চন্দ্রগ্রহণের মাঝে বিরিয়ানি ফেস্ট, যুক্তিবাদীদের ওপর চড়াও কট্টরপন্থীরা https://ift.tt/XDz7Pui - MAS News bengali

চন্দ্রগ্রহণের মাঝে বিরিয়ানি ফেস্ট, যুক্তিবাদীদের ওপর চড়াও কট্টরপন্থীরা https://ift.tt/XDz7Pui

চন্দ্রগ্রহণের মধ্যে বিরিয়ানি উৎসবকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ কট্টরপন্থী ও যুক্তবাদীদের সংঘর্ষ। কট্টরপন্থীদের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে এই পদক্ষেপ করে ওডিশার যুক্তিবাদীরা। মঙ্গলবার গ্রহণের সময় পালন করা হয় ভুবনেশ্বর এবং বেহেরামপুরে। এর আগে সূর্যগ্রহণের সময়ও এই ধরনের উৎসব পালন করেছিল কট্টরপন্থীরা। যার কড়া সমালোচনা করেছেন পুরীর শংকরাচার্য থেকে শুরু করে হিন্দু ধর্মগুরুদের একাংশ। উল্লেখ্য, কট্টরপন্থীদের উপেক্ষা করে পালনের কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন যুক্তিবাদীরা। মঙ্গলবার গ্রহণ শুরু হওয়ার পর প্রথমে বিরিয়ানি খাওয়া হয় বেহেরামপুরে। পরে রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকেও একই ধরনের খবর আসে। “সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের মধ্যে খাওয়া-দাওয়ায় কোনও সমস্যা নেই। এই বার্তা দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।” জানিয়েছেন যুক্তিবাদী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। ওডিশার ভুবনেশ্বর ও বেহেরামপুর ছাড়া মঙ্গলবার মধ্যে এই ধরনের খাওয়া-দাওয়ার উৎসবের আয়োজন করে । অভিযোগ, ওই উৎসব চলার সময় নেতা-কর্মীরা সেখানে গিয়ে ওই উৎসব বন্ধ করার জন্য হুমকি দেন। ফলে শুরু হয় তর্কাতর্কি। পরে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। উল্লেখ্য, সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের মধ্যে কোনও কিছু খাওয়া উচিত নয় বলে, দীর্ঘদিন ধরে মেনে আসছেন হিন্দুরা। এই প্রসঙ্গে যুক্তিবাদীরা জানিয়েছেন, “আমরা বিজ্ঞানে বিশ্বাসে করি। মানুষকে সচেতন করাই আমাদের উদ্দেশ্য। জনগণের মন থেকে কুসংস্কার দূর করতেই এই পদক্ষেপ করছি আমরা। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমাদের বিরোধ নেই। কিন্তু এটা কুসংস্কারের প্রশ্ন। কোনও অন্ধবিশ্বাস যদি জনগণের ক্ষতি করে, তবে সেটা আটকাতে সচেতনতা প্রয়োজন। বিরিয়ানি উৎসবের মাধ্যমে সেটাই করেছি আমরা।” তবে যুক্তিবাদীদের এই পদক্ষেপ মানতে নারাজ কট্টরপন্থীরা। অল ওডিশা টেম্পল সার্ভিটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কামেশ্বর ত্রিপাঠী বলেন, “আমরা তো বিজ্ঞানের বিরোধিতা করছি না। এই নিয়ে বিতর্কসভার আয়োজন করা যেতে পারত। তার জন্য বিরিয়ানি খাওয়ার কোনও প্রয়োজন ছিল না। অনেক কিছু নিয়েই তো সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়। কিন্তু মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে আঘাত করে সেই প্রচার চালানো হয় না।” যদিও এই পরিপ্রেক্ষিতে পালটা কোনও জবাব দেননি যুক্তবাদীরা। মঙ্গলবার রাস পূর্ণিমার দিন বছরের শেষ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী ছিল গোটা দেশ। ভারতেরও বিভিন্ন শহরে চন্দ্রগ্রহণ দেখা গিয়েছে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হয়েছিল কলকাতাও। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য যখন একই সরলরেখায় চলে আসে, তখনই চন্দ্রগ্রহণ হয়। এই সময় পৃথিবীর ছায়ার গভীর অংশে প্রবেশ করে চাঁদ।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/Nja6wTy
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads