‘কালসাপ দেখব, বিষ দাঁত ভাঙব’, 'গদ্দার'-দের হুঁশিয়ারি সায়ন্তিকার https://ift.tt/3ChGMMi - MAS News bengali

‘কালসাপ দেখব, বিষ দাঁত ভাঙব’, 'গদ্দার'-দের হুঁশিয়ারি সায়ন্তিকার https://ift.tt/3ChGMMi

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ‘দুষ্টু গোরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো’। ‘দলবদলু’দের সম্পর্কে এই ভাষাতেই কড়া বার্তা দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে বাঁকুড়ায় একুশের ভুল সংশোধন করে আসন্ন পুরভোটে জয় ছিনিয়ে আনারও বার্তা দেন তিনি। জানা গিয়েছে, রবিবার বিষ্ণুপুর শহরের যদুভট্ট মঞ্চে বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী ছিল। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলের ভিতরে থেকে গদ্দারি চলবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'দুষ্টু গোরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। অন্য দলে থাকো আর হারো এবং ফুটে যাও। ওটাই তোমাদের ভবিষ্যৎ।' একইসঙ্গে পুরসভা ভোটের আগে দলের গদ্দারদের হটিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে বাঁকুড়ার তারকা-নেত্রী বলেন, ‘কালসাপ দেখব, সাপুড়ে ডাকব আর বিষ দাঁত ভাঙব।’ পরে তাদের দল থেকে 'হটিয়ে দেওয়া'র হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সায়ন্তিকা বলেন, নিজেদের ভুল সংশোধন করে পুরভোটে 'ম্যাক্সিমাম টু ম্যাক্সিমাম' জায়গায় জয় ছিনিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য। জয়ের লক্ষ্যে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনার সঙ্গে এক হয়ে সকলকে কাজ করতে হবে বলেও তিনি জানান। এদিনের বিজয়া সম্মিলনীতে বড়জোড়ার বিধায়ক অলোক মুখার্জী, রানিগঞ্জের বিধায়ক তথা খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ সহ অন্যান্য বিধায়ক, বিষ্ণুপুর পুরসভার প্রশাসক অর্চিতা বিদ, দলের রাজ্য সহ-সভাপতি শুভাশিস বটব্যাল সহ তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার ১২টি আসনের মধ্যে BJP ৮টি এবং তৃণমূল ৪টি আসন পেয়েছে। তাই আসন্ন পুরভোটে যাতে ওই ফলের পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য এখন থেকেই ময়দানে সেজন্য এখন থেকেই ময়দানে নামলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া ‘দলবদলু’ সম্পর্কে তিনি যে বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষকেই ইঙ্গিত করছেন তা বলা বাহুল্য। তন্ময় ঘোষ তৃণমূলে থাকলেও ভোটের টিকিট না পাওয়ায় নির্বাচনের মুখে পদ্ম-শিবিরে যোগ দেন। তারপর BJP-র টিকিটে তিনি বিষ্ণুপুর কেন্দ্র থেকে জিতলেও সম্প্রতি তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেন। সাংগঠনিক নেতা হিসাবে তন্ময় ঘোষের যথেষ্ট প্রভাব ছিল এলাকায়। ফলে ভোটের মুখে এই ধরনের নেতার দল বদলের ফলে যে জনমানসে বড় প্রভাব পড়ে তা বিধানসভা ভোটের ফলেই স্পষ্ট। তাই পুরভোটে যাতে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্যই এখনও যারা দলের ভিতরে গদ্দার রয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3opYpEZ
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads