বরিসের অনুরোধ ফেরালেন ঋষি, ভাঙনের মুখে কনজারভেটিভ পার্টি? https://ift.tt/dwGfvXU - MAS News bengali

বরিসের অনুরোধ ফেরালেন ঋষি, ভাঙনের মুখে কনজারভেটিভ পার্টি? https://ift.tt/dwGfvXU

কনজারভেটিভ পার্টির ‘গৃহযুদ্ধ’ ঠেকাতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন বরিস জনসন। কিন্তু দলীয় সতীর্থ তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সেই অনুরোধকে কার্যত উপেক্ষা করেই প্রধানমন্ত্রী দৌড়ে নামছেন তিনি। রবিবার এই নিয়ে একটি ট্যুইটে গোটা বিষয়টি খোলসা করেন বহুজাতিক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ‘ইনফোসিস’-র প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই। ব্রিটেনের অর্থনীতিতে বাঁচাতেই তিনি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হচ্ছেন বলে ওই ট্যুইটে স্পষ্ট করে দিয়েছেন ঋষি। আর তাঁর সেই ট্যুইট সামনে আসতেই আড়াআড়িভাবে দুই শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে কনজারভেটিভ পার্টি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এর আগে কখনও এতবড় সংকটে পড়েন ব্রিটিশ রক্ষণশীল দল। গত ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন কনজারভেটিভ নেত্রী লিজ ট্রাস। এরপরই নতুন নেতা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দেয় ব্রিটিশ রক্ষণশীল দল। পার্লামেন্টে যিনি দলের নেতা নির্বাচিত হবেন, তিনিই পাবেন প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি। রবিবারের ট্যুইটে সেই দৌড়ে থাকার বিষয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন । সেখানে তিনি লিখেছেন, “ব্রিটেন মহান দেশ হলেও বর্তমানে গভীর অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। এই অবস্থায় দেশের আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে চাই।” এরপর দলকে একত্রিত করা এবং ব্রিটেনে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন ঋষি। ভারতীয় বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ সুনকের দাবি, তাঁর সঙ্গে রয়েছে শতাধিক কনজারভেটিভ সাংসদের সমর্থন। অন্যদিকে একচুল জমি ছাড়তে নারাজ জনসন শিবিরও। তাঁদের কাছেও ১০০ জন সাংসদের সমর্থন রয়েছে দাবি করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই অবস্থায় কনজারভেটিভ পার্টিই দু’ভাগে ভেঙে যেতে পারে। বরিস-সুনক দুই শিবিরের যে কোনও একপক্ষ নতুন দল গঠন করতে পারেন বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। তবে দলের ‘গৃহযুদ্ধ’ ঠেকাতে র তরফে চেষ্টা করা হচ্ছে না, এমনটা নয়। শনিবারই ঋষি সুনকের সঙ্গে বৈঠক করেন । সেখানেই সুনককে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে না থাকার জন্য অনুরোধ করেছিলেন বলে খবর। সেই অনুরোধ যে তিনি রাখতে পারছেন না, তা রবিবার জানিয়েছেন ঋষি। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বরিসের অনুরোধ রাখা একেবারেই সম্ভব ছিল না সুনকের। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বরিসের ক্যাবিনেটে অর্থমন্ত্রী ছিলেন ঋষি সুনক। কিন্তু ঋষি ইস্তফা দেওয়ায় বরিসের অপসারণ একরকম নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ফলে দু’জনের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি পেতে লিজ ট্রাসের বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়েছিলন ঋষি। ওই সময় তাঁর সঙ্গে দেখা বা কথা বলতে চাননি বরিস জনসন। প্রধানমন্ত্রী পদের লড়াই থেকে ঋষি সেরে গেলে, ফের একবার কুর্সি পেতে পারেন বরিস। সেক্ষেত্রে বরিসের ক্যাবিনেটে আবারও যেতে হতে পারে সুনকে। যা তিনি চাইছেন না বলেই দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/QFKUt0h
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads