প্রেসিডেন্টের হয়ে প্রচারের শাস্তি! কেনিয়ায় ‘খুন’ দুই ভারতীয় https://ift.tt/qKCn6OG - MAS News bengali

প্রেসিডেন্টের হয়ে প্রচারের শাস্তি! কেনিয়ায় ‘খুন’ দুই ভারতীয় https://ift.tt/qKCn6OG

কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের হয়ে ভোটের প্রচারের কাজ করতে করতে গিয়ে বিপত্তি। বিদেশের মাটিতে ‘প্রাণ গেল’ দুই ভারতীয়র। নিহতদের নাম জুলফিকার আহমেদ এবং মহম্মদ জইদ সামি কিদোয়াই। কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে এই খবর সামনে আসতেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাই থেকেই নিখোঁজ ছিলেন ওই দুই ভারতীয়। কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে দেশে তদন্তকারী সংস্থা ডিসিআই-র একটি শাখা স্পেশাল সার্ভিস ইউনিট বা এসএসইউ। গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। এই ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় একটি সংস্থাকে প্রচারের দায়িত্ব দিয়েছিলেন কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট। ওই সংস্থায় কাজ করতেন জুলফিকার এবং মহম্মদ জইদ। প্রেসিডেন্ট রুটোর সহায়ক ইতুম্বি জানিয়েছেন, গত জুলাইতে রোড এলাকা থেকে ট্যাক্সিচালক নিকোদেমাস মাওয়ানির সঙ্গে নিখোঁজ হয়ে যান তাঁরা। সেই ঘটনার চার মাস পর ওই দুই ভারতীয় খুন হয়েছেন বলে জানাল কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ মহল। কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের সহায়ক ইতুম্বির দাবি, গত নির্বাচনে রুটোর জয়ের নেপথ্যে অন্যতম কারিগর ছিলেন জুলফিকার এবং মহম্মদ জইদ। তাঁর কথায়, “ভোটের প্রচারের সময় গ্রাফিক্স তৈরির জন্য জুলফিকার ও মহম্মদ জইদকে ডাকা হত। যখনই তলব করা হয়েছে, সমস্ত কাজ ফেলে রেখে ছুটে আসতেন তাঁরা।” প্রেসিডেন্টের প্রচার সংক্রান্ত কাজ শেষ না করে অন্য কোনও কাজে জুলফিকার ও মহম্মদ জইদ হাত দিলেন না বলেও দাবি করেছেন ইতুম্বি। “নির্বাচনের প্রচারের জন্য মোম্বাসা থেকে শুরু করে হোমা বে হয়ে মাসাইমারা — কেনিয়ার একাধিক জায়গায় ঘুরে ঘুরে কাজ করেছিলেন ওই দুই ভারতীয়। শুধু তাই নয়, প্রেসিডেন্টকে ভারতে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণও জানিয়েছেন জুলফিকার ও মহম্মদ জইদ। নির্বাচন শেষ হলে ভারতে যাবেন বলে তাঁদের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন প্রেসিডন্ট,” জানিয়েছেন ইতুম্বি। প্রেসিডেন্ট রুটোর ঘনিষ্ঠ মহল দাবি করলেও ওই দুই ভারতীয়র খুনের ব্যাপারে এখনও কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি কেনিয়া সরকার। তবে এই ব্যাপারে দেশে তদন্তকারী সংস্থা ডিসিআই-র একটি শাখা স্পেশাল সার্ভিস ইউনিট বা এসএসইউ-র দিকে আঙুল তুলেছেন রুটো সমর্থকরা। এসএসইউ-র বিরুদ্ধে এর আগেও বিনা বিচারে আটকে রাখা, অপহরণ এবং খুনের অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, গত নির্বাচনে রুটোর জয় আটকানোর সবরকম চেষ্টা চালিয়েছিল তাঁরা। সম্প্রতি এসএসইউ-র ২১ জন গোয়েন্দাকে রাজধানী নাইরোবিতে তলব করা হয়। এর পরই তদন্তকারী সংস্থা ডিসিআই-র ওই শাখাটিকে ভেঙে দেন প্রেসিডেন্ট। সেই ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই এই খুন বলে অনুমান করা হচ্ছে।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/c8g7mOS
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads