বরিস সরকারের সংকট বাড়ল! ইস্তফা দিলেন অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনক ও স্বাস্থ্য সচিব https://ift.tt/B4FRrtA - MAS News bengali

বরিস সরকারের সংকট বাড়ল! ইস্তফা দিলেন অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনক ও স্বাস্থ্য সচিব https://ift.tt/B4FRrtA

ব্রিটেনের বরিস সরকারের (Boris Government) সংকট আরও বাড়ছে! কয়েক মিনিটের ব্যবধানে এক মন্ত্রী সহ ইস্তফা দিলেন ২ জন। অর্থমন্ত্রী () এবং স্বাস্থ্য সচিব () মঙ্গলবার পদত্যাগ করলেন। দুজনেরই দাবি, বরিস জনসনের উপর তাঁরা আস্থা হারিয়েছেন। সরকারের থেকে জনগণ যে প্রত্যাশা দাবি করে, সেটা বরিস জনসনের সরকার দিতে অসমর্থ বলেও পরোক্ষে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন ঋষি সুনক। একইভাবে সাজিদ জাভিদ টুইটারে জানিয়েছেন, "সাংসদ থেকে জনগণ জনসনের সরকারের প্রতি ভরসা হারিয়েছে।" এঁদের এই মন্তব্য এবং একসঙ্গে পদত্যাগের ঘটনা যে পর বরিস জনসনের উদ্বেগ বাড়াল এবং তাঁর পক্ষে সরকার টিকিয়ে রাখা যে আরও দুরূহ করে উঠল, তা বলা বাহুল্য। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak) তাঁর মন্ত্রিত্ব পদে ইস্তফা দেওয়ার পরই তাঁর পদত্যাগপত্র টুইটারে পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, "সরকার সঠিকভাবে দক্ষতার সঙ্গে, ন্যায়সঙ্গতভাবে ও গুরুত্ব সহকারে প্রশাসন চালাবে, এটা আশা করার অধিকার জনগণের আছে। আমি জানি, এটা আমার শেষ মন্ত্রী পদ হতে পারে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি যে, এই মানগুলির জন্য লড়াই করা জরুরি এবং সেজন্যই আমি পদত্যাগ করছি।" অন্যদিকে, পাকিস্তান বংশোদ্ভূত সাজিদ জাভিদও (Sajid Javid) বরিস সরকারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইস্তফা দিয়েছেন। টুইটারে তিনি লিখেছেন, "একাধিক দুর্নীতির পর জনসন সরকার জাতীয় স্বার্থে শাসন করার জন্য জনগণের আস্থা হারিয়েছেন। জাভিদের আরও মন্তব্য সঠিক নীতির সঙ্গে তিনি চলতে পারবেন না। বহু সাংসদ এবং জনগণ জনসনের সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন।" পদত্যাগপত্রে সরাসরি বরিস জনসনের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাজিদ জাভিদ (Sajid Javid) লিখেছেন, "আমি দুঃখিত এবং এটা আমার কাছে পরিষ্কার যে, আপনার নেতৃত্বে এই পরিস্থিতির বদল ঘটবে না এবং আপনি আমারও আত্মবিশ্বাস হারিয়েছেন।" প্রসঙ্গত, সম্প্রতি 'পার্টিগেট' বিতর্কের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতে বরিস জনসনের () বিরুদ্ধে মন্ত্রিসভায় সদস্য নিয়োগে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যৌন নিপীড়নে অভিযুক্তদের উচ্চপদে নিয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি দেশ চালাতে ব্যর্থ বলে প্রথম অভিযোগ তোলেন মন্ত্রিসভার সদস্য জেসি নরম্যান। ইতিমধ্যে লকডাউনের সময় সরকারি বাসভবনে পার্টি করার অভিযোগও উঠেছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের (Boris Johnson) বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং জরিমানাও দিতে হয় বরিসকে। তারপর পার্টিগেট কেলেঙ্কারির জেরে অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে যান বরিস।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/2hg3mZw
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads