পঞচয়ত ভটর আগ আরও 'পরণঘত' পট https://ift.tt/0vLPqX1 - MAS News bengali

পঞচয়ত ভটর আগ আরও 'পরণঘত' পট https://ift.tt/0vLPqX1

তাপস প্রামাণিকপঞ্চায়েত ভোটের জন্যে কি আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে চলেছে চিরাচরিত পেটো? ভোটের দিন যত এগোচ্ছে, এই আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। প্রতিবারই পঞ্চায়েত ভোটের সময়ে রাজ্যে মুড়ি-মুড়কির মতো পেটো বোমা ব্যবহার হয়। ভোটাররা যাতে বুথমুখী না হন, ভীতি প্রদর্শনে দু'চারটে পেটো ফাটানোর রেওয়াজ রাজ্যে বহু পুরোনো। ভয় পেয়ে লোকে আর ভোট দিতেই আসবেন না, এমনটাই মনে করে 'প্রভাবশালীরা'। মনোনয়ন আটকাতেও বোমাবাজির চল এ বারও দেখেছে রাজ্য। বাংলার মাটিতে পেটোর ব্যবহার চলছে সেই ব্রিটিশ-পর্ব থেকে নকশাল আমল হয়ে বহু বছর ধরে। মূলত ভয় দেখাতেই পেটোর ব্যবহার। কিন্তু এ বার সেই ভাবনায় অনেকটাই বদল এসেছে, যা মানুষের বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। রাজ্যে যে সব পেটো বোমা ব্যবহার হয়, তার সিংহভাগের মাল-মশলা আসে বড়বাজারের রাজাকাটরা মার্কেট থেকে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকে পেটো তৈরির মশলা কিনতে আসছে। এতদিন পেটো তৈরির জন্যে সোড়া, গন্ধক, পাইরো (বারুদ), সুতলি দড়ি, বাবরি (লৌহচূর্ণ) কেনার চল ছিল। তার সঙ্গে স্টোনচিপ, জালকাঠি, কাচের টুকরো মিশিয়ে বলের মতো দড়ি পাকিয়ে হাতবোমা তৈরি হতো। কিন্তু এ বার বেশির ভাগ ক্রেতাই 'লাল-সাদা' মশলা কিনছে। ক্রেতাদের বক্তব্য, সোড়া, গন্ধক, পাইরো দিয়ে বোমা বানালে অনেক সময়ে সেগুলো ফাটে না। কিন্তু লাল-সাদা মশলা (পটাশ) দিয়ে বোমা বানালে মিস হওয়ার ভয় থাকে না। ক্রেতাদের এই প্রবণতাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন রাজাকাটরার ব্যবসায়ীরা। তাঁদের আশঙ্কা, বোমায় লাল-সাদা মশলা ঢোকানোয় তার বিস্ফোরণ ক্ষমতা বাড়বে। ফলে অনেক বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, এখনও ২২ দিন বাকি। তার আগেই বাজার থেকে লাল-সাদা মশলা প্রায় উধাও। রাজাকাটরার এক ব্যবসায়ী বলেন, 'পূর্ব মেদিনীপুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর ব্যাপক ধড়পাকড় শুরু হওয়ায় বাইরে থেকে বাজির মাল-মশলা ঠিকমতো আসছে না। তার উপরে পঞ্চায়েত ভোটের জন্যে বাজির মশলার চাহিদা খুব বেড়ে গিয়েছে। বেআইনি বাজি কারখানা থেকে অনেকে পেটোর মশলা কেনে। তারাও দিতে পারছে না। তার জন্যেই কালোবাজারি শুরু হয়েছে।' কয়েক মাস আগেও লাল-সাদার দাম ছিল কেজি-প্রতি তিন হাজার টাকা। সেটাই এখন বিকোচ্ছে ৫-৬ হাজার টাকা দরে। বাজারে জালকাঠিরও আকাল দেখা দিয়েছে। বাবরি কেনার জন্যে লোকে লেদ কারখানায় লাইন দিচ্ছে। এক কিলো লাল-সাদা মশলায় ২০টা'র মতো পেটো বানানো যায়। এক-একটা বোমা বানানোর খরচ দাঁড়াচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা। সোড়া-গন্ধকের পেটোর খরচ কম, ১০০ টাকার মতো।


from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News https://ift.tt/1bALtwF
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads