কলকাতার ব্যবসায়ী খুনে আদালতে আত্মসমর্পণ খুড়তুতো ভাইয়ের https://ift.tt/3ov8h0a - MAS News bengali

কলকাতার ব্যবসায়ী খুনে আদালতে আত্মসমর্পণ খুড়তুতো ভাইয়ের https://ift.tt/3ov8h0a

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতার বড়বাজারের ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডল খুনের ঘটনায় আদালতে আত্মসমর্পণ করল মূল অভিযুক্ত সোমনাথ মণ্ডল। মঙ্গলবার বর্ধমান আদালাতে আত্মসমর্পণ করে সে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমনাথ সম্পর্কে সব্যসাচীর খুড়তুতো ভাই। সোমনাথই ৫০ লাখ টাকা দিয়ে সব্যসাচীকে খুনের জন্য সুপারি কিলার নিয়োগ করেছিল। এর আগেই পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছিল। বিশেষত সুপারি কিলার জানিশার আলম ওরফে রিকি ধরা পড়ার পর সে কথা জানা গিয়েছিল রিকির স্বীকারোক্তিতে। গত ২২ অক্টোবর পূর্ব বর্ধমানের রায়নার দরিয়াপুরে নিজের গ্রামের বাড়িতে পিকনিক করতে গিয়েছিলেন সব্যসাচী। ওই রাতেই নৃশংসভাবে খুন হন ওই ব্যবসায়ী। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন সোমনাথ সুপারি কিলারদের গ্রামের বাড়ি চিনিয়ে দেয়। তারপর ফিরে যায় কলকাতায়। জেরায় রিকি এ সব কথা স্বীকার করার পরই পুলিশ সোমনাথের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, একটি চার চাকা গাড়ির পাশাপাশি ঘটনার দিন বর্ধমানের বাড়িতে গিয়েছিল একটি মোটর বাইকও। আরোহী ছিল দুজন। সেই মোটর বাইকটিও ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজের সূত্র ধরে পুলিশ মোটর বাইকের নম্বর থেকে তার মালিকের ও অপর আরোহীর খোঁজ পায়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে ওই মোটর বাইকে চড়েই তাঁর বন্ধু সোমনাথ মণ্ডল রায়নার দরিয়াপুরের বাড়িতে গিয়েছিল। সেখানে একটি চার চাকা গাড়িতে থাকা ৬ জনের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথাও বলে। তারপর থেকেই সোমনাথকে ধরার জন্য পুলিশ লুকআউট নেটিশ জারি করে। পাশাপাশি তার খোঁজে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশিও শুরু হয়। পুলিশের অনুমান চাপে পড়েই শেষ পর্যন্ত বর্ধমান আদালতে আত্মসমর্পণ করে সোমনাথ। পুলিশ প্রথম থেকেই অনুমান করেছিল শত্রুতার জেরে খুন হতে হয়েছে সব্যসাচীকে। সে ক্ষেত্রে বড় বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীদের এককাট্টা করা নিয়ে একটি বিবাদের সন্ধান পাওয়া যায়। আবার পারিবারিক শত্রুতার বিষয়টি তারা অনুমান করছিলেন। খুনের পরই সব্যসাচীবাবুর বাবা দেবকুমার মণ্ডলও ছেলেকে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। তিনিই সব্যসাচীর কাকা গৌরহরি মণ্ডল এবং খুড়তুতো ভাই দীনবন্ধু ও সোমনাথের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগও দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ পরিবারের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সবসাচীবাবুর গাড়িচালক, দেহরক্ষী ও রাঁধুনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও পুলিশ একাধিক তথ্য পেয়েছিল। পাশাপাশি রায়না-জামালপুর রাস্তার কাড়ালাঘাট ও পালসিট টোলে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে বেশ কয়েকজনের সন্দেহভাজন গতিবিধি পুলিসের চোখে পড়ে। সেই ফুটেজের সঙ্গে খুনের লিঙ্ক খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। গত ২২ অক্টোবর রায়নার গ্রামের বাড়ি আসার ব্যাপারে সব্যসাচীবাবুর ঘনিষ্ঠ মহল ও কয়েকজন বাড়ির সদস্য ছাড়া তেমন কেউ জানতেন না। সেক্ষেত্রে এই আসার পরিকল্পনা কীভাবে আততায়ীরা জানল? আগে থেকে তারা জেনে, কীভাবে রেইকি করে গেল, তারও উত্তর খুঁজছে পুলিস। তাই খুব কাছের কেউ এইখুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে মনে করছে পুলিস। যদিও এ দিন আদালতে সোমনাথের আইনজীবী মহম্মদ রাজেশ শেখ বলেন, ‘আমার মক্কেল সোমনাথকে ফাঁসনো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সোমনাথ কোনও রকম ভাবেই যুক্ত নয়।’


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/30FqqAp
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads