পাঁশকুড়ার সমবায় নির্বাচনে জয়জয়কার তৃণমূলের https://ift.tt/XNsCA2m - MAS News bengali

পাঁশকুড়ার সমবায় নির্বাচনে জয়জয়কার তৃণমূলের https://ift.tt/XNsCA2m

West Bengal News : বছর ঘুরলেই রাজ্যে () হতে পারে। আর তার আগে বড় সাফল্য পেল শাসক দল। পাঁশকুড়ার রাতুলিয়া সমবায় সমিতির ভোটে নয়টি আসনের মধ্যে নয়টি আসনেই জয়লাভ করল তৃণমূল () কংগ্রেস। বুধবার সকাল থেকেই এই ভোটকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছিল একেবারে তুঙ্গে। এখানে মূলত তৃণমূলের সঙ্গে সিপিএমের (CPIM) লড়াই। এক সময়কার সিপিএম এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল রাতুলিয়া। সিপিএম জেলা সভাপতি নিরঞ্জন সিহির এলাকায় হিসেবে পরিচিত ছিল। এবার সেই এলাকায় সমবায় সমিতির নয়টি আসনের নয়টিতেই জিতল তৃণমূল কংগ্রেস। এখানে বিজেপি (BJP) সব আসনে প্রতিনিধি দিতে পারেনি। নয়ের মধ্যে ছয়টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। অন্যদিকে, সিপিএম সব আসনেই প্রার্থী দিয়েছিল। তবে ফল প্রকাশের পরই দেখা যায় সব আসনেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল। তবে সেখানে খাতাই খুলতে পারেনি সিপিএম ও বিজেপি। এখানে ভোটার সংখ্যা (Voter) ৮৮৭। তার মধ্যে ভোট পড়েছে ৪৮৮টি। এই ভোট প্রসঙ্গে বিজেপির পরাজিত প্রার্থী বলেন, "সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়েছে। এরকম ভোট যেন বাকি সমবায় সমিতির ভোটে এবং পঞ্চায়েত ভোটে দেখতে পাই।" অন্যদিকে, সিপিএমের পরাজিত প্রার্থী বলেন, "সমবায় সমিতির ভোটের সঙ্গে পঞ্চায়েত ভোটের কোনও মিল নেই। একসঙ্গে বিজেপি এবং সিপিএম জোট করেছে। এরকম কোথাও নেই। বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিদের নিয়ে শুধু তারা কমিটি গঠন করে ভোট করেছে। এখানে আমরা নন্দকুমারের ব্যানারে ভোট করাইনি। আমাদের সঙ্গে কারও সম্পর্ক নেই।" এদিকে কয়েকদিন আগেই ভোট হয়েছিল নন্দকুমার ব্লকের চক শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বহরমপুর কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ক্রেডিট সোসাইটিতে। সেখানে কার্যত ধরাশায়ী হয়ে যায় ঘাসফুল শিবির। এগ্রিকালচার ক্রেডিট সোসাইটির ৬৩ টি আসনের ৬৩ টি আসনেই পশ্চিমবঙ্গ সমবায় বাঁচাও কমিটি জয়লাভ করে। তার মধ্যে জিতেছে ৪৩টি আসনে। আর সিপিএম ২০টি আসনে। তবে তৃণমূল কংগ্রেস একটিও আসন পায়নি। এই নির্বাচনে বিজেপি ও সিপিআইএম জোট (CPIM-BJP Alliance) বেঁধে লড়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর তার জেরে রীতিমতো পর্যুদস্ত হয় রাজ্যের শাসক দল। এই জোটের মাধ্যমে বহরমপুর কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ক্রেডিট সোসাইটির ক্ষমতা নিজেদের হাতেই রাখে সিপিএম ও বিজেপি। যদিও এই জোটকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি । এই জোট প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা বলেছিলেন, "তৃণমূলকে ঠেকাতে গেলে প্রকাশ্যে সিপিআইএম ও বিজেপিকে হাত মেলাতে হচ্ছে। এই ছোট ছোট নির্বাচনগুলিতে যদি তারা হাত মিলিয়ে করে তাহলে তাদের নীতি প্রকাশ করতে আমাদের আরও সুবিধা হয়। মানুষ তৃণমূলের পাশে রয়েছে। শ্রমিকদের মধ্যে বহু ক্ষোভ ছিল। তবে নিয়ম নীতি দিয়ে তা ঢেলে সাজিয়ে তাদের কাজের ও সামাজিক সুরক্ষা বাড়ানো হচ্ছে। তার ফলে সবাই সঙ্গে থাকবে।" আর ঠিক তারপরই রাতুলিয়া সমবায় সমিতির ভোটে কার্যত বিরোধীদের ধরাশায়ী করে দিল তৃণমূল।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/D4wJAj5
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads