ঘমনত আগনয়গরত টরযফক জযম ফজত পরবতরহদর বলগম ভড নয় চনতয় জপন https://ift.tt/mHWbjEO - MAS News bengali

ঘমনত আগনয়গরত টরযফক জযম ফজত পরবতরহদর বলগম ভড নয় চনতয় জপন https://ift.tt/mHWbjEO

টোকিয়ো: সবাই শুধু ওপরে যেতে চায়! কয়েক বছর ধরেই এভারেস্টের পথে ট্র্যাফিক জ্যামের মতো পর্বতারোহীদের ভিড় চিন্তা বাড়িয়েছে পরিবেশবিদদের। এবার প্রায় একই পরিস্থিতি জাপানে, মাউন্ট ফুজির পথে। ৩৭৭৬ মিটারের এই পর্বত জাপানের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তো বটেই, এটি একটি সক্রিয় অগ্নেয়গিরিও। ১৭০৭-০৮ সালে শেষবার এখানে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল। গ্রীষ্মে ফুজিতে পর্বতারোহণের জন্য প্রচুর মানুষ জড়ো হন প্রতি বছর। কিন্তু এ বার যেন সব রেকর্ড ভাঙার জোগাড়। জাপানের প্রশাসকরা সাফ জানাচ্ছেন, হয় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অথবা ফুজিতে পর্বতারোহণের পারমিশন দেওয়ার ক্ষেত্রে ভালোরকম কড়াকড়ি করতে হবে। কারণ স্থানীয় প্রশাসন এবং ফুজিকে ঘিরে তৈরি হওয়া পর্যটন সার্কিটের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরাই তাঁদের সতর্ক করেছেন, যত পর্বতারোহী এ বার ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরিতে পা রাখতে চাইছেন, একসঙ্গে তাদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রায় অসম্ভব। ঘটনাচক্রে, ইউনেস্কোর তরফে ফুজিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণার দশম বর্ষপূর্তি এবার। সম্ভবত সেটা উদ্‌যাপন করতেই পর্যটকদের লাগামছাড়া বুকিং রিকোয়েস্ট এসে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বছরের বেশিরভাগ সময়ে তুষারাবৃত থাকা ফুজি পর্বতারোহণের জন্য খোলা থাকে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ফলে সামিট করার ইচ্ছায় মে-জুন থেকে ভিড় বাড়তে থাকে টোকিয়োর ১০০ দক্ষিণ-পশ্চিমে, হনশু দ্বীপে। জাপানের প্রশাসনিক আধিকারিকরা মনে করছেন, সামিটের জন্য ক্যাম্পে থাকার জায়গা না-পেলে বহু অত্যুৎসাহী পর্যটক কোনও বিশ্রাম না নিয়ে টানা চড়াই ভাঙতে থাকবেন। তাতে উচ্চতাজনিত অসুস্থতা তো হবেই, হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও প্রবল। তা ছাড়া বিদেশি পর্বতারোহীদের অনেকেই জানেন না, মাউন্ট ফুজির মতো পর্বত চড়তে গিয়ে যে কোনও সময়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। প্রতি বছর মারাও যান কিছু পর্বতারোহী। তাই আগে থেকেই সতর্ক হচ্ছে জাপান।


from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News - Ei Samay https://ift.tt/yGS6wfp
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads