ালদহ বেস কিচেনের ১৪ জন কর্মীর মধ্যে ১১ জনই করোনায় আক্রান্ত। এ ছাড়াও সংস্থার নিউ জলপাইগুড়ি এবং পাটনা দপ্তরেও পর পর কর্মীরা সংক্রামিত হয়ে পড়েছেন। এই মুহূর্তে কোভিড থাবা বসিয়েছে আইআরসিটিসির পূর্বাঞ্চলীয় বিভাগের অন্তত ৫০% কর্মীর শরীরে। ওল্ড কয়লাঘাট স্ট্রিটে সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তরেও পাঁচ কর্মী সংক্রামিত। দেবাশিসের বক্তব্য, 'শিয়ালদহের বেস কিচেন পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হয়েছে। হাওড়ার বেস কিচেনও হয়তো বেশিক্ষণ খুলে রাখা যাবে না। তবে দূরপাল্লার ট্রেনে রেডি টু ইট খাবার পরিবেশনে সমস্যা হবে না।' আইআরসিটিসির পাশাপাশি আরও বেশি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে পূর্ব রেল। বুধবার সংস্থার একাধিক পদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, হাওড়া ও শিয়ালদহ - এই দুই ডিভিশন মিলিয়ে হাজারের বেশি রেলকর্মী কোভিড আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে ৮০ শতাংশ কর্মীই সরাসরি ট্রেন চালানোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। যে ভাবে হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিভিশনের মোটরম্যান ও গার্ডেরা বিপুল সংখ্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তার ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে ইএমইউ লোকাল পরিষেবার উপর। হাওড়া ও শিয়ালদহে বুধবার ৫২টি লোকাল ট্রেন ও ১৬টি প্যাসেঞ্জার ট্রেন বাতিল করতে হয়েছে। পূর্ব রেলের হিসাব অনুযায়ী বুধবার সকাল পর্যন্ত হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল ও মালদহ - এই চার ডিভিশনে ২১৪ জন গার্ড করোনা আক্রান্ত। এর প্রভাব পড়েছে যাত্রীসংখ্যার উপরেও। শিয়ালদহে প্রায় ১৩% ও হাওড়ায় প্রায় ১৫% যাত্রী গত ৭ দিনে কমে গিয়েছে। শিয়ালদহের যাত্রীসংখ্যা ১৪ লক্ষ থেকে কমে ১২ লক্ষ এবং হাওড়ায় ১২ লক্ষ থেকে কমে ১০ লক্ষ হয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই পূর্ব রেল সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শাখায় গার্ড ছাড়াই পণ্যবাহী ট্রেন চালানো হবে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই ভাবেই চলবে। পণ্যবাহী ট্রেনের গার্ডদের নিয়ে এসে ইএমইউ লোকালের শূন্যস্থান পূরণ করে যাত্রী পরিষেবা যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পূর্ব রেলের কর্মী সংগঠন ইস্টার্ন রেল মেনস ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জেনারেল ম্যানেজারের দপ্তরে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষ বলছেন, 'বিআর সিং এবং হাওড়া অর্থোপেডিক হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নতি এবং প্রতিটি রেলকর্মীর জন্য মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা না করলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।' সাধারণ সম্পাদক বলছেন, 'গত বছর লক-ডাউন চালু থাকায় যাত্রী পরিষেবায় কোনও প্রভাব পড়েনি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাচ্ছে।' টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3aMS4h1
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads