সময়ে আবাস যোজনার কাজ শেষ না করলে হাতছাড়া হবে টাকা: কেন্দ্র https://ift.tt/TqhIDMB - MAS News bengali

সময়ে আবাস যোজনার কাজ শেষ না করলে হাতছাড়া হবে টাকা: কেন্দ্র https://ift.tt/TqhIDMB

এই সময়: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার উপভোক্তাদের চূড়ান্ত তালিকা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই তৈরি করতে হবে। নইলে রাজ্যের কোটা হাতছাড়া হতে পারে বলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক চিঠি দিয়ে জানিয়েছে রাজ্যকে। শুক্রবার এই চিঠি পঞ্চায়েত দপ্তরে পৌঁছয়। এর পরেই সব জেলাশাসককে চিঠির কথা জানিয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশ উপভোক্তাদের নাম যাচাই সমীক্ষায় আপত্তি জানিয়েছেন। ফলে কিছু কিছু জায়গায় কাজের গতি খানিকটা শ্লথ হয়েছে। তার মধ্যে কেন্দ্রের চিঠি উদ্বেগ বাড়িয়েছে রাজ্য প্রশাসনের। মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের পাঠানো এক বার্তায় বলেছেন, 'উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি তথ্য যাচাইয়ের সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। ফলে শীঘ্রই প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কোটা নির্দিষ্ট হয়ে যাবে। কেন্দ্রের স্থির করে দেওয়া ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে একশো শতাংশ কাজ শেষ না-হওয়াটা অপ্রত্যাশিত।' বার্তায় আরও বলা হয়েছে, 'আপনারা উদ্যোগী হন যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই একশো শতাংশ কাজ শেষ করে ফেলা যায়।' আবাস যোজনা নিয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডেপুটি ডিজি গয়া প্রসাদের চিঠি জেলাশাসকদের পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব। কেন্দ্রের চিঠিতে বলা হয়েছে, গ্রামীণ গরিব মানুষের মাথায় ছাদ নিশ্চিত করতে ২০১৬ সালে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০২৪-এর মার্চের মধ্যে পুরো কাজ শেষ করার কথা। দেশে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২ কোটি ৯৫ লক্ষ বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ইতিমধ্যেই ২ কোটি ১০ লক্ষ বাড়ি তৈরি হয়েছে। ৩৮ লক্ষ বাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র চাইছে, রাজ্যগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পগুলির রূপায়ণ করুক। সে জন্য উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ৩১ ডিসেম্বর করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে যে সব রাজ্য লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে না, তাদের বরাদ্দের বাকি অংশ অন্য রাজ্যকে দেওয়া হবে। এ নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করেছে রাজ্যের শাসকদল। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ শান্তনু সেন রবিবার বলেন, 'কেন্দ্র রাজ্যকে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করছে। এটা বঞ্চনারই নিদর্শন। দীর্ঘদিন ধরে আটকে রেখে মাত্র ক'দিন আগে বাংলার জন্য এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন করার একমাসের মধ্যে তালিকা চূড়ান্ত করতে বলা হচ্ছে। কাজ করতে কিছুটা সময় তো দিতে হবে!' বিধানসভার এ দিন বলেছেন, 'এখন সমীক্ষা হচ্ছে। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পরে যদি দেখা যায় তৃণমূলের পাকা বাড়ি থাকা লোকের নাম রয়েছে আর প্রকৃত লোক বাদ পড়েছে, তা হলে যা করার করব।' গত ২৪ নভেম্বর রাজ্যকে ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৮টি বাড়ি তৈরির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। এ জন্য আবাস তথ্যভাণ্ডার থেকে উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতে হবে। এই তথ্যভাণ্ডারে ৪৯ লক্ষ ২২ হাজার উপভোক্তার নাম রয়েছে। প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতের কোটা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সে জন্যই গ্রাম পঞ্চায়েতস্তরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ছাড়াও এই সমীক্ষক দলে গ্রামীণ পুলিশ, পঞ্চায়েতের কর্মীরা রয়েছেন। রাজ্য ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকা তৈরির কাজ শেষ করতে চায়। কিন্তু তালিকায় নাম থাকা নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীদের একাংশের চোখরাঙানির ভয়ে আশা ও অনেকে কাজে যোগ দিতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। সেটাই ভাবাচ্ছে রাজ্যকে। পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদিকা ইসমত আরা খাতুনের অভিযোগ, সমীক্ষা করতে গিয়ে রোষের শিকার হয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা বাদুড়িয়ার আশা কর্মী মমতাজ বেগম। তাঁর ফসল কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু জেলায় প্রবল চাপ এবং হুমকি দেওয়া হচ্ছে আশা কর্মীদের।


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/1XGU7em
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads