"দুর্নীতি থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা", ভিজিটর পদে বদল নিয়ে মন্তব্য শমীকের https://ift.tt/wFsfrjp - MAS News bengali

"দুর্নীতি থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা", ভিজিটর পদে বদল নিয়ে মন্তব্য শমীকের https://ift.tt/wFsfrjp

রাজ্যের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য () পদ থেকে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে সরানোর জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তাব এনেছে নবান্ন। সেই প্রস্তাবে রাজ্য মন্ত্রিসভায় সিলমোহর পড়ে গিয়েছে বলেও খবর। এবার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটর (Private University Visitor) পদ থেকেও তাঁকে সরানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, এবার থেকে রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটর (Private University Visitor) পদে বসবেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী (Higher Education Minister)। এনিয়ে রাজ্য সরকারকে একহাত নিলেন মুখপাত্র শমীক ভট্টাটার্য। তিনি বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস কেন্দ্রীয় সরকার ও ভারতীয় সংবিধানের পরম্পরার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। কারণ তৃণমূল মনে করে তারা স্বাধীন রাষ্ট্রের অধিবাসী, সেখানে অস্তিত্ব সজাগ করে দাঁড়িয়ে থাকা রাজ্যপাল ভবনটা তাদের কাছে বিশেষ চিন্তার কারণ। ওটা দেখলেই তাদের শরীরের মধ্যে বিশেষ রস নিঃসৃত হতে থাকে। তা থেকেই তারা এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। এগুলো কোনওটাই সংবিধানে গ্রাহ্য হবে না। শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তার থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি দূরে সরানোর জন্য প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যপালকে আক্রমণ করা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরুদ্ধে। এখানে শাসকের আইন প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে হতাশা থেকে বিচার ব্যবস্থাকে আক্রমণ করেছে।" হলদিয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রমিক সভা ছিল শনিবার। সভায় ভিড় ছিল একেবারে চোখে পড়ার মতো। আর সেই সভা থেকে শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে একাধিক বার্তা দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি দলবদলুদের নিয়েও মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এ প্রসঙ্গে শমীক বলেন, "২০১১ সালে বামেরা ব্রিগেড করেছিল। অতীতের সমস্ত রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছিল ওই জনপ্লাবন। উপস্থিতি দেখে কেউ কি মনে করেছিল ২০১১ সালে বাম সরকার চলে যাবে? আর তৃণমূলের জনসভায় লোক হতেই পারে, তবে লোকসংখ্যা যতই হোক না কেন শুভেন্দু অধিকারীর থেকে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদটা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।" এছাড়া হলদিয়ার সভা থেকে শুভেন্দুকে "দু কান কাটা ও অকৃজ্ঞ" বলে কটাক্ষ করেথেন অভিষেক। তিনি বলেন, "বলেছিল ২০১৯-এ BJP ফিনিশ, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তার জবাব দিয়েছিল। গণতন্ত্রের প্রাথমিক শর্ত হচ্ছে বিরোধিতার অধিকার। কারণে-অকারণে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করে তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস স্নায়ু রোগে ভুগছে। অসুখটার নাম হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী সিনড্রোম।"


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/FOcSjXT
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads