মিড ডে মিলে পচা ভাত, টিকটিকি-আরশোলা! অভিযোগ ঘিরে শোরগোল তেহট্টর স্কুলে https://ift.tt/IjQCBoE - MAS News bengali

মিড ডে মিলে পচা ভাত, টিকটিকি-আরশোলা! অভিযোগ ঘিরে শোরগোল তেহট্টর স্কুলে https://ift.tt/IjQCBoE

: এক দিকের উনুনে ফুটছে ডাল। ঠিক তার পাশেই ডাই করা রয়েছে বেশ কয়েকদিনের জমানো পচা ভাত। রান্না করা খাবারের উপর দিয়ে অবাধে ঘোরাফেরা করছে টিকটিকি, আরশোলা, বিষাক্ত পোকামাকড়। এমনই চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা হচ্ছে মিড ডে মিলের আহার। দৃশ্য নদিয়ার (Nadia) তেহট্ট (Tehatta) ১ ব্লকের নাজিরপুর আদর্শ বিদ্যাপীঠের () । মিড ডে মিল নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের পরিদর্শনে মাঝেই নদিয়ার এই প্রাথমিক স্কুলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন পড়ুয়া থেকে অভিভাবকরা। পড়ুয়াদের অভিযোগ, অযোগ্য খাদ্য পরিবেশন করা হয় তাদের। মিড ডে মিল () ব্যবস্থা নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দেন অভিভাবকরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্কুল শিক্ষক বলছেন সবটাই নাকি প্রধান শিক্ষকের গা-জোয়ারি। সংবাদ করতে গেলে হুমকি দেওয়া হয় সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের। হুমকি দেন স্কুলের অশিক্ষক কর্মীরা। তবে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।কেন্দ্র রাজ্যের যৌথ প্রকল্প কেন্দ্রীয় বরাদ্দ অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় পরিদর্শনে এসেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। দু একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে রাজ্যের মিড ডে মিল ব্যবস্থার দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। রাজ্যের মধ্যে ভাবমূর্তির একদম উল্টো চিত্র নদিয়ার নাজিরপুর বিদ্যাপীঠের। স্কুলেরই পড়ুয়া আকাশ মণ্ডলের দাবি " ডালের বদলে দেয়া হয় শুধু হলুদ গোলা জল, সবজি থাকে না বললেই চলে"। নিম্নমানের একঘেয়েমি খাবারের কারণেই মিড ডে মিলের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন পড়ুয়ারা এমনটাই অভিযোগ অভিভাবকদের। বিদ্যালয়ের এক পড়ুয়ার অভিভাবক রঞ্জন সাহার দাবি " বাইরে থেকে যদি লোক আসে সেদিন ঢাকঢোল পিটিয়ে ভালো ভালো খাবার দেয় তারপরে যে কে সেই"। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই স্কুলের এক শিক্ষক জানাচ্ছেন " শুধুমাত্র নিম্নমানের খাবারই নয় পড়ুয়ার সংখ্যাকে মাত্রাতিরিক্ত ভাবে বাড়িয়ে দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রধান শিক্ষক ও দুজন অশিক্ষক কর্মচারী"। ছাত্রদের উপস্থিতির খাতা বিকৃত করে বেশি সংখ্যক উপস্থিতিতে দেখিয়ে টাকা হাতানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি স্কুলের পশুপতি সরকার। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিকাশ মণ্ডল বলেন " এ বিষয়ে যা বলার প্রধান শিক্ষক বলবেন আমার কিছু যে বলার নেই" । করিমপুর এক নম্বর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক শুভাশিস মজুমদার জানান "নাজিরপুর বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও বেশ কয়েকটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি, সবটাই তদন্ত চলছে। দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তি হবে"। ঘটনার পর থেকেই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/i9eFyVm
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads