ভোরে উঠতে সমস্যা? সকালে ঘুম ভাঙবে এই অভ্যাসে! জানুন https://ift.tt/3Dehno8 - MAS News bengali

ভোরে উঠতে সমস্যা? সকালে ঘুম ভাঙবে এই অভ্যাসে! জানুন https://ift.tt/3Dehno8

এই সময় জীবনাপন ডেস্কঃ আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁরা ঠিক মনেই করে উঠতে পারবেন না যে শেষ কবে সকালের সূর্য দেখেছেন! সাধারণত নতুন জেনারেশনের মধ্যেই এই প্রবণতা বেশি। রাত জাগাটা নয়া প্রজন্মের কাছে ফ্যাশান সম। যত কাজ যেন রাতেই শুরু। আর শেষও করতে হবে রাতে। আর যখন ভোরের কোকিল ডাকতে শুরু করেছে, জাগছে পৃথিবী, ঠিক তখনই এই মানুষগুলি ঘুমাতে যাচ্ছেন। তারপর ঘুম ভাঙতে ভাঙতে গড়িয়ে যাচ্ছে বেলা। এই হল রোজকার কাহিনি। যদিও সত্যি বলতে, এমন অভ্যাস কিন্ত শরীরের ক্ষতি বই ভালো করছে না। তাই অচিরেই বদলে ফেলতে হবে এই রুটিন। গোটা পৃথিবীর অন্যান্য চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাশাপাশি প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদও সেই কথাই বলছে। শান্তির ঘুম চাই ঘুমকে অবহেলা করা মহাপাপ। ঘুমের মধ্যে শরীর নিজেকে রিফ্রেশ করে নেয়। সব ধকল কাটিয়ে, মেরামতি করে শরীরকে সারিয়ে নেয়। তারপরই আমাদের শরীর পরের দিনের জন্য তৈরি হয়। আমরা ঠিকভাবে কাজ করতে পারি। কোনও কাজে মনোযোগ দিতে পারি। আর ঘুম যদি না হয়, তবে আমাদের শরীর নিজের মেরামতি করতে পারবে না। মিলবে না পর্যাপ্ত বিশ্রাম। তার প্রতিফলন দেখা যাবে কাজকর্মেও। কোনও কাজে মন বসবে না, কাজ ভালো মতো হবে না। আর ঘুমের ঘাটতি যদি প্রতিদিন হতে থাকে তবে শরীরে নানান রোগ যেমন সুগার, প্রেশার, হার্টের অসুখ ইত্যাদি বাসা বাঁধাবে। তাই দিনে অন্তত পক্ষে ৭ ঘণ্টা শান্তির ঘুম চাই। কখন ঘুম? এবার রাত জাগা মানুষগুলি বলতেই পারেন, আমি তো প্রতিদিনই ৭ ঘণ্টার বেশি সময় ঘুমাই। তবে সমস্যা কোথায়? আরে সমস্যা আছে মশাই। আমাদের শরীরের ভিতরেও একটা প্রকৃতি প্রদত্ত ঘড়ি রয়েছে। এই ঘড়িটি অবিরাম চলে। আর এই ঘড়ি অনুযায়ী, আমরা রাতে ঘুমাই, সকালে জেগে থাকি। এবার আপনি রাতে জেগে সকালে ঘুমালে এই ঘড়ির সময়ে অদলবদল হয়ে যায়। তখন দেহের ভিতরের নানান প্রক্রিয়াও ঘেঁটে যায়। তৈরি হয় শারীরিক ও মানসিক সমস্যা। তাই রাত জাগা উচিত নয়। বরং রাতে শুয়ে সকাল সকাল উঠতে পারলে শরীর একদম সুস্থ থাকে। আয়ুর্বেদ বলছে, রাত ১০টার আগে ঘুমাতে চলে যাওয়াই শরীরের পক্ষে শ্রেয়। অপরদিকে ভোর ভোর থাকতে, অর্থাৎ সকাল ৬টার আগে ঘুম থেকে উঠে পড়া উচিত। এবার প্রশ্ন হল, এতদিনের এই অভ্যেস কাটিয়ে সকালে ওঠা সম্ভব হবে কীভাবে? চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। সেই রাস্তার সন্ধান দিতেই এই লেখা। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই পদ্ধতিগুলি সম্বন্ধে ঘুমের উপযোগী খাবার খান রাতে ঘুমাতে যাওয়ার মোটামুটি ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে ফেললে ভালো হয়। রাতের খাবার খেতে হবে কম মশলাযুক্ত, অল্প গরম অবস্থায়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঈষদুষ্ণ দুধ পান করতে পারলে ভালো ঘুম আসবে এবং সকালেও উঠে পড়া যাবে। বন্ধ করে দিন ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র ভালো ঘুম পেতে একটু কষ্ট করতেই হবে। তাই ঘুমানোর ঘণ্টাখানেক আগেই বন্ধ করুন সব গ্য়াজেট। আপনার সাধের মোবাইলটিকেও রেস্ট দিন। টিভির দিকেও আর চোখ রাখা চলবে না। ঘরের লাইট নিভিয়ে দিন। এই আবহাওয়া ঘুমের জন্য আদর্শ। সঠিক মানসিকতা তৈরি করুন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলছেন, ভালো ঘুমের জন্য ভালো মানসিকতা প্রয়োজন। আয়ুর্বেদিক মতাদর্শ অনুযায়ী, প্রতিটি রাতে ঘুমানোর সময় আমাদের ৩ থেকে ৪টি ভালো বিষয় সম্পর্কে ভাবতে হবে। এমন বিষয়ে ভাবুন, যার জন্য আপনি জীবনের কাছে কৃতজ্ঞ। এই সম্পৃক্ত চিন্তাই আপনার শান্তির ঘুমের ব্যবস্থা করে দেবে। আর আপনি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে সকালে ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে উঠতে পারবেন। দেখবেন জগৎটা বদল গিয়েছে, বদলে গিয়েছে জীবন।


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/30l7Wom
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads