বাড়ছে করোনা, তবে তেজ কম তৃতীয় ঢেউয়ের থেকে https://ift.tt/pd1KE4f - MAS News bengali

বাড়ছে করোনা, তবে তেজ কম তৃতীয় ঢেউয়ের থেকে https://ift.tt/pd1KE4f

এই সময়: তৃতীয় ঢেউয়ের (Covid 3rd Wave) শেষে বাংলায় দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে তলানিতে আসতে বেশ সময় লেগেছিল। ফেব্রুয়ারির গোড়ায় তিন হাজারের গণ্ডি থেকে মে মাসে ১০০-র নীচে নামতে লেগেছিল অন্তত চার মাস সময়। কিন্তু ফের করোনার ঊর্ধ্বগতির সময়ে এখন দেখা যাচ্ছে, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১০০-র ঘর থেকে বেড়ে তিন হাজার ছুঁইছুঁই হতে সময় লাগলো মাত্র তিন সপ্তাহ। টেস্ট তেমন একটা না-বাড়লেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। ফলে পজিটিভিটি রেটও ঊর্ধ্বমুখী। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় সংক্রমিতের সংখ্যা ২,৯৫০। যা বৃহস্পতিবারের (২,৮৮৯) চেয়ে সামান্য বেশি। এদিনও আক্রান্তদের মধ্যে সর্বাধিক বাসিন্দা উত্তর ২৪ পরগনা (৭৪০) ও কলকাতায় (৭২৭)। এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (২১৩), হুগলি (১৪৬), হাওড়া (১২৫), নদিয়া (১২৫), পশ্চিম বর্ধমান (১১৯), পশ্চিম মেদিনীপুর (১০৪), দার্জিলিং (১০১) ও পূর্ব বর্ধমান (১০১)। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা ও হুগলি জেলায় একজন করে। এদিন পজিটিভিটি রেট (১৬.৯২%) আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে ঠিকই। তবে এখনও যা রয়েছে, তা যথেষ্টা চিন্তায় রাখছে স্বাস্থ্যকর্তাদের। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে, ঊর্ধ্বগতির বিচারে তৃতীয় ঢেউয়ের চেয়ে কিছুটা হলেও তেজ কম বর্তমান চতুর্থ ঢেউয়ের। কেননা, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে মাত্র চার দিনে ৫০০-র ঘর থেকে তিন হাজারের ঘরে ঢুকে পড়েছিল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। চতুর্থ ঢেউয়ের () সময়ে সেখানে ২৩ জুন ৫০০-র ঘরে ও ২৯ জুন হাজারের ঘরে পৌঁছায় দৈনিক কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। দু' হাজার পেরোয় মাত্র দু'দিন আগে বুধবার। আর শুক্রবারেই সংখ্যাটা একেবারে তিন হাজার ছুঁইছুঁই। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার মতোই ওমিক্রন ও তার সাব-ভ্যারিয়েন্টদের কল্যাণে আক্রান্তদের উপসর্গেও ধার কম এখন। তবে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়েই বেড়ে চলেছে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যাও। অর্থাৎ, বাড়ছে গুরুতর অসুস্থের সংখ্যা। এদিন দেখা যায়, রাজ্যে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ১৮,৮৫৬ জন। এর মধ্যে বাড়িতেই রয়েছেন ১৮,৩২০ জন এবং হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৬ জন। শহরের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা অবশ্য বলছেন, সার্বিক ভাবে উপসর্গের নিরিখে আক্রান্তদের অবস্থা তৃতীয় ঢেউয়ের চেয়ে ভালো হলেও, যাঁরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, তাঁরা কিন্তু তৃতীয় ঢেউয়ের সময়ের চেয়েও বেশি সঙ্কটজনক হয়ে উঠছেন। তাঁদের অনেকের মধ্যেই কিন্তু ওমিক্রন সুলভ হালকা অসুস্থতা দেখা যাচ্ছে না। বরং দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে যে ভাবে ডেল্টা আগ্রাসী ভূমিকা নিয়েছিল, সেই সময়ের সঙ্গেই বেশি মিল পাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাই ফের কিছু নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে কল্যাণীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োমেডিক্যাল জিনোমিক্সে। উদ্দেশ্য, সংক্রমণের নেপথ্যে কোনও নতুন ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে কিনা, তা জানা।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/luf7Bej
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads