Ajker Khobor
Bangla News
Bengali News
Latest Bengali News - Ei Samay
বাংলা খবর
from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News - Ei Samay https://ift.tt/gp9UhqI
সিবিআইকে সহযোগিতায় রাজি শাহিদ-আলি-কৌশিক, ৩ বন্দির জবানবন্দি? https://ift.tt/IC1tNRM
এই সময়: শেখ শাহিদ ইমামকে গ্রেপ্তারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে নিজেদের হেফাজত থেকে জেল হেফাজতে পাঠানোর আর্জি জানিয়েছিল সিবিআই। তাঁর গোপন জবানবন্দির আবেদন জানানো হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল তখনই। সোমবার সেই জল্পনাতেই কার্যত শিলমোহর দিলেন শাহিদের আইনজীবী। এ দিন আলিপুরের বিশেষ তাঁর আইনজীবী জানান, শাহিদ তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করবেন। বিচারকের কাছে ভারতীয় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় গোপন জবানবন্দি রেকর্ডও করাতে চান। একা নন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত শুক্রবার তাঁর সঙ্গেই সিবিআইয়ের হাতে ধরা পড়েছেন দাদা শেখ আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষ। এই দু'জনের আইনজীবীরাও সোমবার বিশেষ আদালতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়কে বলেন, 'আমাদের মক্কেলরা তদন্তে সাহায্য করতে তৈরি। প্রয়োজনে ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য দিতেও প্রস্তুত।' বিচারক এ কথা শুনে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তকারী অফিসারের উদ্দেশে বলেন, 'ওঁরা তো ভালো অ্যাপ্রোচ দেখাচ্ছেন। তা হলে আপনারা কী করবেন? দেখুন।' তদন্তকারী অফিসার মাথা নেড়ে বিচারককে বলেন, 'নিশ্চয়ই, আমরা দেখছি।' এ দিন মামলার গতিপ্রকৃতির ভিত্তিতে আইনজীবীরা মনে করছেন, শীঘ্রই তিনজনের গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আদালতে আবেদন জানাতে পারেন তদন্তকারীরা। সে ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআইয়ের হাত অনেকটা শক্ত হবে। নিয়োগ দুর্নীতিতে এজেন্টের ভূমিকা পালন করা এই তিন অভিযুক্তকে ভবিষ্যতে রাজসাক্ষী করা হবে কি না, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নয়া জল্পনা। সোমবার তিন অভিযুক্তের কাউকেই আর নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়নি সিবিআই। ধৃতদের আইনজীবীরা এ দিন বলেন, 'আমার মক্কেলরা তদন্তে সহযোগিতা করতে চান। যে কোনও শর্তে তাঁদের জামিন দেওয়া হোক।' যদিও বিচারক জামিন দেননি। তিনজনকেই ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, নবম-দশমে নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত 'মিডলম্যান' প্রসন্ন রায়ের সঙ্গে এই তিন অভিযুক্তের যোগাযোগের তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। অযোগ্যদের চাকরি করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রার্থীদের থেকে এঁরা টাকা তুলতেন। এর পর সেই প্রার্থীদের তালিকা পাঠাতেন প্রসন্নর কাছে। ঝাড়াই-বাছাইয়ের পর শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে 'ডিল ফাইনাল' করতেন প্রসন্ন। অযোগ্যদের থেকে যে টাকা নেওয়া হতো, তার একাংশ পেতেন ওই তিনজন। জানা গিয়েছে, তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা তোলেন শেখ আলি ইমাম। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি প্রায় ৬ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে প্রসন্নর হাতে তুলে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ভাই এ পর্যন্ত ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা এবং কৌশিক ঘোষ ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা প্রসন্নকে দিয়েছেন বলেও সিবিআই জেনেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই টাকার অঙ্ক আরও বাড়তে পারে। আদালতে এ দিন অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জানান, আলি প্রাক্তন সেনাকর্মী। চাকরি থেকে অবসরের পর তিনি কলকাতা পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীতেও কাজ করেছেন। শাহিদ স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি অভিনয় ও প্রয়োজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আলি-শাহিদের বাবা হাসান ইমাম ছিলেন শিক্ষক। তিনি এলাকায় একজন সম্মানিত ব্যক্তি। পরিবারটির যথেষ্ট সুনামও আছে। মুর্শিদাবাদের কৌশিক আবার দিল্লিতে একটি পেট্রোলিয়াম সংস্থায় মোটা বেতনের চাকরি করতেন। কোনও এক অজ্ঞাত কারণে তা ছেড়ে এক সময়ে রাজ্যে ফিরে আসেন। গোয়েন্দারা মূলত খতিয়ে দেখতে চাইছেন, কী ভাবে প্রসন্নর সঙ্গে এঁদের যোগাযোগ হলো, প্রসন্ন সেই টাকা কার কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন ইত্যাদি। এ বিষয়ে তথ্য পেতে আরও কয়েকজনকে জেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা।
from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News - Ei Samay https://ift.tt/gp9UhqI
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment