CBI-র আতসকাচে জাদুঘর? https://ift.tt/3DbNUdV - MAS News bengali

CBI-র আতসকাচে জাদুঘর? https://ift.tt/3DbNUdV

এই সময়: বড়সড় আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগে মামলায় জড়িয়ে বিড়ম্বনায় পড়ল কলকাতার ভারতীয় জাদুঘরের মতো দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। প্রায় ১০৯ কোটি টাকা কেলেঙ্কারির ইঙ্গিত মিলেছে ক্যাগের রিপোর্টেও। প্রাথমিক ভাবে অভিযোগে সত্যতার আঁচ পেয়ে তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারবে কি না, জানতে চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য, CBI তাদের বক্তব্য জানানোর পরেই আদালত পরবর্তী শুনানিতে নির্দেশ দেবে। পরবর্তী শুনানিতে CBI-র আইনজীবীকে সে জন্যে হাজির হয়ে বক্তব্য জানাতে হবে। শুধু আর্থিক নয়ছয়ই নয়, জাদুঘরের বহু দুষ্প্রাপ্য সামগ্রী পাচার হয়ে যাওয়া এবং নিয়োগে দুর্নীতিরও অভিযোগ করা হয়েছে এই মামলায়। কেন্দ্রীয় সরকার কয়েক বছর আগে কলকাতা জাদুঘরের সংস্কার ও দূষ্প্রাপ্য সামগ্রীর রক্ষণাবেক্ষণের জন্যে ১১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করে। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি হয় সে জন্যে। কিন্তু তার মধ্যে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। জনস্বার্থ মামলাকারীর তরফে আইনজীবী কুশল পাল ও সপ্তর্ষি দত্ত দাবি করেন, সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের নথিতেও ১০৯ কোটি টাকা নয়ছয়ের ইঙ্গিত রয়েছে। ক্যাগের রিপোর্টও নয়ছয়ের কথা রয়েছে। এরই সঙ্গে বহু দুষ্প্রাপ্য মূর্তি-সামগ্রী সংস্কারের নামে নষ্ট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। তার মধ্যে কিছু সামগ্রী বিদেশে পাচারের জন্যে সরানো হয়েছে বলেও আশঙ্কা মামলাকারীর। তাই CBI-কে দিয়ে তদন্তের আবেদন করা হয়। আবার জাদুঘরে কর্মী নিয়োগেও বড়সড় বেনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ। বরাদ্দ অর্থ খরচের ক্ষেত্রে জাদুঘরে সংশ্লিষ্ট কমিটিও কোনও নিয়ম মানেনি। এ ব্যাপারে ক্যাগের তৈরি রিপোর্ট গত বছর সংসদে জমা পড়ে। সরাসরি CBI তদন্তের নির্দেশ দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে মতামত জানতে চায় হাইকোর্ট। জাদুঘরের তরফে আইনজীবী সুবীর সান্ন্যাল এই মামলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কেন CBI নয়, সে ব্যাপারে আদালতে তিনি বক্তব্য পেশ করবেন বলেও জানান। বরাদ্দ টাকা খরচের ক্ষেত্রে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নিযুক্ত সায়ন ভট্টাচার্যকেও মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। তিনিও তাঁর বক্তব্য জানাতে চান আদালতে। কিন্তু আদালত CBI-র বক্তব্য জানতে আগ্রহী হলেও তাদের আইনজীবী হাজির না থাকায় আদালত আগামী শুনানিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কৌঁসুলিকে হাজির থাকার নির্দেশ দেয়। এখন ভারতীয় জাদুঘরের দায়িত্বে রয়েছেন ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ সায়েন্স মিউজিয়মের অধিকর্তা অরিজিৎ দত্ত চৌধুরী। বিপুল টাকা নয়ছয় এবং দুষ্প্রাপ্য সামগ্রী পাচারের মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'বিষয়টি বিচারাধীন। যা বলার সেটা মহামান্য আদালতের কাছেই পেশ করা হবে। এই বিষয়ে তার আগে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করতে রাজি নই।'


from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/3I7yrPE
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads