আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে পরিযায়ীদের দেহ! বাড়ছে উদ্বেগ https://ift.tt/NML6IVl - MAS News bengali

আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে পরিযায়ীদের দেহ! বাড়ছে উদ্বেগ https://ift.tt/NML6IVl

চাঁদি ফাটা রোদ্দুরে প্রাণ ওষ্ঠাগত মানুষের। তাপপ্রবাহের কবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না পরিযায়ী পাখিরাও ()। খোলা আকাশের নীচে দাঁড়ালেই ঝরে পড়ছে তাদের নিথর শরীর। একটা, দুটো নয়। এভাবে দীর্ঘ যাত্রাপথ শেষ করার আগেই প্রাণ যাচ্ছে হাজার হাজার পাখির! এমনটাই দাবি করেছেন পক্ষিপ্রেমীরা। ঘটনা ঘিরে রীতিমতো আলোড়ন তৈরি হয়েছে ভারতের (India) পশ্চিম গুজরাটে (Western Gujarat)। চলতি গরমের মরশুমে এমন অসংখ্য পাখির দেহ খুঁজে পেয়েছেন পক্ষীপ্রেমীরা। সূত্রের খবর, এর জন্য গ্রীষ্মের প্রবল দাবদাহকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, পরিযায়ী পাখিদের একটি নির্দিষ্ট রুট থাকে। বছরের নির্দিষ্ট সময় মূলত শীতের শুরুতেই শীতপ্রধান বিভিন্ন দেশ থেকে এই বিদেশি অতিথিরা ভারতে উড়ে আসে। এখানকার বিভিন্ন জলাভূমি এবং বনাঞ্চলে সাময়িক বাসা বাঁধে তারা। তারপর শীত ফুরোলেই নিজেদের সময় মতো একে একে ফিরে যায়। দীর্ঘ পথের ধকল সহ্য করতে সক্ষম বলেই এই পাখিরা অনায়াসে এক দেশ থেকে অন্য দেশ এবং অন্য মহাদেশেও পাড়ি জমাতে পাড়ে। তবে, তার জন্য উড়ানের মাঝে বিরতি দিতে হয় তাদের। প্রয়োজনে জল, খাবার খেতে হয়। পরিবেশবিদদের আশঙ্কা, জলবায়ুর আমূল পরিবর্তনের ফলে পৃথিবী যেভাবে উষ্ণ হচ্ছে, তাতে পরিযায়ী পাখিরাও আক্রান্ত হচ্ছে। এবছর অত্যধিক গরম এবং তাপপ্রবাহের জেরে গুজরাটের পশ্চিম অংশের পরিবেশ অত্যন্ত শুষ্ক এবং উষ্ণ হয়ে গিয়েছে। এতটা পরিবর্তন পরিযায়ীরাও সহ্য করতে পারছে না। দীর্ঘ পথে আশ্রয় নেওয়ার মতো গাছের ছায়া পাচ্ছে না তারা। নেই জল বা খাদ্যের জোগান। ফলে উড়তে উড়তেই ক্লান্ত হয়ে পড়ছে তারা। শরীরে জলের তীব্র অভাব তৈরি হওয়ায় আকাশ মাটিতে ঝরে পড়ছে একের এক পাখি। অত উঁচু থেকে নীচে পড়ে খোয়াতে হচ্ছে প্রাণ। গুজরাটের স্থানীয় পশু চিকিৎসকদের একাংশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় এই পাখিদের উদ্ধার করে তাদের চিকিৎসা শুরু করেছে। কিন্তু, অধিকাংশ পাখিকেই বাঁচানো যাচ্ছে না। আহমেদাবাদের একটি সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন, তাঁরা এবং তাঁদের পরিচিত অন্যান্য সংগঠনের সদস্যরা মিলিতভাবে অন্তত কয়েক হাজার পাখি উদ্ধার করেছেন। সবকটি পাখিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। প্রায় প্রতিদিনই আকাশ থেকে কাটা ঘুড়ির মতো পাখি ঝরে পড়ছে! এমনই একটি সংগঠনের সঙ্গ যুক্ত রয়েছেন মনোজ ভবসর। তিনি বলছেন, "এবছর আমাদের যে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হচ্ছে, সাম্প্রতিক অতীতে তেমনটা হয়েছে বলে মনে করতে পারছি না। প্রতি বছর গ্রীষ্মের মরশুমে আমরা যত পাখি উদ্ধার করি, এই বছর ইতিমধ্যেই তার থেকে অন্তত ১০ শতাংশ বেশি পাখি উদ্ধার করেছি। কিন্তু তাদের আমরা বাঁচাতে পারছি না।" উদ্ধার হওয়া পাখিদের প্রাণ বাঁচাতে খাবারের সঙ্গেই মাল্টি ভিটামিনের ট্যাবলেট খাওয়াচ্ছেন চিকিৎসকরা। শরীরে জলের অভাব দূর করতে সিরিঞ্জের সাহায্য়ে তাদের মুখে জল ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/EhGFWrk
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads