মেসির বাঁ পায়ে দম্ভচূর্ণ অজিদের, শেষ আটে আর্জেন্তিনা https://ift.tt/UuDwdsY - MAS News bengali

মেসির বাঁ পায়ে দম্ভচূর্ণ অজিদের, শেষ আটে আর্জেন্তিনা https://ift.tt/UuDwdsY

গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারের পর আর্জেন্তিনাকে নিয়ে গেল গেল রব উঠেছিল। প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল নক আউটের ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোর ছাড়পত্র। প্রি–কোয়ার্টার ফাইনালে ঝলসে উঠল আর্জেন্তিনা। অস্ট্রেলিয়াকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে পৌঁছে গেল কোয়ার্টার ফাইনালে। ১০০০তম মাইলস্টোনের ম্যাচে ঝলসে উঠল আর্জেন্তিনা অধিনায়কের বাঁ পা। মেসি ম্যাজিকে কোয়ার্টার ফাইনালে দু’‌বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনা। বিশ্বকাপের নক আউটে এই প্রথম গোল পেলেন লিওনেল মেসি। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্তিনা খেলবে নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪–৩–৩ ছকে শুরু করেছিল আর্জেন্তিনা। চোট পাওয়া অ্যাঞ্জেলো ডি মারিয়ার জায়গায় প্রথম একাদশে আলেজান্দ্রো গোমেজকে রেখেছিলেন আর্জেন্তিনা কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। প্রথম ১০ মিনিট আর্জেন্তিনার নিরঙ্কুশ প্রাধান্য প্রাধান্য থাকলেও গোল লক্ষ্য করে শট নিতে পারেনি। সুসংবদ্ধ অস্ট্রেলিয়া রক্ষণ পেনিট্রেটিভ জোনে একেবারেই জায়গা দেয়নি মেসি, গোমেজ, আলভারেজদের। তবে আর্জেন্তিনাকে বেশিক্ষণ আটতে রাখতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া ডিফেন্স। ৩৫ মিনিটে এগিয়ে যায় আর্জেন্তিনা। ডানদিক থেকে উঠে গিয়ে ম্যাক আলিস্টার বল দিয়েছিলেন ওটামেন্ডিকে। ওটামেন্ডির পাস ধরে বাঁপায়ের শটে দলকে এগিয়ে দেন লিওনেল মেসি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে মারাদোনাকে ছাপিয়ে গেলেন মেসি। বিশ্বকাপে ৮ গোল করেছিলেন মারাদোনা। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে মেসির গোলসংখ্যা হল ৯। তাঁর সামনে শুধু গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১০ গোল। ৩৫ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার পর আরও চাপ বাড়ায় আর্জেন্তিনা। কিন্তু প্রথমার্ধে আর গোল তুলে নিতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আলেজান্দ্রো গোমেজকে তুলে নিয়ে ডিফেন্ডার লিজান্দ্রো মার্টিনেজকে নামিয়ে রক্ষণ মজবুত করার দিকে নজর দেন আর্জেন্তিনা কোচ স্ক্যালোনি। তিনি চেয়েছিলেন গোল ধরে রাখতে। তবে ৫০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল মেসির সামনে। আবার গোল লক্ষ্য করে মাটি ঘেঁষা শট নিয়েছিলেন মেসি। বল সরাসরি অস্ট্রেলিয়া গোলকিপার ম্যাট রায়ানের হাতে চলে যায়। শট নেওয়ার সময় শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন মেসি। না হলে গোল পেতে পারতেন। ৫৩ মিনিটে দুর্বল ব্যাকপাস করে দলকে প্রায় বিপদের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন ওটামেন্ডি। কোনও রকমে বল বিপদমুক্ত করেন আর্জেন্তিনা গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ৫৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান জুলিয়ান আলভারেজ। অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার কাই রউলেস ব্যাকপাস করেন গোলকিপার রায়ানকে। রায়ান বল ধরার সময় তাঁকে তাড়া করেন রডরিগো ডি পল। বল রায়ানের পা থেকে ছিটকে যায় তাড়া করে আসা আলভারেজ ডানপায়ের শটে ২–০ করেন। ৬৬ মিনিটে আলভারেজের সামনে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল। তিনি কাজে লাগাতে পারেননি। ৭৭ মিনিটে ব্যবধান কমায় অস্ট্রেলিয়া। গুডউইনের শট এনজো ফার্নান্ডেজের গায়ে লেগে গোলে ঠুকে যায়। ৮৮ মিনিটে মেসি একেবারে সাজিয়ে দিয়েছিলেন লাউতারো মার্টিনেজ। তিনি বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। শেষ দিকে সমতা বাড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। আর্জেন্তিনা রক্ষণের ভুলে সুযোগও এসে গিয়েছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলে দেন মার্টিনেজ। ‌


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/1O8ubsG
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads