'এতটুকু' বাসা'তেই ভালোবেসে থাকুন, নির্দেশ নেতাদের https://ift.tt/yXxfpWM - MAS News bengali

'এতটুকু' বাসা'তেই ভালোবেসে থাকুন, নির্দেশ নেতাদের https://ift.tt/yXxfpWM

প্রসেনজিৎ বেরা বিলাসিতা নয়, নিচুতলার কর্মীদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে জনসংযোগই যে মুখ্য উদ্দেশ্য, দলীয় নেতৃত্বকে সেই বার্তা দিল তৃণমূল ()। 'দিদির সুরক্ষাকবচ' () জনসংযোগ কর্মসূচিতে যে ৩৫০ নেতা গ্রামে গ্রামে রাত কাটাবেন, তাঁদের উদ্দেশে দলের বক্তব্য - চাকচিক্যের নিরিখে বাড়ি বেছে নিশিযাপন নয়। জোড়াফুল শিবিরের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব যে দলীয় কর্মীর বাড়ি নির্দিষ্ট করে দেবেন, সেখানেই রাত কাটাতে হবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের। পাশাপাশি, কোন পঞ্চায়েতে কোন 'অতিথি' নেতারা যাবেন, তা বেছে নেওয়ার সুযোগ সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বকেই দেওয়া হচ্ছে। উপর থেকে কিছু চাপানোর বদলে এ ভাবে 'অতিথি' বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১১ জানুয়ারি রাজ্যজুড়ে নেতাদের এই কড়া বিধি মেনে চলতে হবে। তৃণমূলের প্রথম সারির এক নেতা এ কথা জানিয়ে বলেন, 'দলের যে কর্মীর বাড়িতে নেতারা রাতে থাকতে বলবেন, সেই বাড়িতেই থাকতে হবে। সেখানে চকচকে ড্রয়িং রুমে বড় ডাইনিং টেবিল আছে কি না, বাথরুমে কমোড-গিজার-শাওয়ার নেই বলে নেতৃত্বকে না-জানিয়ে পছন্দের কারও বাড়িতে বা অতিথিশালায় গিয়ে থাকলাম, তেমনটা করা যাবে না।' ২০১৯-এর পর 'দিদিকে বলো' কর্মসূচিতে নিচুতলার নেতা-কর্মীদের বাড়িতে থাকার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল তৃণমূল নেতাদের। কিন্তু দলীয় নেতৃত্বের কাছে খবর পৌঁছয়, কিছু নেতা গ্রামে জনসংযোগে গিয়ে কোনও কর্মীর বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ থাকলেও রাতটা পরিচিত কারও বাড়িতে কাটিয়েছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর 'দিদির সুরক্ষাকবচ'ই রাজ্যজোড়া প্রথম বড় জনসংযোগ কর্মসূচি। যেখানে ৩৫০ নেতা ছাড়াও সাড়ে ৩ লক্ষ দলীয় কর্মী রাজ্যের ৩,৩৪৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে যাবেন। পাশাপাশি রাজ্যের ৭ পুরনিগম ও শতাধিক পুর এলাকায় এই কর্মসূচি চলবে। সোমবার নজরুল মঞ্চে এই কর্মসূচির উদ্বোধনের সময়েই জানিয়েছেন - মধ্যাহ্নভোজ বা নৈশভোজে কোনও 'এলাহি' খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে না। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের বক্তব্য, 'দল আমাকে যেখানে থাকতে বলবে, সেটাই আমার কাছে রাজপ্রাসাদ। সে বাড়ি কুঁড়েঘর না পাকাবাড়ি, তা বড় বিষয় নয়। সেখানে যে খাবার পাওয়া যাবে, তা-ই খাব।' শান্তনু এ কথা বললেও তৃণমূলের প্রথম সারির অন্য এক নেতার বক্তব্য, 'নজরুল মঞ্চে সভা শেষ হওয়ার পরে অনেকেই নিজেদের মধ্যে গ্রামে রাত কাটানো নিয়ে আলোচনা করছিলেন। বিশেষ করে যে কর্মীর বাড়িতে থাকতে বলা হবে, সেখানে ডাইনিং রুম, বাথরুম ঠিকঠাক পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে একাধিক নেতা-মন্ত্রী নিজেদের মধ্যে চর্চা করছিলেন।' যদিও রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বক্তব্য, 'নেতৃত্বের নির্দিষ্ট করে দেওয়া বাড়ি বদল করা যাবে না। কারণ দলের ওই কর্মী বা গ্রামবাসী যে ভাবে থাকেন, সে ভাবেই নেতাদের থাকতে হবে। নিচুতলার ওই ব্যক্তি কী ভাবে জীবনযাপন করেন, তাঁকে সেটা অনুভব করতে হবে।' তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব থেকে প্রতিটি সাংগঠনিক জেলা ও ব্লক নেতৃত্বকে 'অতিথি নেতা' বেছে নেওয়ার জন্য একাধিক নাম প্রস্তাব করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে দলের একাংশের বক্তব্য। এই প্রস্তাবিত তালিকা থেকে নাম নির্দিষ্ট করে তা পাঠানো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক জেলা ও ব্লক নেতৃত্বের কাছে। তৃণমূলের এক নেতার কথায়, 'দলের সব নেতার সঙ্গে সব জেলা ও ব্লক নেতৃত্বের সমীকরণ এক নয়। তাই কোনও দূরত্ব যাতে না হয়, জেলা নেতৃত্ব যাতে মনে না করেন যে উপর থেকে সব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সে কারণেই এই পথ ধরা হচ্ছে।'


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/FTO8yYf
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads