একের পর এক বাহারি আবাসন বানানোর হিড়িক, ঠাঁইহারা উত্তরবঙ্গের পাখিরা https://ift.tt/M8jQ0fN - MAS News bengali

একের পর এক বাহারি আবাসন বানানোর হিড়িক, ঠাঁইহারা উত্তরবঙ্গের পাখিরা https://ift.tt/M8jQ0fN

West Bengal Local News: গাছ কেটে জলা বুজিয়ে জেলায় জেলায় শহরে শহরে চলছে ফ্ল্যাটবাড়ি নির্মাণের কাজ। মানুষের মাথার ছাদ বানানোর পরিকল্পনায় মাথা গোঁজার আশ্রয় হারাচ্ছে অন্যেরা। বাসস্থানের অভাবে শহরে এলাকায় দিন দিন কমছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সংখ্যা। শহুরে পরিবেশে বদলে যাচ্ছে পাখিদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।চিন্তিত বন দফতর থেকে পক্ষী প্রেমীরা। বিশেষ করে শহর এলাকায় বড়ো বড়ো আবাসন গড়ে ওঠায় কমে যাচ্ছে পর্যাপ্ত গাছের সংখ্যা। ফলে ক্রমাগত পাখিদের বাসস্থানের অভাব দেখা দিচ্ছে জেলা শহরে। দিন দিন আবাসনের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাচ্ছে ততই সংখ্যা কমছে গাছের। ফলে গাছের কোটরে বসবাসকারী পাখিদের বিশেষ করে বিভিন্ন প্রজাতির পেঁচা ও কাঠঠোকরার মতো পাখিদের বাসস্থানের অভাব দেখা দিচ্ছে আলিপুরদুয়ার জেলা শহরে। এছাড়া শহর এলাকায় আম, জাম ,কাঁঠাল, লিচু মতো বিভিন্ন প্রকারের ফলের গাছও কমে চলেছে। এছাড়াও শহরে ছোটো বড়ো জলাশয়ের সংখ্যাও কমেছে।ফলে শহর এলাকায় পাখিদের খাদ্য ও বাসস্থান সমস্যা বড়ো আকার নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাখি প্রেমীদের। শহরের কলকারখানা ও যানবাহনের শব্দে হারিয়ে যাচ্ছে পাখিদের কলরব। একসময় যাদের কিচিরমিচির ডাকে ঘুম ভাঙ্গতো, এখন তাদের দেখা মেলাই কঠিন। শহর এলাকায় হামেশার কাকের বাড়বাড়ন্ত এখন আর নজরে পরে না।কাকের ঘোরা ফেরা বাজার এলাকা গুলিকে কেন্দ্র করে।চড়ুই, বাবুই, ঘুঘু, বেনেবৌ, দোয়েল ও ডাহুকের মতো পাখিদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাওয়ায় উদ্বেগ বারছে।জলাশয়ের অভাবে ডাহুক , জল পিপি ও বকের মতো প্রাণীদের বসবাসের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। লোকালয়ে মাছ বাজার এলাকা গুলিতে বক ও কাকের অনায়াসে দেখা মিলছে। তবে শহর সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির পাখিদের দেখা মিললেও তাদের সংখ্যা অনেকটাই কমছে।বনদফতর ও পক্ষী প্রেমিদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে , পরিবেশ দূষণে পাখিদের উপর বেশি প্রভাব পড়ছে।সাধারণত পাখিদের প্রধান খাদ্য বিভিন্ন কীট পতঙ্গ ও দানা শস্য। কিন্তু, কৃষিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার বেরেছে। ফলে পাখিদের খাবারেও যথেষ্ট ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। কীটনাশক পাখিদের জীবন প্রণালীর ক্ষতি করছে।বিশেষ করে ডিমের খোলস পাতলা হয়ে যাওয়ায় পাখিদের বংশ বিস্তার ব্যহত হচ্ছে। এছাড়াও শহর এলাকায় বিভিন্ন মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশনের প্রভাব পড়ছে। যদিও বনদপ্তরের উদ্যোগে পাখি নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছরই বার্ড ফেস্টিভ্যাল করা হয়।পাখি প্রেমিক শিবুন ভৌমিক বলেন, বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সংখ্যা দিনকে দিন কমেছে। বিশেষ করে শহর এলাকায় বাসস্থানের অভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।বিভিন্ন সময় টাওয়ারের রেডিয়েশনের প্রভাবের কথা শোনা গেলেও কীটনাশক প্রয়োগ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে পাখিদের স্বাভাবিক জীবনে যাত্রা প্রভাবিত হচ্ছে। ডিমের খোলস পাতলা হয়ে যাচ্ছে।তাই খাবার ও বাসস্থানের অভাবে শহর এলাকায় পাখিদের সংখ্যা কমছে। এছাড়া কিছু পাখির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও পাল্টে যাচ্ছে।বদলে যাচ্ছে পাখিদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। অনেক পাখি বন ছেড়ে লোকালয়ে ফিরে আসছে। আবার কাক গুলিকে শহরের বাজার এলাকা গুলিতেই দেখা যাচ্ছে।"ইস্ট রাজাভাতখাওয়া রেঞ্জার নুর ইসলাম বলেন, পাখি সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনা বৃদ্ধির জন্য বন দপ্তরের উদ্যোগে পাখি ফেস্টিভ্যাল করা হয়ে থাকে। কিন্তু শহর এলাকায় পাখিদের সংখ্যা কমে যাওয়ার একাধিক কারন রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে রেডিয়েশনের প্রভাব তো রয়েইছে। শহর এলাকায় পাখিদের বাসস্থানের সমস্যাও রয়েছে।


from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News - Ei Samay https://ift.tt/UEZkH8d
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads