ভাড়া না বাড়ালে বাস চলবে না, চরম ভোগান্তির আশঙ্কা https://ift.tt/2Rp6nlb - MAS News bengali

ভাড়া না বাড়ালে বাস চলবে না, চরম ভোগান্তির আশঙ্কা https://ift.tt/2Rp6nlb

এই সময়: জেলার পর এবার মহানগরেও পোস্টার পড়ল বাসমালিকদের। বয়ান স্পষ্ট - ডিজেল-সহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে বাসের ভাড়া না-বাড়ালে আত্মশাসনের পরবর্তী অধ্যায়ে ক্রমশ গণপরিবহণ চালু হলেও যাত্রী পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয়। তাতে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়লেও কিছু করার নেই। বাসমালিকদের দুই সংগঠন অল বেঙ্গল বাস-মিনি সমন্বয় সমিতি এবং সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্য, রাজ্য সরকার যদি বেসরকারি বাসের ভাড়াবৃদ্ধি নিয়ে অবিলম্বে কোনও সিদ্ধান্তে না আসে, তবে শহরের রাজপথ থেকে এক-তৃতীয়াংশ বেসরকারি বাসই লোপাট হয়ে যাবে। চরম অর্থাভাবে ভুগতে থাকা বাসমালিকরা বাধ্য হবেন শহরের উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ ভাগের প্রায় ৩০টি রুটে ৫০% বা তারও বেশি বাস বন্ধ করে দিতে। কেন এমন কঠিন সিদ্ধান্ত? সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসের সাধারণ সম্পাদক টিটো সাহা বলছেন, 'আমরা কিন্তু প্রশাসনকে কোনও হুমকি বা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি না। আমাদের অবস্থাটা জানাচ্ছি। গত দেড় বছর ধরে যে পরিস্থিতি চলছে, তার পর আমাদের অবস্থা ভিখারিদের মতো হয়ে গিয়েছে। আমরা সত্যিই অক্ষম।' অল বেঙ্গল বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির রাহুল চট্টোপাধ্যায়ের মতে, '২০২০-র মার্চে যখন প্রথম লকডাউন হয় তার আগে পর্যন্ত আমরা ভালো ভাবে ব্যবসা করেছি। তাই ওই সময় অবস্থা এতটা কঠিন ছিল না। এবার আমাদের অবস্থা খুবই কঠিন।' অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার জন্যই প্রথমে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বাসমালিকদের সংগঠনগুলি জেলাশাসকদের দপ্তরে চিঠি দিয়ে নতুন করে আর বাস না চালানোর কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন। এবার সেই পথেই হাঁটলেন শহরের বাসমালিকরাও। দুই সংগঠনের দাবি, শহরের অন্তত ৩০টি রুটে প্রায় দেড় হাজারের কাছাকাছি বাস অর্থাভাবে চালানো যাবে না বলে জানিয়েছেন ওই বাসের মালিকরা। তবে ভাড়া না-বাড়ালে বাস বন্ধ রাখার যে পোস্টার পড়ছে, তাকে অনৈতিক এবং গাজোয়ারি বলে দাবি করছেন বাসযাত্রী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলছেন, 'আনলক পর্যায়ে যখন বাস চালু হয়েছিল, সেই সময় বেসরকারি বাসে ভাড়ার কোনও মা-বাপ ছিল না। কন্ডাক্টররা যেমন-তেমন ভাড়া চেয়েছেন। টিকিট দেননি। এবার সেই গা-জোয়ারিতে সরকারি সিলমোহর চাইছেন ভাড়া বাড়িয়ে। মনে রাখতে হবে সাধারণ মানুষেরও রোজগার কমেছে। ভাড়া না বাড়ালে বাস চালাব না - এটা মস্তানি ছাড়া কিছু নয়। সাধারণ মানুষ তো সব দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসন এই বিষয়টা যেন ভুলে না যান।' ব্যস্ত বাসরুটে সম্ভাব্য প্রভাব * রুট ৪৪ হাওড়া-বাগুইআটি: ৭০-এর মধ্যে চলবে না ৫০ * রুট ২২৩ বিটি কলেজ-গল্ফ গ্রিন: ৩৫ বাসের কিছুই চলবে না * রুট ২৫৯ হাওড়া-আক্রা বাজার: ৫০-এর মধ্যে চলবে না ৩৫ * রুট ৪৩ দক্ষিণেশ্বর-বাবুঘাট: ৩০টি বাসের কিছুই চলবে না * রুট ২১৭ নারায়ণপুর-বাবুঘাট: ৫০-এর মধ্যে চলবে না ৩৫ * রুট ২১১ নিউটাউন-আড়িয়াদহ: ৯০-এর মধ্যে চলবে না ৭০


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3x4h8J3
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads