এদিনই জন্মেছিলেন শ্রীরামচন্দ্র, সুখ সমৃদ্ধি পেতে জেনে নিন রাম নবমীর পুজোবিধি https://ift.tt/3n6yIbn - MAS News bengali

এদিনই জন্মেছিলেন শ্রীরামচন্দ্র, সুখ সমৃদ্ধি পেতে জেনে নিন রাম নবমীর পুজোবিধি https://ift.tt/3n6yIbn

এই সময় অ্যাস্ট্রো ডেস্ক: চৈত্র শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে পালিত হয় রাম নবমী। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে এদিনই জন্মগ্রহণ করেন শ্রীরামচন্দ্র। চৈত্র নবরাত্রির শেষ দিনে রাম নবমী পালিত হয়। বাঙালিরা এই সময় যে বাসন্তী পুজো পালন করেন, রাম নবমী হল বাসন্তী পুজোর নবমী। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে রাম শ্রীবিষ্ণুর অবতার। রামচন্দ্র বিষ্ণুর সপ্তম অবতার ছিলেন বলে মনে করা হয়। ত্রেতা যুগে অযোধ্যার রাজা দশরথ ও রানি কৌশল্যার পুত্র হিসেবে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মর্যাদা পুরুষোত্তম হিসেবেও খ্যাত। বিশ্বাস করা হয়, রামের জন্ম হয়েছিল দুপুর বারোটার পরে। তাই যাঁরা উপবাস পালন করে এই দিন মর্যাদা পুরুষোত্তমের আরাধনা করবেন, তাঁদের তা করতে হবে ২১ এপ্রিল সকাল ১১টা ০২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটের মধ্যে- পূজা দেওয়ার এটিই প্রকৃষ্ট সময়। দিনের এই সময়েই মূলত জপ এবং বিশেষ পুজো করা হয়। রামায়ণ অনুসারে, সূর্যবংশীয় রাজা দশরথের তিন মহিষী ছিলেন কৌশল্যা, কৈকেয়ী এবং সুমিত্রা। কিন্তু তাঁর কোনও সন্তান ছিল না। একদা বর্ষার রাতে শিকারে বেরিয়ে সরযূ নদীর তীরে একটি শব্দ শুনে তাঁর মনে হয় যে কোনও পশু জল পান করছে। রাজা দশরথ শব্দবেধী বাণ ছুঁড়ে আর্তনাদ শোনার পর বুঝতে পারেন যে তিনি নরহত্যা করেছেন! সেই শিকার ছিলেন অন্ধ পিতামাতার একমাত্র অবলম্বন শ্রবণমুনি। পুত্রের মৃত্যুতে শোকগ্রস্ত ঋষি শাপ দেন দশরথকে যে তাঁরও পুত্রসুখ লাভ হবে না! দশরথকে এই অপুত্রক দশা থেকে উদ্ধার করেন ঋষ্যশৃঙ্গ ঋষি। তিনি পুত্রেষ্টি যজ্ঞ করলে এক দেবপুরুষ অগ্নি থেকে আবির্ভূত হয়ে চরুপাত্র রাজার হাতে তুলে দেন। দশরথ তা দুই ভাগে বন্টন করেন কৌশল্যা এবং কৈকেয়ীর মধ্যে। এই দুই মহিষী নিজেদের ভাগ থেকে আবার অর্ধেকটা দেন সুমিত্রাকে। কালক্রমে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের মধ্যাহ্নে কৌশল্যার গর্ভে রাম, কৈকেয়ীর গর্ভে ভরত, সুমিত্রার গর্ভে লক্ষ্মণ এবং শত্রুঘ্ন জন্মগ্রহণ করেন। এর মধ্যে পূর্ণাবতার এবং জ্যেষ্ঠ হওয়ার কারণে রামের নামে তিথিটি রামনবমী বলে পরিচিত। বাঙালিদের মধ্যে রাম নবমী পালনের প্রথা খুব একটা না থাকলেও উত্তর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে রাম নবমী অত্যন্ত বিশেষ ভাবে পালিত হয়। ভোরবেলা স্নান সেরে পুজো অর্চনা করে দিন কাটানো হয়। এদিনটা উপবাস রাখাই নিয়ম। অনেক জায়গায় ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের রাম, লক্ষণ, সীতা সাজিয়ে রথে বসিয়ে শহর পরিক্রমা করা হয়। রামচন্দ্রের ছবি বা মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে ক্ষীর নিবেদন করার প্রথা প্রচলিত। অনেকে এদিন দরিদ্রদের খাবার ও বস্ত্র দান করেন। অনেক জায়গায় এদিন কন্যা পুজোরও রীতি রয়েছে। কন্যা পুজো উপলক্ষ্যে নয় জন বালিকাকে নিমন্ত্রণ করে তাঁদের পুজো করা হয়। এই নয় বালিকা নয় জন দেবীর রূপ বলে মনে করা হয়। হালুয়া ও পুরির প্রসাদ নিবেদন করা হয় এই নয় বালিকাকে। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3aq1MWa
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads