মোক্ষম মুহূর্তে পেনাল্টি মিস হ্যারি কেনের, সাকাদের লড়াই ব্যর্থ করে সেমিতে ফ্রান্স https://ift.tt/fWIQ0xb - MAS News bengali

মোক্ষম মুহূর্তে পেনাল্টি মিস হ্যারি কেনের, সাকাদের লড়াই ব্যর্থ করে সেমিতে ফ্রান্স https://ift.tt/fWIQ0xb

পরপর দু'বছর বিশ্বকাপ জেতার রেকর্ড র‌য়েছে ব্রাজিলের। ফ্রান্সের সামনে সুযোগ ব্রাজিলের কৃতিত্ব স্পর্শ করার। ইংল্যান্ডকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে গেল ফ্রান্স। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নেওয়ার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন কিলিয়ান এমবাপেরা। সেমিফাইনালে ফ্রান্স খেলবে মরক্কোর বিরুদ্ধে। ফ্রান্সের হয়ে দুটি গোল করেন চৌমেনি ও জিরৌড। অন্যদিকে, পেনাল্টি থেকে ইংল্যান্ডের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন অধিনায়ক ()। একদিকে যেমন তিনি পেনাল্টি থেকে গেল করেন, তেমনই ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি নষ্ট করে খলনায়ক বনে যান। বিশ্বকাপের দুই দাবিদার এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল। ফুটবল বিশ্ব সাক্ষী থাকল এক দুর্দান্ত ম্যাচের। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ প্রতি আক্রমণে ভরা। ১১ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ফ্রান্স। গ্রিজম্যান ডানদিকে বল দেন ডেম্বেলেকে। ডেম্বেলের ক্রসে হেড করেছিলেন জিরৌড। বল সরাসরি চলে যায় ইংল্যান্ড গোলকিপার পিকফোর্ডের বিশ্বস্ত হাতে। ১৬ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে গোল তুলে নেয় ফ্রান্স। বাঁদিক থেকে বল ধরে এগিয়ে গিয়ে ভেতরে ঢুকে এমবাপে বল দেন ডানদিকে ডেম্বেলেকে। ডেম্বেলের থেকে বল পেয়ে গ্রিজম্যান স্কোয়ার পাস খেলেন পেছন থেকে উঠে আসা চৌমেনির উদ্দেশ্যে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বাঁপায়ের দুরন্ত শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন চৌমেনি। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ২০ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল ইংল্যান্ডের সামনে। লুক শ–র ফ্রিকিক সরাসরি চলে যায় হুগো লরিসের হাতে। পরের মিনিটেই হ্যারি কেনের শট আটকে নিশ্চিত গোল বাঁচান লরিস। ২৯ মিনিটে আবার অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন ফরাসি গোলকিপার। বক্সের মাথা থেকে ডানপায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন হ্যারি কেন। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান হুগো লরিস। দ্বিতীয়ার্ধেও ইংল্যান্ডের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান ফ্রান্সের গোলকিপার। ৪৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে বাঁপায়ে দুরন্ত ভলি নিয়েছিলেন বেলিংহ্যাম। বল গোলে ঢোকার মুখে ফিস্ট করে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান লরিস। অবশেষে ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরায় ইংল্যান্ড। বুকায়ো সাকা বল নিয়ে বক্সে ঢুকলে তাঁকে ট্যাকেল করেন চৌমেনি। রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। লরিসকে উল্টোদিকে ফেলে ডানপায়ের জোরালো শটে গোল করে দলকে লড়াইয়ে ফেরান ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন। ৫৫ মিনিটে আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ফ্রান্সের সামনে। র‌্যাবিয়টের বাঁপায়ের ভলি বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে নিশ্চিত গোল বাঁচান ইংল্যান্ড গোলকিপার পিকফোর্ড। ৭০ মিনিটে দুর্ভাগ্যের শিকার হতে হয় ইংল্যান্ডকে। হেন্ডারসনের ফ্রিকিকে দারুণ হেড করেছিলেন ম্যাগুয়ের। বল পোস্টের বাইরের দিকে লেগে বেরিয়ে যায়। ১ মিনিট পরেই বুকায়ো সাকার সামনে গোলের সুযোগ এসে গিয়েছিল। কিন্তু বল জালে রাখতে পারেননি। ৭৭ মিনিটে জিরৌডের একটা প্রয়াস দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন পিকফোর্ড। তবে পরের মিনিটেই আর দলের পতন রোধ করতে পারেননি ইংল্যান্ড গোলকিপার। বাঁদিক থেকে গ্রিজম্যানের সেন্টারে হেডে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন জিরৌড। ইংল্যান্ডের সামনে আবার সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল। ৮১ মিনিটে মাউন্ট ম্যাসনকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন হার্নান্ডেজ। রেফারি ‘‌ভার’‌–এর সাহায্যে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। হ্যারি কেনের শট বারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। শেষ দিকে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। কিন্তু ফ্রান্সের রক্ষণব্যুহ ভেদ করতে পারেননি রাহিম স্টার্লিং, মাউন্ট ম্যাসনরা। ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পেয়েছিল ইংল্যান্ড। র‌্যাশফোর্ডের দুরন্ত ফ্রিকিক বারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ায় স্বপ্নভঙ্গ হয়ে যায়।


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/Z3heX6L
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads