Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News
Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla
Vieos
from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/Xlv7HB1
৬ মাস ধরে বিদ্যুৎহীন গ্রাম, বীরবাহার হস্তক্ষেপে শবরদের ঘরে ফিরল আলো https://ift.tt/ygE8erJ
লালগড়ের পূর্ণাপানিতে ছয় শবরের মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। সেই পূর্ণাপানি এলাকার করমশোল ও জঙ্গলখাস গ্রাম প্রায় ছয় মাস ছিল নিষ্প্রদীপ। অন্ধকারেই কাটছিল করমশোল ও জঙ্গলখাস গ্রামের শবর পরিবারগুলির জীবন। প্রশাসনের দোরে দোরে ঘুরেও মেলেনি সমাধান। কিন্তু বিষয়টি ঝাড়গ্রামের বিধায়ক বীরবাহা হাঁসদার (Jhargram MLA Birbaha Hansda) কানে যেতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হল সমস্যার সমাধান। ছয় মাস পরে শবর গ্রামে জ্বলল আলো। জানা গিয়েছে, বুধবার করমশোল গ্রামের বাসিন্দারা বিষয়টি রাজ্যের স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তির দপ্তরের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদাকে (Birbaha Hansda) জানান। বিষয়টি শুনেই উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন বিধায়ক। নিজে তৎপর হয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শবরগ্রামে আলো আনার ব্যবস্থা করেন। জেলাপ্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে নিজে আলোচনায় বসেন বীরবাহা। তারপরেই তড়িঘড়ি বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীদের সমস্যা কোথায় তা দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রশাসনের তরফে চাপ আসতেই তড়িঘড়ি কাজে নামে বিদ্যুৎ দফতর। জানা গিয়েছে, ওই গ্রামে প্রায় ছয় মাস ধরে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে গিয়েছিল । কিন্তু লালগড় (Lalgarh) সাব সেন্টারে বারবার জানিয়েও কোন সুরাহা হয়নি গ্রামবাসীদের । বৃহস্পতিবার মন্ত্রীর নির্দেশে তড়িঘড়ি নতুন ট্রান্সফরমার বসানো হয় করমশোলে এবং যে সকল শবর পরিবারগুলির বাড়িতে বিদ্যুতের মিটার ছিল না তাদের বাড়িতে রাতারাতি নতুন মিটার বসানো হয়। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যাদের বাড়িতে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ আসেনি তাদের নতুন কানেকশন দেওয়ারও ব্যবস্থা করা হবে শীঘ্রই ()। করমশোল গ্রামের বাসিন্দা , পুষ্প শবর, নয়ন শবররা বলেন," দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস ধরে আমাদের এখানে বিদ্যুৎ ছিল না অন্ধকারেই বসবাস করতে হচ্ছিল। বিষয়টি মন্ত্রীকে জানাতে আমাদের গ্রামে ট্রান্সফরমার পরিবর্তন করে বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু করা হল। খুবই ভালো লাগছে।" উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ১৫ দিনের মধ্যে সাতজন শবরের মৃত্যুতে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে পূর্ণাপাণি গ্রাম সংসদ। জেলা সদর থেকে এই গ্রামের দূরত্ব কম করে ২৪ কিলোমিটার। অথচ অসুস্থ হয়ে আদিবাসি জনজাতির সাতজনের মৃত্যুতে জেলা প্রশাসনের কাছে তথ্য না থাকার কারণে সমালোচনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। ঝাড়গ্রামের () তৎকালীন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশ্বিনী মাঝি বলেন, 'যে সাত জন মারা গিয়েছেন, তাঁদের দু'জন যক্ষ্মা রোগী। দু'জনের মৃত্যু হয়েছে বয়সজনিত কারণে। আর বাকি ৩ জন লিভারের ক্রনিক অসুখে ভুগে মারা গিয়েছেন।' সবার মৃত্যুও কিন্তু একসঙ্গে হয়নি। স্থানীয় আশাকর্মী রেখা মাহাতো বলেন, 'দিনরাত মদ খেত ওরা। নিষেধ করলে বলত, তুমি কি টাকা দাও? বারবার বলেও অভ্যাস বদলাতে পারিনি।' অভ্যাসের দাসত্বেই এমন পরিণতি তার আক্ষেপ ধরা পড়েছিল সেবার গ্রামের বাকিদের কথাতেও। ফের ছয় মাস ধরে বিদ্যুৎহীন শবরদের গ্রাম নিয়ে উঠছে অবহেলার প্রশ্ন। দেশের আরও খবরের জন্য । প্রতি মুহূর্তে খবরের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন ।
from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/Xlv7HB1
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment