সন্ধ্যার পর ধোঁয়ার চাদরে ঢাকছে এলাকা, সমস্যায় এলাকাবাসী https://ift.tt/k0Z8gvb - MAS News bengali

সন্ধ্যার পর ধোঁয়ার চাদরে ঢাকছে এলাকা, সমস্যায় এলাকাবাসী https://ift.tt/k0Z8gvb

অনেকেই শীতের কুয়াশা ভেবে গুলিয়ে ফেলবেন। সন্ধ্যা নামলেই ধোঁয়ার চাদরে ঢেকে যায় গোটা অঞ্চল। বেজায় অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে নদিয়া জেলার কল্যাণী পুরসভার () ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের। ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও। লুকিয়ে এলাকার ডাম্পিং গ্রাউন্ডের আবর্জনায় কেউ বা কারা লাগিয়ে দেয় আগুন। আর তাতেই যত বিপত্তি! নদিয়ার (Nadia) কল্যাণী পুরসভার ১৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন ধোঁয়ার জ্বালায়। অভিযোগ, ওই ওয়ার্ডেই পুরসভার একটি আছে। জমে থাকা জঞ্জালের স্তূপে কেউ বা কারা সন্ধ্যার পর । পচা আবর্জনার জ্বলন্ত আগুন থেকে নির্গত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ধোঁয়ার দাপটে সমস্যায় ওই এলাকার কেন্দ্রীয় জহর নবোদয় বিদ্যালয়-এর শতাধিক আবাসিক পড়ুয়া, অভিভাবক, শিক্ষক শিক্ষিকারা। সমস্যায় পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষজন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জহর নবোদয় বিদ্যালয়-এর পাশেই কল্যাণী পুরসভার নোংরা আবর্জনা ফেলার ডাম্পিং গ্রাউন্ড ()। সন্ধ্যে থেকেই সেই আবর্জনায় কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। যার থেকে ব্যাপক হয়। যত রাত বাড়ে, ধোঁয়ার দাপট বাড়তে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কল্যাণী পুরসভার (Kalyani Municipality) পুরপ্রধান নীলিমেশ রায় চৌধুরী, কল্যাণী বিধানসভার BJP বিধায়ক অম্বিকা রায় ও কল্যাণী থানার পুলিশ ()। খবর দেওয়া হয় । সমস্যায় পড়তে হয় নবোদয় বিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্র - ছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের। বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল মৌসুমী নাগ বলেন, "আমাদের বিদ্যালয়ের পেছনেই ওই ডাম্পিং গ্রাউন্ড। যে কারণে পুরো স্কুল জুড়ে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে। বাচ্চারা পড়াশোনা করতে পারছে না, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। আমাদের কাছে প্রচুর অভিযোগ আছে। কাল থেকেই এরকম হচ্ছে।" বিষয়টি নিয়ে পুরপ্রধান জানান, "জঞ্জালের স্তূপে সারিবদ্ধ ভাবে কেউ বা কারা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। সেইজন্য ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। আমরা দমকলকে খবর দিয়েছি, এই আগুনটা আজকে রাতের মধ্যে নিভিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। কাল থেকে রাতে ওখানে টহলদারির ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে জঞ্জাল স্তূপ সকালে সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।" পুরসভার উদ্যোগে দমকল গিয়ে আগুন নেভানোর ব্যবস্থা করে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কেউ যদি ইচ্ছা করে এখানে এরকম আগুন লাগিয়ে থাকে, তাহলে ধরা মুশকিল। পক্ষ থেকে যাতে নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়, সে ব্যাপারেও আর্জি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/LxeDlOW
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads