Bangla News Live
Bengali News
Current News in Bengali
আজকের বাংলা খবর
কলকাতা বাংলা খবর - এই সময়
বাংলা নিউজ
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/vR9YShC
বেশি লাভের আশায় মদে নেশার ওষুধ মিশিয়ে বিক্রি https://ift.tt/BsqMITS
এই সময়, বর্ধমান: মদ খেয়ে চার জনের মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে বর্ধমান শহরে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে প্রাণ হারাতে হল চার জনকে। এই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন শহরবাসী। পাশাপাশি বেশি লাভের আশায় দেশি মদের সঙ্গে নেশার ওষুধ মিশিয়ে বিক্রির মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে। বর্ধমান থানার জাতীয় সড়কের ফাগুপুর থেকে উল্লাস অবধি রাস্তার ধারে থাকা হোটেলগুলিতে গেলেই মিলবে মদের পাউচ। প্রকাশ্যেই খাটিয়ায় বসে সেই মদ পান করেন লরির মালিকরা। এ ছাড়া বহু হোটেলও রয়েছে যাদের কোনও লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও একেবারে খোলাখুলি ভাবে তারা মদ বিক্রি করে। এ বিষয়ে আবগারি দপ্তরের সুপার এনায়েত রাব্বি বলেন, ''সব তথ্য আমাদের কাছেও সময়ে আসে না। সাধারণ মানুষ বা সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা আমাদের তথ্য দিলে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। যদিও আমরা অভিযান জোরদার ভাবেই শুরু করেছি।'' লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকার বাসিন্দা শেখ হানিফের অভিযোগ, ''অভিযুক্ত গণেশের হোটেলে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ বোতল মদ বিক্রি হতো। মদ খাওয়া যেত দোকানে বসেই। পুলিশ থেকে আবগারি- সবাই সব জেনেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এখন চার জনের প্রাণ গেল।'' সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বিভিন্ন রাস্তার ধারের হোটেলগুলিতে মদ বিক্রি হলেও পুলিশ বা আবগারি দপ্তর থেকে কোনও অভিযান না হওয়ার কারণেই বেড়ে গিয়েছে এই অবৈধ মদ বিক্রির প্রবণতা। যদিও পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন বলেন, ''অবৈধ চোলাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান করা হয় না বলে যে অভিযোগ উঠেছে সেটা সঠিক নয়। পুলিশি অভিযান ধারাবাহিক ভাবেই হয়।'' অন্য দিকে, আবগারি দপ্তরের এক আধিকারিকের দাবি, পর্যাপ্ত পরিমাণ কর্মী না থাকার কারণেই তাঁরা অভিযান চালাতে পারেন না। নজরদারি কমে যাওয়ার জেরেই কিছু হোটেলে অবৈধ মদের কারবার বেড়েছে। আবগারি দপ্তরের সুপার এনায়েত রাব্বি বলেন, ''কর্মী কম থাকলেও আমরা পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে অভিযান চালিয়েছি। বহু কেস করা হয়েছে মদের কারবারিদের বিরুদ্ধে। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই পড়ে।'' জি টি রোডের কলেজ মাঠ এলাকার হোটেল মালিক গণেশ পাসোয়ান বলেন, ''আমি দীর্ঘ দিন ব্যবসা করছি। মদ কিনে এনে বিক্রি করি। কোনওদিন কিছু হয়নি। হোটেল আমিই চালাই। কীভাবে কী হয়েছে বুঝতে পারছি না। আমার নিজেরই শরীর খারাপ থাকায় আমি বৃহস্পতিবার রাতেই নার্সিং হোমে ভর্তি হয়েছি।'' লক্ষ্মীপুর মাঠের অনেকেই তাঁর দোকানে বসে মদ খান। তাঁদের মধ্যেই একজন শেখ সবুজ বলেন, ''হোটেলে এক বোতল দেশি মদ 'ক্যাপ্টেন'-এর দাম ১২০ টাকা। ৬০০ এমএল থাকে। গণেশ এই বোতল থেকে প্রতি গ্লাস ৩০ টাকায় বিক্রি করত। একটা বোতল থেকে ছয় গ্লাস হয়। পরে এক বোতল মদের সঙ্গে আরও ৬০০ এমএল জল মিশিয়ে সেখানে নেশার ওষুধ মেশানো হতো। এতে লাভটা অনেক বেশি। মদের সঙ্গে নেশার ওষুধ মেশাতে গিয়ে কোনও গন্ডগোলেই ওদের মৃত্যু হয়েছে। এর আগেও গণেশকে ধরেছে পুলিশ। দেখবেন আবারও একই কারবার চালাবে।'' এ প্রসঙ্গে আবগারি দপ্তরের সুপার বলেন, ''ওই হোটেল মালিককে আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সেটা ঠিকই। এবারও অবৈধ ভাবে মদ বিক্রির জন্য তাঁর বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব। বাকিটা সময় বলবে।'' যদিও বৃহস্পতিবার রাতেই মেমারি থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে অবৈধ চোলাই মদের কারবারে জড়িত থাকায় আট জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে। ধৃতদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/vR9YShC
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment