তাম্রলিপ্তে অধ্যাপককে চাপে ফেলছেন চিকিৎসক, জোর লড়াই https://ift.tt/3tEzL4v - MAS News bengali

তাম্রলিপ্তে অধ্যাপককে চাপে ফেলছেন চিকিৎসক, জোর লড়াই https://ift.tt/3tEzL4v

শীর্ষেন্দু দেবনাথ, এই সময় ডিজিটাল এক্সক্লুসিভ অধ্যাপককে চাপে ফেলতে আসরে নেমেছেন ডাক্তারবাবু। তমলুক বিধানসভায় এবার লড়াই ডাক্তার আর অধ্যাপকের। অন্তত তমলুকজুড়ে এমনই এই চর্চা। পেশায় চিকিৎসক স্বচ্ছ ভাবমূর্তির BJP প্রার্থীহরেকৃষ্ণ বেরা অধ্যাপক সৌমেন মহাপাত্রকে ভালো রকমের বেগ দিচ্ছেন। তমলুক বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটারদের সঙ্গে কথা বললেই এমনটা ঠাহর করা যাচ্ছে। অনেকে চিকিৎসককে এগিয়েও রাখছেন। যদিও বসে নেই সৌমেন মহাপাত্র। আসন দখলে সকাল থেকে রাত ছুটে চলেছেন। তৃণমূল কর্মীরাও মানছেন, BJP প্রার্থী যথেষ্টই ভালো। তবে দলের আদি-নব্য দ্বন্দ্বে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যেতে দেতেন পারেন তিনি। তমলুকজুড়ে যদিও চোখে বেশি পড়ছে তৃণমূলের পতাকা, ফেস্টুন। সেই হিসেবে এগিয়ে তারাই। কিন্তু, সে কথা মানতে নারাজ BJP। তমলুক বিধানসভা কেন্দ্রের BJP প্রার্থী করা হয়েছে দলের জেলা সহ সভাপতি হরেকৃষ্ণ বেরাকে। এখনও শোনা যাচ্ছে, এই আসনে টিকিট প্রত্যাশী ছিলেন অনেকেই । শেষমেশ দল ওই চিকিৎসকের উপর ভরসা রাখে। কিন্তু, দলের এই সিদ্ধান্তে একমত হতে পারেননি অনেকে। ফলে এই কাঁটা রয়ে গিয়েছে এখনও। এদিকে ১৯৯৮ সালে তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই রয়েছেন সৌমেন। তিনি ছিলেন তৃণমূলের অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার সভাপতি। ২০০১ সালে প্রথমবারের বিধায়ক হন তিনি। ২০১১ সালে সৌমেনবাবু তমলুক বিধানসভা থেকে জয়ী হয়েছিলেন। তারপর ২০১৬ সালে পিংলা বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন। ১০ বছর পর এবার সৌমেনবাবু ফের তমলুক বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী। বিধানসভা ভোটের আগে দল তাঁকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতিও করেছেন। ফলে সৌমেনবাবুর নিজের জেতার সঙ্গে সঙ্গে দলকেও জেতানো তাঁর ‘মিশন’। তবে সাধারণ মানুষের সবেধন নীলমণি চিকিৎসক তাঁকে বেশ ভালোই চাপে রেখেছে। সৌমেনবাবু মানছেন, ‘চিকিৎসক হিসেবে BJP প্রার্থী ভালো। তবে চিকিৎসক হয়ে তিনি কতটা জনসেবায় থেকেছেন, মানুষ কিন্তু তাও বিচার করবে। হরেকৃষ্ণ বেরার কথায়, ‘তৃণমূল প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা তমলুকে শূন্য। পেশা তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয়। তিনি জনপ্রতিনিধি হয়ে কী কাজ করছেন, সেটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর সংযোজন, ‘আমি চিকিৎসকের পাশাপাশি অধ্যাপকও। আমি একটা কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসরও। ৩০ বছর ধরে আমি চিকিৎসক। সে নিরিখেও আমিই এগিয়ে।’ অন্যদিকে সৌমেন মহাপাত্রর কথায়, ‘আমিও তো অধ্যাপক। ছাত্র পড়াতে পারতাম। কিন্তু, রাজনীতির মাধ্যমেই মানুষের পাশে থেকেছি। চিকিৎসক অধ্যাপককে কতটা চাপে ফেলবে?’ সৌমেনবাবুর উত্তর, ‘আমি যে দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি, তাদের যে কাজ রয়েছে তাতে আমি কোনও চাপ অনুভব করছি না।’ টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3cWPrt0
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads