এবার ভোটে নজরদারি থাকবে টুইটারেও https://ift.tt/3eMfZzI - MAS News bengali

এবার ভোটে নজরদারি থাকবে টুইটারেও https://ift.tt/3eMfZzI

এই সময়: আমেরিকার নির্বাচনের সময় শুরুটা হয়েছিল। এবার সেই পথে ভারতেও এগোল টুইটার ()। নির্বাচনের সময় তাদের প্ল্যাটফর্মে ভুয়ো খবর, বিভ্রান্তিমূলক দাবি, মিথ্যে কথা ঠেকাতে একাধিক ব্যবস্থার কথা জানানো হলো সংস্থার তরফে। টুইটারের তরফে সোমবার জানানো হয়েছে, ভারতের পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের নিরিখে 'প্রি-বাঙ্কস' ও 'ডি-বাঙ্কস' শুরু করছে টুইটার। সংস্থার বক্তব্য, প্রি-বাঙ্কসের মাধ্যমে ভুল তথ্য আটকাবে তারা। এর ব্যবহার হবে গণহারে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে টুইটার সঠিক তথ্য পৌঁছে দেবে ইউজারদের। এর চাইতে একটু কড়া পদক্ষেপের বিষয় ডি-বাঙ্কস। তার মাধ্যমে কেস টু কেস টুইট দেখে তা উড়িয়ে দেওয়া হবে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যবহাকারীকে সতর্ক করা হবে। প্রয়োজনে অ্যাকাউন্ট বন্ধও করা হতে পারে। কিন্তু টুইটারে উপস্থিত কোটি কোটি ফেক অ্যাকাউন্ট নিয়ে কী করা হবে? সে প্রশ্নের সদুত্তর মেলেনি সংস্থার তরফে। বিভিন্ন দলের মহিলা রাজনীতিকদের নিয়ে বিশেষ প্রচার, নির্বাচন কমিশনের নানা সচেতনতাও প্রচার করবে টুইটার। সংস্থার আশা, এর মাধ্যমে টুইটারে বয়ে চলা ফেক নিউজ, বিভ্রান্তিকর বক্তব্য এবং হিংসা ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের উপর লাগাম পরানো যাবে। যা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। গত বছর আমেরিকার নির্বাচনের সময় ফেক নিউজ ও ঘৃণার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেয় টুইটার। সে দেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা বহু বিভ্রান্তিমূলক ও মিথ্যে কথা আটকে দিয়েছিল সংস্থা। ট্রাম্প ও তাঁর বাহিনীর মিথ্যে আটকাতে একটি বিশেষ ধরনের স্টিকার তৈরি করেছিল সংস্থা। যেখানে মিথ্যে ও বিভ্রান্তিমূলক কথা টুইটে বলা হলেই তার নীচে সেই লেবেল সেটে দিচ্ছিল টুইটার। লেবেলের মধ্যে দেওয়া থাকত আসল তথ্যটি। এমনকী পরের দিকে ট্রাম্পের আচরণে ক্ষুব্ধ টুইটার তাঁর অ্যাকাউন্টটিও ব্লক করে দেয় কিছু সময়ের জন্য। যা ছিল ওই দেশের নির্বাচনের নিরিখে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বহু দিন ধরেই সামাজিক মাধ্যম অর্থাৎ ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউবের মাধ্যমে ফেক নিউজ ছড়ানো, উস্কানিমূলক মন্তব্য ছড়িয়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করে আসছেন অনেকে। এ রাজ্যেও নানা সময়ে বাংলাদেশের সিনেমার ভিডিয়ো দেখিয়ে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের উপর হামলা-অত্যাচার চলছে বলে ছড়ানো হয়েছিল। যা নিয়ে আইন-শৃঙ্খলার সমস্যাও তৈরি হয়। এছাড়াও ভোটের আগে একটি বিজেপির আইটি সেলের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তাবড় বিরোধীপক্ষকে। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, এই আইটি সেলের মাধ্যমে ভুয়ো খবর এবং বিভ্রান্তিমূলক কথা ছড়িয়ে ভোটারদের মন প্রভাবিত করে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক বিশ্লেষক প্রসেনজিৎ বসু বলছেন, 'এতদিন ভারতের মতো দেশে সামাজিক মাধ্যমগুলি এই আইটি বাহিনীর খোলা মাঠে পরিণত হয়েছিল। তাতে পাঁচিল দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, তা সাধুবাদযোগ্য।' স্বাভাবিক ভাবেই এই ইস্যুতে টানাপড়েন শুরু হয়েছে যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য বলছেন, 'ফেক নিউজ যাঁরা ছড়ান, তাঁদের আটকানো গেলে ভালো। তবে টুইটার একটু উচ্চশিক্ষিত মানুষজন করেন। সাধারণের কাছে রয়েছে ফেসবুক, ইউটিউব। সেখানে বিজেপির আইটি সেলের জাল ছড়িয়ে। ওরা অকারণে বিজেপি বিরোধীদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে যতটা তৎপর, অন্যদিক বিজেপি যতই হিংসা আর মিথ্যা কথা ছড়াক, সেটা আটকাতে একেবারেই তৎপর নয়।' সিপিএমের ডিজিটাল শাখারও বক্তব্য অনেকটা দেবাংশুর মতোই। তাঁদের বক্তব্য, 'হচ্ছে ভালো। কিন্তু কাজের কাজ কতটা হবে সংশয় আছে।' বিজেপির আইটি সেলের সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। যদিও টুইটারে সিদ্ধহস্ত বিজেপি নেতা তথাগত রায় বলেন, 'কোনটা ঠিক, কোনটা বেঠিক এ সব ঠিক তো করবে টুইটারের কয়েকটা লোক। টুইটার রাজনৈতিক ভাবে একটু সেকুলারদের পক্ষে। একেবারেই নিরপেক্ষ নয়। তাই এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হবে বলেই আমার বিশ্বাস।' টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/38GOV1a
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads