Bangla News Live
Bengali News
Current News in Bengali
আজকের বাংলা খবর
কলকাতা বাংলা খবর - এই সময়
বাংলা নিউজ
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/r3bvcSh
নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছন না শিক্ষকরা! স্কুলে গিয়েই 'অফ পিরিয়ড' পড়ুয়াদের https://ift.tt/D8EjPpv
West Bengal News : সময় মতো স্কুলে হাজির হয়ে যায় ছাত্র-ছাত্রীরা ()। অথচ পড়ুয়ারা পৌঁছে গেলেও দেখা মেলে না কোনও শিক্ষকের। আর তার জেরে শুরুতেই " অফ পিরিয়ড" হয়ে যায় খুদে পড়ুয়াদের। অভিভাবকরা এমনই অভিযোগ তুলেছেন বালুরঘাট শহরের খিদিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের () শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। এমনকী, শিক্ষকরা না থাকায় যথারীতি হুড়োহুড়ি, হট্টগোলে মেতে থাকে পড়ুয়ারা। তার ফলে অনেক সময় আহতও হয় অনেকেই। আর এবারও স্কুলের মধ্যে খেলতে গিয়ে আহত হয় এক প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। স্কুলে বিক্ষোভ অভিভাবকদের স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দুপুরে হুড়োহুড়ির জেরে এক ছাত্রীর চোখে পাঠকাঠির আঘাত লাগে। তার জেরে গুরুতর জখম হয় সে। বিষয়টি জানতে পেরে অভিভাবকরা স্কুলে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগ, বেলা সাড়ে ১১ টার পরে ওই ঘটনা ঘটলেও স্কুলে দেখা যায়নি শিক্ষকদের। বাধ্য হয়ে অভিভাবকরাই গিয়ে ওই ছাত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে যান। এরপর প্রায় সাড়ে ১২ টা নাগাদ স্কুলে দেখা মেলে শিক্ষকদের। মঙ্গলবার শহরের খিদিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন অভিভাবকরা। অভিভাবকদের অভিযোগ, সাড়ে ১০ টায় স্কুলে পড়ুয়ারা পৌঁছে গেলেও শিক্ষকরা দেরিতে যান। কেউ সাড়ে ১১টা, তো কেউ সাড়ে ১২টার সময় স্কুলে ঢোকেন। তবে পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। আহত স্কুল ছাত্রী আহত ওই স্কুল ছাত্রীর বয়স ৬ বছর। সে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। ওই স্কুলে চারজন রয়েছেন। এবিষয়ে ওই জখম ছাত্রীর মা কাজলী রায় বলেন, "স্কুলের কাছেই আমাদের বাড়ি। রোজ শিক্ষকরা দেরিতে আসেন। এদিন মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর পরে অনেকক্ষণ শিক্ষকরা আসেনি। হুড়োহুড়িতে আমার মেয়ের চোখে আঘাত লাগে। চিৎকারের খবর পেয়ে আমি স্কুলে যাই। কিন্তু, তখনও কোনও শিক্ষক ছিলেন না। যার ফলে আমি নিজেই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছি মেয়েকে। চিকিৎসার পরে মেয়েকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।" স্কুলে দেরিতে পৌঁছন অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ অভিভাবক রমেন মহন্ত ও ডলি মহন্তরা বলেন, "রোজ স্কুলের শিক্ষকরা দেরি করে আসেন। স্কুলের শিক্ষকদের আগেও জানিয়েছি। লাভ হয়নি। আমরা চাই স্কুলে যাতে শিক্ষকরা সময়তো আসেন। না হলে আমরা বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে লাভ কী?" তবে এ বিষয়ে স্কুলের এক শিক্ষক মাধব দাস বলেন, "অভিভাবকদের অভিযোগ সত্যি নয়। রোজই আমরা তাড়াতাড়ি আসি। আজকে প্রধান শিক্ষক আসবে না জানতাম। তবে আমার স্কুলে আসার আগে বাইকের তেল ফুরিয়ে যায় এবং ট্রাফিক থাকার কারণে একটু দেরি হয়। তবে আহত ওই ছাত্রীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আমরা তাঁদের পাশে আছি।" অন্যদিকে, এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক স্কুল শিক্ষা পরিদর্শক নারায়ণ চন্দ্র পাল বলেন, "এ ব্যাপারে আমাকে স্কুলের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। স্কুলে শিক্ষকদের দেরি করে আসার কথা নয়। তবে আমি পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছি।"
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/r3bvcSh
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment