বঙ্গে কি জঙ্গিদের সুইসাইড স্কোয়াড তৈরির ছক https://ift.tt/5Ls4lZd - MAS News bengali

বঙ্গে কি জঙ্গিদের সুইসাইড স্কোয়াড তৈরির ছক https://ift.tt/5Ls4lZd

এই সময়: বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো ক্লিপে বা আত্মঘাতী বাহিনীর হামলা। ইসলামিক স্টেট বা (IS) সংগঠনের সুইসাইড স্কোয়াড। ভিডিয়ো ক্লিপ ছাড়া তাদের হামলার 'স্টিল' ছবিও। সেই সঙ্গে গলা কেটে আইএসের নৃশংস হত্যালীলার ছবি ও ভিডিয়ো। আইএস জঙ্গি যোগে সন্দেহভাজন হিসেবে ধৃত হাওড়ার দুই যুবকের ল্যাপটপ, ডেস্কটপ ও মোবাইল ফোন ঘেঁটে এ সব পাওয়া গিয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রের খবর। সেই জন্য কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফের তদন্তকারীদের এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে প্রশ্ন- বাংলায় কি জেহাদি জঙ্গিদের সুইসাইড স্কোয়াড তৈরির চেষ্টা হচ্ছে কিংবা এই রাজ্যে কি কোনও আত্মঘাতী হামলার ছক কষা হচ্ছে, যে পরিকল্পনার সঙ্গে হাওড়ার টিকিয়াপাড়ার সাদ্দাম মল্লিক ও শিবপুরের সইদ আহমেদের যোগ রয়েছে? গোয়েন্দা সূত্রের খবর, শুক্রবার সন্ধ্যায় ধৃত ওই দুই যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিপত্র এবং বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের তথ্য বিশ্লেষণ করে তেমন আশঙ্কার বিষয়টি উড়িয়ে দিচ্ছেন না কলকাতা পুলিশের তদন্তকারীরা। প্রাথমিক তদন্তেই জানা গিয়েছে, সাদ্দাম ও সইদ অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক জোগাড়ের চেষ্টা করছিলেন। প্রথমে তদন্তকারীরা শুনেছিলেন, সাদ্দাম কলকাতার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমটেক পাশ করেছেন। তবে এখন সূত্রের দাবি, সাদ্দাম এমটেক নিয়ে পড়ছিলেন ঠিকই, তিনি এমটেক পাশ করেছিলেন কি না, সেই ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। একটি বেসরকারি সংস্থায় তিনি কাজ করেন বলে পরিবারের লোকজনকে সাদ্দাম জানিয়েছিলেন। বছর দুয়েক যাবৎ বাড়ির সদস্যদের মিথ্যে বলে 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'-এর নামে সাদ্দাম বাড়িতে বসে জেহাদি কাজকর্ম চালাচ্ছিলেন বলে তদন্তকারীদের বক্তব্য। তদন্তে জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম-এর চ্যাটিং অ্যাপেও সাদ্দাম সক্রিয় ছিলেন। জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য তিনি তহবিল সংগ্রহেরও চেষ্টা চালাচ্ছিলেন বলে গোয়েন্দাদের দাবি। পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃত সাদ্দাম ও সইদকে জেরা করে এসটিএফ কর্তারা জানার চেষ্টা করছেন, তাঁরা কোনও নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ব্যক্তিকে টার্গেট করে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন, নাকি কোনও সরকারি দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানে হামলার ছক কষছিলেন! ইতিমধ্যে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ-ও কলকাতা পুলিশের কাছ থেকে এই দু'জনের গ্রেপ্তারির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। সাদ্দাম ও সইদের কাছ থেকে এসটিএফ এ-ও জানার চেষ্টা করছে, তাঁরা জেহাদি ভাবধারায় তরুণ ও যুবকদের মগজধোলাই কি কেবল ওয়েব-দুনিয়ায় করতেন নাকি এই রাজ্যের কোথাও ক্যাম্প বা শিবিরেরও আয়োজন করা হতো? সে ক্ষেত্রে কোথায় কোথায় ক্যাম্প হয়েছে, কারা সেখানে যোগ দিতেন, সে সব জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, টিকিয়াপাড়ার আফতাবউদ্দিন মুন্সি লেনের সাদ্দাম পড়াশোনায় ভালো ছিলেন। পাশ করার পর তিনি সরকারি চাকরির চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। এর পর তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরিতে ঢুকলেও শেষমেশ কোনও কারণে তাঁর চাকরি চলে যায়। তবে সেটা চেপে গিয়ে তিনি বাড়ির লোকদের কাছে 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'-এর কথা বলেছিলেন। সাদ্দাম ও সইদ, দু'জনেরই সবিস্তার তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত দু'বছর যাবৎ সাদ্দামের চাকরি না-থাকলেও তাঁর চলত কী ভাবে, তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল কি না, সেই বিষয়ে তাঁকে জেরাও করা হচ্ছে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, সাদ্দামের এক দাদা সৌদি আরবে কর্মরত।


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/BuLXgFf
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads