ভাড়া বাড়িতেই চলত অসামাজিক কাজ! খাগড়াগড়ে ভাড়াটিয়াদের তথ্য জোগাড়ে তৎপর পুলিশ https://ift.tt/ZQt0rpA - MAS News bengali

ভাড়া বাড়িতেই চলত অসামাজিক কাজ! খাগড়াগড়ে ভাড়াটিয়াদের তথ্য জোগাড়ে তৎপর পুলিশ https://ift.tt/ZQt0rpA

অস্ত্র কারখানা থেকে () তৈরির কারখানা। একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে খাগড়াগড়ের। সম্প্রতি সেধানে জালনোট তৈরির কারখানার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। আর এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভাড়াটিয়া তত্ত্ব (Tenant)। খাগড়াগড়ের মাঠ পাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতেই ছাপা হত ভারতীয় টাকা (Indian Currency)। এমনকী, ছাপা হত ডলারও। অনেক দিন ধরেই গোপন সূত্র থেকে বর্ধমান শহরে জাল নোট ছড়িয়ে পড়ার খবর পাচ্ছিল পুলিশ। এরপরই বৃহস্পতিবার বিকালে মাঠ পাড়া এলাকার এক বাড়িতে অভিযান চালায়। উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু রাসায়ানিক, ডলারের ডাইস, ভারতীয় ৫০০ টাকার জাল নোট ও নোটের সাইজের প্রচুর পরিমাণে কাগজ। এই ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। ভাড়া বাড়িতে সবার চোখের অগোচরেই এই কাজ করা হত বলে জানা গিয়েছে। আর এই ঘটনার সঙ্গেও ভাড়াটিয়াদের নাম জড়িয়ে পড়ায় সেখানে তৎপর পুলিশ প্রশাসন। ভাড়াটিয়া সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য দ্রুততার সঙ্গে থানায় জমা দেওয়ার জন্য মাইকিং করা হয় বর্ধমান () থানার তরফে। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল খাগড়াগড়। সেই সময় এই ঘটনার সঙ্গে উঠে আসে আর্ন্তজাতিক জঙ্গি যোগ। উদ্ধার হয়েছিল প্রচুর পরিমাণে বোমা,আইডি ও রাসায়নিক। তার ঠিক ৮ বছর পর ১৯ মে খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণ স্থল থেকে প্রায় ১ কিমি দূরত্বে উদ্ধার করা হল জাল নোটের কারখানা। ঘটনায় আবারও চিন্তা বাড়িয়েছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের। আবারও এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভাড়াটিয়া তত্ত্ব। এদিকে এলাকায় বাড়িভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে ভাড়াটিয়ার নথিপত্র থানায় জমা দেওয়ার জন্য পুলিশের তরফে গত কয়েকমাস ধরে প্রচার চালানো হয়েছে। অবশ্য এই ঘটনায় তা হয়েছে কী না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই নিয়ে সবার সচেতন হওয়া উচিত। এলাকায় নাগরিক কমিটি গড়ে তোলা উচিত। এভাবে বারবার এলাকার বদনাম হওয়াতে তাঁরা আশঙ্কায় রয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, সাধারণত এই এলাকায় ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায় ভাড়া বাড়ি পাওয়া যায়। কিন্তু, জালনোটের কারখানা যে বাড়ি থেকে চালানো হত তা ভাড়া নেওয়া হয়েছিল ২৪ থেকে ২৫ হাজার টাকায়। আর সেখান থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিকে ভাড়াটিয়া তত্ত্ব প্রকাশ্যে আসার পরই ভাড়াটিয়া সম্পর্কিত তথ্য দ্রুততার সঙ্গে থানায় জমা দেওয়ার জন্য মাইকিং করা হল বর্ধমান থানার তরফে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণ থেকে জালনোটের কারবার প্রতিবারই উঠে এসেছে ভাড়াটিয়া তত্ত্ব। ভাড়াটিয়াদের জন্য এলাকায় বদনাম ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়দের। তাঁদের অভিযোগ, নাম ও তথ্য ভাঁড়িয়ে খাগড়াগড় এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিচ্ছে দুষ্কৃতীরা। আর সেখান থেকেই চালানো হচ্ছে অপরাধমূলক কাজকর্ম। এর ফলে এলাকার নাম বদনাম হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মানহানী হচ্ছে। অবশ্য ভাড়াটিয়া সম্পর্কিত তথ্য থানায় জমা নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে খুশি স্থানীয়রা। আর সোমবার বিকাল থেকেই বর্ধমান থানার পক্ষ থেকে খাগড়াগড় এলাকায় ভাড়াটিয়া সম্পর্কিত তথ্য থানায় জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক বলে মাইকিং করা হয়। জানা গিয়েছে, বর্ধমান থানায় ভাড়াটিয়া ও বাড়ির মালিকদের তথ্য সম্পর্কিত ফর্ম পাওয়া যাচ্ছে। সেই ফর্ম ফিলাপ করে থানা ও পৌরসভায় জমা দিতে বলা হচ্ছে এই প্রচারের মাধ্যমে। পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে ভাড়াটিয়াদের একাংশ। তাঁরা জানিয়েছেন পূর্বেও এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ধারাবাহিকভাবে করা হয়নি। তবে এরপর থেকে এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশাবাদী স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, ভাড়াটিয়াদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পুলিশের কাছে থাকলে এলাকায় পুলিশের তরফে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব হবে।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/bfJnDrm
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads