বিক্ষোভের আঁচে সিংহাসন টলমল! 'ইগো' ছেড়ে মুখ খুললেন জিনপিং https://ift.tt/I6yL1Zx - MAS News bengali

বিক্ষোভের আঁচে সিংহাসন টলমল! 'ইগো' ছেড়ে মুখ খুললেন জিনপিং https://ift.tt/I6yL1Zx

‘কোভিড শূন্য নীতি’-র বিরুদ্ধে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ চিন। এর মধ্যেই গণবিক্ষোভ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গণ অভ্যুত্থানের নেপথ্যে যে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ রয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, ওই পড়ুয়াদের ‘হতাশ ও দিকভ্রষ্ট’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান চার্লস মিচেলের সঙ্গে কথা বলেন চিনা প্রেসিডেন্ট। সূত্রের খবর, সেই কথোপকথোনের সময়ই চিনে চলা কোভিড আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করেন ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রধান। সেখানেই আন্দোলনের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন জিনপিং। উল্লেখ্য, লাগাতার আন্দোলনের জেরে ‘কোভিড শূন্য নীতি’ থেকে কিছুটা সরে আসতে চলেছে বেজিং। শুক্রবার এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগের মতো সংক্রমণ ধরা পড়লেই সরকারি ভাবে তৈরি নিভৃতবাসে যেতে হবে না নাগরিকদের। সংক্রমিত অবস্থায় নিজের বাড়িতেই তাকতে পারবেন তিনি। পাশাপাশি কিছু কিছু এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি বা অফিস খোলার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দিয়েছে চিনের প্রশাসন। ১৯৮৯-র পর ২০২২। ৩৩ বছর পর ফের গণঅভ্যুত্থান প্রত্যক্ষ করেছে চিন। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-র পদত্যাগের দাবিতে পথে নেমে চলছে প্রতিবাদ আন্দোলন। বুকে প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে ‘জিনপিং নিপাত যাক’ স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে বিক্ষোভকারীদের। প্রথমে সাংহাইতে শুরু হলেও ধীরে ধীরে এই গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গুয়াংঝাও, শিনজিয়ান ও বেজিংয়ে। আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে নিরাপত্তা বাহিনীকে দমন নীতি প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। পাশাপাশি, সেনাবাহিনীকেও তৈরি থাকতে বলেছেন তিনি। কিন্তু কী ভাবে হঠাৎ করে শুরু হল এই গণবিক্ষোভ? নেপথ্যে রয়েছে কোনও বিদেশি শক্তির হাত? নাকি অন্তর্ঘাতের জেরেই চরম আকার ধারন করেছে বিক্ষোভ? আন্দোলনের ঝাঁঝ তীব্র হতেই এই নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে চুল চেরা বিশ্লেষণ। আর তাতেই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এবারের গণবিক্ষোভের সঙ্গে বহু জায়গায় মিল রয়েছে ১৯৮৯-র আন্দোলনের। ১৯৮৭-তে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি বা CPC-র ১৩ তম পার্টি কংগ্রেসের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সম্মেলনে দলের জেনারেল সেক্রেটারির পদ থেকে ইউ ইয়াওবাংকে ছেঁটে ফেলা হয়। ঐতিহাসিকদের একাংশের দাবি, দলের এই সিদ্ধান্তের পরই ভিতরে ভিতরে চক্রান্ত শুরু করে দেন ইউ ইয়াওবাং। ১৯৮৯-র গণ আন্দোলনের নেপথ্যে কাজ করেছিল তাঁরই মস্তিষ্ক। চলতি বছরে বেজিংয়ের গ্রেট হলে CPC-র ২০ তম পার্টি কংগ্রেস হয়। সেখানে জেনারেল সেক্রেটারি পদে তৃতীয়বারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন শি জিনপিং। কিন্তু দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটি পলিটব্যুরো থেকে বাদ পড়েছেন চারজন। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ১৯৮৯-র মতো এবারের আন্দোলনের নেপথ্যেও রয়েছেন কমিউনিস্ট পার্টির এই সব সদস্যরা।


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/n5GoUQd
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads